দৈনিক উত্তরের নিউজ

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

তারাগঞ্জ প্রতারণায় বিয়ে ও জোরপূর্বক তালাকের অভিযোগ

প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে স্ত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে জোরপূর্বক তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার এক যুবকের বিরুদ্ধে।তালাকের পরও হুমকি, ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী নারী।ভুক্তভোগী মোছা. মমতা বেগম নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কিসামত ডাঙ্গি হেডপাড়া এলাকার মাহাতাব উদ্দিনের কন্যা। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।মমতা বেগম জানান, পারিবারিক সম্মতিতে ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর ডাঙ্গাপাড়া (দিলালপুর) গ্রামের আব্দুর ছাত্তারের পুত্র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী রেজিস্ট্রি কাবিননামার মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় ৪ লাখ ৫০ হাজার ২০৫ টাকা।বিয়ের সময় আতিকুল ইসলাম নিজেকে ঢাকায় কর্মরত গোয়েন্দা বিভাগের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন বলে অভিযোগ করেন মমতা বেগম। ওই পরিচয়ের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে মোটরসাইকেল ক্রয় ও তারাগঞ্জে বাড়ি নির্মাণের কথা বলে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে ১৫ লক্ষাধিক টাকা নগদ গ্রহণ করেন আতিকুল ইসলাম।এছাড়াও প্রতারণার অংশ হিসেবে মমতা বেগমের নামে সৈয়দপুর সিটি ব্যাংকের একটি হিসাব (অ্যাকাউন্ট নম্বর– ২১০১৮৫২৪২০০০১) থেকে স্বাক্ষর করা তিনটি চেকের পাতাও নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেন মমতা । একইভাবে বিভিন্ন অজুহাতে মমতার পরিবারের কাছ থেকেও ছয় লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করা হয়।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের সময় তার পরিবার স্বামীর বাড়িতে টেলিভিশন, ফ্রিজসহ প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার প্রদান করে। দাম্পত্য জীবনে তিনি নিয়মিত মানসিক নির্যাতন ও পারিবারিক চাপের শিকার হন। একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, আতিকুল ইসলাম এর আগেও ঢাকায় আরেকটি বিয়ে করেছিলেন, যা বিয়ের সময় গোপন রাখা হয়েছিল।এই তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়। উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে জানান তিনি।মমতা বেগম দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে তালাক দেওয়া হয়। তবে তালাকনামার কোনো কপি তাকে দেওয়া হয়নি।তালাকের পর থেকেই প্রাক্তন স্বামী আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্নভাবে চাপ, ভয়ভীতি ও হয়রানি করে আসছেন।তিনি আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তারাগঞ্জ এলাকায় আতিকুল ইসলামের বাড়িতে গেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।মমতা বেগম বলেন,আমাকে বিয়ে দিতে আমার বাবার ১৫ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ হয়েছে। আমার দোষ কী ছিল? প্রতারণার মাধ্যমে আমাকে বিয়ে করেছে আতিকুল। বিয়ের সময় সে মিথ্যা পরিচয় দিয়েছিল এবং আগের বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেছিল। এভাবেই সে মানুষকে সর্বস্বান্ত করছে।বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রশাসনের সার্বিক সহায়তা দাবি করেছেন ভুক্তভোগী নারী।এ বিষয়ে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খুলনা নগরীর ৬ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নৌ-পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এমভি তাওছীফ আয়মান–২ ও এমভি ক্রাউন–৩ নামের দুটি লাইটার ভেসেলের মাঝখানে নদীতে ভাসমান অবস্থায় লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এমভি তাওছীফ লাইটার ভেসেলের সুকর্ণী মিলন ঘোষ নদী থেকে পানি সংগ্রহ করতে গেলে দুটি ভেসেলের মাঝখানে ভাসমান একটি মরদেহ চোখে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে খুলনা থানায় খবর দেন। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নৌ-পুলিশকে অবহিত করে।খবর পাওয়ার আনুমানিক দুই ঘণ্টা পর নৌ-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।নৌ-পুলিশ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আক্তার জানান, প্রাথমিক যাচাই শেষে জরুরি টিম পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিহত যুবকের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তার পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে আশপাশের এলাকা ও নৌযান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।

ফার্মেসিতে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ি উপজেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি ফার্মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রদর্শন ও সংরক্ষণের দায়ে দেবনাথ ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত টংগিবাড়ি বাজার এলাকায় মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়। অভিযানে দেবনাথ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের প্রমাণ পাওয়া যায়।এ সময় ফার্মেসির মালিক সুশান্ত দেবনাথকে জরিমানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন না করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ। এ সময় সহযোগিতা করেন জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এ বি এম মিজানুল হক এবং টংগিবাড়ি থানা পুলিশের একটি দল।

রেজিস্ট্রার ও লেখকের ৩০ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ

 ব্যক্তিগত লাভবান, গোপন আঁতাত ও যোগসাজশের কারণে সরকারের রাজস্ব আদায়ে প্রধান বাধা বা অন্তরায় হয়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদরের  সাব-রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র  জানা যায়, জমিতে ৭ তলা বাড়ি থাকার পরেও প্রকৃত তথ্য গোপন করে  দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান এর মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে, বিক্রয় কবলা দলিল রেজিস্ট্রেশনের ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়ায় তোলপাড় চলছে। তবে এসব অপকর্মের ঘটনা সহসাই ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে জোরালা তদবির চালানো হচ্ছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।অভিযোগ উঠেছে, গত ২৪শে নভেম্বর-২০২৫  একটি রেজিস্ট্রেশনকৃত দলিল সাতক্ষীরা  সদরের   (ইসলামী হাসপাতালের পশ্চিম পার্শ্বে)-এর মৃত শেখ আব্দুল কাইয়ুম কন্যা সালমা খাতুন  ৩টা দলিল সূত্রে প্রাপ্ত হয়, সাতক্ষীরা টু খুলনা হাই উয়ে রোড এর সাথে  পলাশপোল মৌজায় সাবেক ৬১৭৩ দাগের বাটা ১৪৬৫৩ দাগের হাল  ১৪৫৭৭ দাগের ৬ শতাংশ জমিসহ পাকা আবাসিক স্থাপনা ব্যক্তিগত লাভের কারণে  ৩ কোটি  টাকায় (দলিল মূলে ) বিক্রয় করেন।  ৭ তলা বাড়ির যাহার  স্থাপনা ১৬০০০ থেকে ১৮০০০ স্কায়ার ফুট। উক্ত আবাসিক পাকা স্থাপনাসহ জমি ক্রয় করেন পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর। দলিল লেখালেখির কাজ সম্পাদন করেন   মোঃ মিজানুর রহমান   (দলিল লেখক সনদ নং-১১/১৬)। জমি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত সরকারি আবাসিক স্থাপনার উপরে( ৫.৫% + ৬%)= ১১.৫%ফিসের (ভ্যাট-ট্যাক্স) পাশাপাশি যদি আবাসিক (স্থাপনা) থাকে তাহলে অর্থবিল-২০১৯ আওতায় এফএফ-৫৩ (উৎসেকর) মোতাবেক আরও অতিরিক্ত ৫% হারে সরকারের রাজস্ব (ভ্যাট-ট্যাক্স) আদায় করে চালানের মাধ্যম রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার বিধি-বিধান বা আইন আছে।কিন্তু সদরের সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু ও দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান  পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আইনের প্রতি বদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উক্ত বিক্রয় কবলা দলিলে নাম সত্ত্বে কিছু আবাসিক স্থাপনা নেই মর্মে উল্লেখ করে । অতিরিক্ত ৩০ লাখ টাকার ভ্যাট-ট্যাক্স (রাজস্ব) ফাঁকি (রিবেট) দেয়ার সুযোগ করে দেয়ার অভিযাগ রয়েছে।প্রায় ৩০ লক্ষ এর অধিক ভ্যাট-ট্যাক্স (রাজস্ব) ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে  দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে।দলিলদাতা সালমা খাতুন জানান, আমার বাসা বাড়ির সব কাগজপত্র দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে। যদি বাসা-বাড়ির তথ্য গোপন করে রাজস্ব ফাঁকি দেয় তার জন্য তারাই দায়ী। দাতা আরোও বলেন দলিল লেখক মোঃ মিজানুর রহমান আমাকে বলেন যে আপনি বলবেন বাড়ি সহ ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রয় করছি। আমাকে যেভাবে শিখায়ে দিয়েছে সেই ভাবে বলছি। দলিল লেখককে বার বার বলেছি দলিলে পাকা বাড়ি উল্লেখ করার জন্য। কিন্তু সে বলছে অল্প স্কায়ার ফুট দিলে হবে কোন সমস্যা হবে না।  তথ্য গোপন করে বাড়ি বা অল্প স্থাপনা  উল্লেখ করে দলিল করে দিয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দিলে দলিল লেখক মোঃ মিজানুর রহমান দিয়েছে। তাই সমস্ত দায়-দায়িত্ব তার। দলিল গ্রহিতা মো: জাহাঙ্গীর এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফোন নং ফোন দিলে তার ফোন নং টি বন্ধ দেখায়।  একাধিক সূত্র জানা গেছে, সদরের সাব-রজিস্ট্রার অফিস ঘুষ-দুর্নীতির কারিগর হিসেবে একের পর এক সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অভিযাগ উঠলেও দেখার কেউ নেই বলে সাতক্ষীরা সদরের সাধারণ মানুষ ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছে। এ ব্যাপারে সাব-রেজিস্ট্রার  অমায়িক বাবু  বলেন, দলিল লেখকর আমাকে না জানালে কীভাবে জানবো। এসব ঘটনায় খুব ঝামেলা হয়। ডেমারেজও দেয়া লাগে। তিনি কোনো ঘুষ খান না। যদি কেউ বলে থাকে তাহলে মিথ্যা বলেছে।

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ক্বওমী মাদ্রাসায় পড়ুয়া ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে শিশুকে ধর্ষণের (বলাৎকার) অভিযোগে আল-আমিন (২২) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে শহরের প্রধান সড়কে নাকে খৎ দিয়ে হামাগুলি দিয়ে ঘুরিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে তারা। ঘটনাটি শুক্রবার সন্ধ্যার পর শহরের আক্কেলপুর-বদলগাছী সড়কের আক্কেলপুর দারুল কোরআন পৌর ক্বওমী মাদ্রাসায় ঘটেছে। এঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে আক্কেলপুর থানায় মামলা করা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষক পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছে ঘটনাটি স্বীকার করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  ওই মাদ্রসায় শিশুটি আবাসিকে থেকে হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করতেন। গত ১ ডিসেম্বর মাদ্রাসার শিক্ষক শিশুটিকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ (বলাৎকার) করে। এরপর শিশুটি শুক্রবার বিকালে বাসায় গিয়ে নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে মনভার করে বসে থাকে। তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে সে কান্নাজড়িত কন্ঠে তার মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে সন্ধ্যার পর শিশুটির পরিবার এলাকার কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ওই মাদ্রাসায় এসে ঘটনাটির কারণ জানতে চাইলে সে অস্বীকার করে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা আটক করে মারপিট করে শহরের প্রধান সড়কে নাকে খৎ দিয়ে হামাগুলি দিয়ে ঘুরিয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।শিশুটির মা বলেন, আমার ছেলেকে ওই মাদ্রাসায় হাফেজ হওয়ার জন্য ভর্তি করিয়েছি। ওই শিক্ষক আমার ছেলের সাথে কয়েকদিন আগে যে খারাপ কাজ করেছে সেগুলো বাসায় এসে কান্না করতে করতে আমাকে জানায়। আমি ওই কুলাঙ্গার শিক্ষকের বিচার চাই। অভিযুক্ত আল-আমিন নামের ওই শিক্ষক ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, আমি শয়তানের প্রলোভনে পড়ে ছাত্রের সাথে কু-কর্ম করেছি। এঘটনায় আমি অনুপপ্ত বোধকরছি। আমি ভুল করেছি। আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে আটকে রেখে আমাদের খবর দিলে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়েছি। এঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে থানায় মামলা করার প্রস্তুুতি নিচ্ছেন। ওই শিক্ষক ঘটনাটি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কারাবন্দি ইমরান খানের বক্তব্য জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি: আইএসপিআর

পাকিস্তান আইএসপিআর-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেছেন, ‘কারাবন্দি ইমরান খানের বক্তব্য এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, তিনি (ইমরান খান) কারাবন্দি অবস্থায় থেকেও মনে করেন, যদি তিনি ক্ষমতায় না থাকেন, তাহলে দেশে কিছুই চলবে না।পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও কারাবন্দি ইমরান খানকে উদ্দেশ করে জেনারেল আহমেদ শরীফ বলেন, ‘ওই ব্যক্তির রাজনীতি শেষ। তিনি নিজের অহংকার ও আবেগেই বন্দি হয়ে আছেন।’পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে অভিযোগ করে আইএসপিআর ডিজি বলেন, রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসীদের বিদ্রোহ থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য সেনাবাহিনী রয়েছে।           আহমেদ শরীফ আরও বলেন, ওই ব্যক্তি (ইমরান খান) জনগণকে বিদ্যুৎ বিল না দিতে এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স বন্ধ করতে উসকানি দিয়েছেন। এমনকি আর্মির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। পাকিস্তান আর্মির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।  সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ বলেন, সেনাবাহিনী কোনো আঞ্চলিকতা, ধর্মীয় ভাবধারা বা রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী নয়। কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা আমরা অনুসরণ করি না। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে রাষ্ট্রের ওপরে তুলে ধরা হচ্ছে—এখনই সেই নেতিবাচক বর্ণনার অবসান ঘটাতে হবে।আইএসপিআর মহাপরিচালক অভিযোগ করেন, কারাবন্দি ওই রাজনৈতিক নেতা এনডিইউ-তে কোর্স করা নিজের কর্মীদেরই দেশদ্রোহী বলেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে ও বিভাজন সৃষ্টি করতে সক্রিয়।তিনি আরও বলেন, মূল বক্তব্যটি দিচ্ছে একজন মানসিকভাবে অস্থির ব্যক্তি, আর বিশ্বজুড়ে থাকা কিছু সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক সেই কথাগুলোই প্রচার করছে। ওই দলের রাজনৈতিক মানসিকতা এমন যে—তারা ক্ষমতায় থাকলেই গণতন্ত্র ভালো, অন্যথায় তা খারাপ।এছাড়াও সংবিধান জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের অনুমতি দেয় না বলেও দাবি করেন পাকিস্তান আইএসপিআর মহাপরিচালক।

ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় ছাত্র শক্তির মতবিনিময় সভা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় ছাত্র শক্তির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)'র কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)'র প্রধান সমন্বয়কারী মাহফুজুল ইসলাম কিরণ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ১ নং যুগ্ম সমন্বয়কারী মোর্শেদুর রহমান আনিস, ২ নং যুগ্ম সমন্বয়কারী শামীম সারওয়ার, সদস্য নাহিদ হাসান প্রিন্স।সভায় উপজেলা জাতীয় ছাত্র শক্তির সদস্য সচিব হাসান মাহমুদ জয়ের সঞ্চালনায় আহ্বায়ক আহসান হাবীব লিংকনসহ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।জাহিদ হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় থেকেই জাতীয় ছাত্র শক্তির যাত্রা শুরু। আমরা নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক রাজনীতির পথে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। সংগঠনকে সুসংগঠিত করে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের কার্যক্রম বিস্তার করা হবে।মাহফুজুল ইসলাম কিরণ বলেন, জাতীয় ছাত্র শক্তি আমাদের সংগঠনের প্রাণ। তরুণরা দেশের উন্নয়ন ও সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। তাদের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে গঠিত হওয়ার মাধ্যমে জাতীয় নাগরিক পার্টির আন্দোলন আরও বেগবান হবে।এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় ছাত্র শক্তির নেতাকর্মী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য, আহত জুলাই যোদ্ধাসহ শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

পত্নীতলায় পেটে জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম

নওগাঁর পত্নীতলায় পেটে জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর)  দুপুরে নজিপুর নিউ পপুলার ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম হয়।জোড়া লাগা যমজ মেয়ে নবজাতকের মায়ের নাম তৃষ্ণা বাসকে। তিনি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার চকযদু (টিএনটি) গ্রামের পল্লব মার্ডির স্ত্রী। তাঁর অস্ত্রোপচার করেন ক্লিনিকটির চিকিৎসক স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাঃ সুরভি সরকার। তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পল্লব মার্ডি তাঁর স্ত্রী তৃষ্ণাকে ক্লিনিকে ভর্তি করান। আজ দুপুর ১২টায় সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জোড়া লাগা দুটি কন্যাশিশু জন্ম দেন তৃষ্ণা বাসকে। ওই যমজ শিশু ও তাদের মা সুস্থ আছেন। নজিপুরে জোড়া লাগানো যমজ শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই বলে তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

দুই মাথা-তিন হাতওয়ালা শিশুর জন্ম

নওগাঁয় বিরল শারীরিক গঠনের এক নবজাতকের জন্ম হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর,২.০০ টার দিকে নওগাঁ জেলা শহরের প্রাইম ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে দুই মাথা ও তিন হাতওয়ালা একটি নবজাতকের জন্ম দেন আরিফা নামে এক গৃহবধূ। জন্মের খবরে হাসপাতালে উৎসুক মানুষের ভিড়ও লক্ষ্য করা যায়।হাসপাতাল সূত্র জানায়, জন্মের পর নবজাতককে অত্যন্ত জটিল শারীরিক অবস্থার কারণে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির দেহে বিরল ধরনের জন্মগত বিকৃতি থাকায় শারীরিক বিভিন্ন অঙ্গের সঠিক কার্যকারিতা পাওয়া যায়নি। সব চেষ্টা সত্ত্বেও জন্মের মাত্র এক ঘণ্টা পর নবজাতকের মৃত্যু হয়।আরিফা নওগাঁ সদর উপজেলার রকির স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গর্ভাবস্থায় বেশ কয়েকবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হলেও শিশুর এমন শারীরিক গঠন আগেই ধরা পড়েনি। হঠাৎ এমন অবস্থার ঘটনায় পরিবার-পরিজন শোকাহত হয়ে পড়েছে।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, দুই মাথা বা অতিরিক্ত অঙ্গসহ এ ধরনের শিশুর জন্ম সাধারণত বিরল জিনগত বা ভ্রূণ বিভাজনজনিত জটিলতার কারণে হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রূণের সঠিকভাবে বিভাজন না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে।মর্মান্তিক এ ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারকে মানসিক সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হলেও চিকিৎসকরা এমন ঘটনার পেছনে কুসংস্কার নয়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। তাদের এই সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন?

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। তাদের এই সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
১

বিএনপি থেকে আক্তারুজ্জামানের জন্য দুঃসংবাদ

২

রাণীশংকৈলে ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

৩

কোম্পানীগঞ্জ ট্রাক মালিক সমিতির নেতৃত্বে লাল মিয়া ও ফখরুল ইসলাম

৪

প্রফেসর নায়লা ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন

৫

ত্রিশালে এনাম ডেন্টাল এন্ড আই কেয়ার-এর ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

৬

খানসামায় রাতের অন্ধকারে সার পাচার: ডিলারের দৌরাত্ম্যে বিপর্যস্ত কৃষক, লাঞ্ছিত সাংবাদিক

৭

পদোন্নতির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বেরোবি উপাচার্যের সাথে শিক্ষকের বাক বিতণ্ডা

৮

খুলনায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু- ধানের শীষ জনগণের প্রতীক

৯

খানসামায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ ও আয়াকে নির্যাতনের অভিযোগ

১০

খানসামায় বন্ধ বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, উঠেছে প্রশ্ন

জনপ্রিয় সব খবর
১

বীরগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুসিয়ারী ।

২

বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

৩

চেয়ারম্যান প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

৪

জানুয়ারিতে সংবিধান সংশোধন, এরপরই গণভোট

৫

টিকটকের পরিচয় গড়াল প্রেমে, দেখা করতে গিয়ে কিশোরীর ধর্ষণের শিকার

৬

তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে হুইপের শোক

৭

প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলার দুঃসাহস কাদের, প্রশ্ন নাহিদের

৮

সচিবালয় থেকে ফিরে যা বললেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা

৯

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: মনোনয়ন জমা দিলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন

১০

সালমানের স্টুডিও ও রাড্ডা সেন্টারে হামলা, মুখ খুললেন আসিফ নজরুল

সর্বশেষ সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

হিলিতে আরনু জুট মিলে ১২ লাখ টাকার মালামাল চুরি,থানায় অভিযোগ

হিলিতে আরনু জুট মিলে ১২ লাখ টাকার মালামাল চুরি,থানায় অভিযোগ

দিনাজপুরের হিলিতে আরনু জুট মিলে প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নামসহ অজ্ঞাত আরো ১২ জনের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।গেলো ২১শে ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে হিলির আরনু জুট মিলে এ ঘটনা ঘটে।আজ শুক্রবার সকালে অভিযোগ দায়ের  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকির হোসেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আরনু জুট মিলের কর্তৃপক্ষ শেখ আব্দুস সাফী জুট মিলের মালামাল চুরির অভিযোগ দিয়েছে। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, মিষ্টি ও রাকিব হোসেন সহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে গেলো ২১শে ফেব্রয়ারি দিবাগত রাতে আরনু জুট মিলের মিলের পূর্বদিকের জানালার গ্রিল কেটে মিলের ভিতরে প্রবেশ করে অনুমান ১৫০ মিটারের ০৬ টি কেবল, মোট মূল্য অনুমান ১০,০০,০০০/-, ১২০ টি স্পিনিং মেশিনারিজের স্পেন্ডেল, মূল্য অনুমান ২,০০,০০০/- চুরি করে গ্রিল কাঁটা অংশ দিয়ে নিয়ে চলে যায়।অভিযুক্তরা হলেন, মিষ্টি (১৮), পিতা-মৃত হিরা, ২। মোঃ রাকিব হোসেন (২০), পিতা-ফেরদৌস হোসেন, উভয়ের সাং-ডাঙ্গাপাড়া, থানা-হাকিমপুর, জেলা-দিনাজপুর।হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, জুট মিলে চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণই নতুন সরকারের প্রথম ‘এসিড টেস্ট’: হাফিজুর রহমান বাবলা

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণই নতুন সরকারের প্রথম ‘এসিড টেস্ট’: হাফিজুর রহমান বাবলা

পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখাই নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা। তিনি বলেন, দেশের মানুষ যে স্বতঃস্ফূর্ত আস্থা নিয়ে এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছে, রোজাদারদের স্বস্তি দেওয়ার মাধ্যমেই সেই আস্থার প্রতিদান দিতে হবে।হাফিজুর রহমান বাবলা বলেন, "কথায় আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। অর্থাৎ শুরু দেখলেই বোঝা যায় ভবিষ্যৎ কেমন হবে। তাই সরকারের উচিত শুরুটা সঠিকভাবে করে জনগণের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা। তবে কাজটা যতটা সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবে তা ততটা সহজ হবে না।বিগত শাসনের সমালোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছর ধরে মানুষকে শোষণ করে মুনাফাখোররা এক বিশেষ ‘কুঅভ্যাসে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কেবল সুশীল পন্থায় বা নরম কথায় এই চক্রকে দমন করা অসম্ভব। এসব প্রতিকূলতা কাটাতে অত্যন্ত শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান প্রয়োজন, যা দেশ ও দলের স্বার্থেই অপরিহার্য।হাফিজুর রহমান বাবলার মতে, সরকারের সামনে এখন দুটি প্রধান অগ্নিপরীক্ষা: ​বাজার নিয়ন্ত্রণ: রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা এবং সাপ্লাই চেইন সচল রাখা।​ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা: রমজান শেষে ঈদের ছুটিতে মানুষের বাড়ি ফেরা যেন যানজটমুক্ত ও ভোগান্তিহীন হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া।​তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বাঙালির দুর্ভাগ্য যে রমজানের মতো পবিত্র মাসেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্ট দেয়। এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই বিষয়গুলো সফলভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছিল। নতুন সরকারের উচিত তাদের সফল কৌশলগুলো অনুসরণ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা। এটিই হবে বর্তমান সরকারের জন্য প্রকৃত 'এসিড টেস্ট।

হিলিতে পেঁয়াজের দাম  কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৩-১৫ টাকা কমেছে। রমজানকে ঘিরে যখন অনেক নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এ দরপতনে স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে।আজ ২৩ ফেব্রুয়ারী (সোমবার) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুদিন আগেও বাজারে দেশী মুড়িকাটা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে তা কমে ৩০-৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বাজার করতে আসা মহিবুল ইসলাম জানান, রমজানের শুরুতে বাড়তি দামের কারণে চাহিদামতো পেঁয়াজ কেনা সম্ভব হচ্ছিল না। এখন দাম কমায় কিছু টাকা বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে, যা দিয়ে অন্য বাজার করা সম্ভব।হিলি বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, নির্বাচনের কারণে কৃষকরা ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজান শুরু হওয়ায় বাজারে বাড়তি চাহিদাকে কেন্দ্র করে মোকামে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। তবে সম্প্রতি কৃষকরা রমজানকে ঘিরে পেঁয়াজ উত্তোলন বাড়িয়ে দেয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেড়েছে। ফলে বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে।বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, রমজানকে ঘিরে পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান শুরু হয়েছে। এতে যারা পেঁয়াজ মজুদ করেছিলেন, তারাও এখন বাজারে পণ্য ছাড়তে শুরু করেছেন। সরবরাহ পরিস্থিতির এ উন্নতি অব্যাহত থাকলে সামনে দাম আরো স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় হিলি বন্দর দিয়ে সজনে ডাঁটা আমদানি

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় হিলি বন্দর দিয়ে সজনে ডাঁটা আমদানি

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় দিনাজপুরের   হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে সজনে ডাঁটা। এসব সজনে ডাঁটা রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে বিক্রি হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।গতকাল রোববার থেকে ভারত হতে সজনে ডাঁটা-বোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।জাকি এন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সজনে ডাঁটাগুলো আমদানি করেছে।আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সাকিব আহমেদ বলেন, ‘দেশীয় সজনে এখনও বাজারে আসেনি। দেশের সজনে গাছে ফুল এসেছে কেবল। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বাজারে ওষুধিগুণ সম্পন্ন এই সজনের বেশ চাহিদা ও ভালো দাম রয়েছে। এ ছাড়া ভারতীয় সজনে আমাদের দেশের সজনের চেয়ে আকারে বেশ মোটা ও স্বাদ ভালো হওয়ায় এর চাহিদা একটু বেশি। সেই বাড়তি চাহিদা ও ভালো দামের কথা মাথায় রেখে ভারত থেকে সজনে আমদানি করা হচ্ছে।’হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, ‘ভারত থেকে আমদানি করা এসব সজনে ডাঁটা প্রতি টন ৫০০ মার্কিন ডলারে শুল্কায়ন করা হচ্ছে। এতে প্রতি কেজি সজনের আমদানি বাবদ ৩০ টাকার মতো শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। কাস্টমসের সব কার্যক্রম শেষে দ্রুত ছাড়করণে আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

 সারাদেশ সারাদেশ

 বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি  দখলের অভিযোগ

বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

২৬ বছরের পুরনো গোরস্থানের রাস্তা,মরদেহ রাখার ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে,নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুরের বুলবুল ও মৌসুমি খাতুন দম্পতির বিরুদ্ধে। মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনসার আলী সরদার,জোয়ানপুর কেন্দ্রীয় গোরস্তান কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ নূর ইসলাম,আসরাফ শাহ্সহ অনেকে জানান,বুলবুল দম্পতি অনেক বছর থেকে গোরস্থানের রাস্তাসহ বিভিন্ন স্থান দখল করে রাখছে।গোরস্থান ও সরকারি জায়গায় গাছ রোপন করেজায়গা দখল করছে। গাছের ডালপালার কারনে গোরস্থানে মরদেহ নিয়ে যেতে অনেকের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসী গাছের ডাল পরিষ্কার করে,তখন দখলদার স্থানীয় প্রভাবশালী বুলবুল দম্পতি বাঁধা প্রদান করে।স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান,দীর্ঘদিন থেকে গোরস্থানের মরদেহ রাখার ঘরসহ প্রাচীরের যায়গা,রাস্তা দখলের মত ঘটনা ঘটেছে,নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুর কেন্দ্রীয় গোরস্তান এলাকায়।গোরস্থানে যাতায়াতের রাস্তায় আমের ডালের জন্য মরদেহ বহনে সমস্যা সৃষ্টি হলে,এলাকাবাসী বুলবুলকে সাথে নিয়েই তা পরিস্কারের উদ্যোগ নেন। তার পরেই রহস্যজনক কারনে,গোরস্তানের রাস্তা পরিস্কার করায় এলাকাবাসীকে বিভিন্ন ভাবে তোপের মুখে রাখছে,বুলবুল ও মৌসুমি খাতুন দম্পতি,বলে অভিযোগ করেছে,স্থানীয় এলাকাবাসী।স্থানীয়রা প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।এদিকে,বুলবুল দম্পত্তি অভিযোগ করেন,গত শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুর এলাকায় তাঁর বাবার বাড়ির সামনে সরকারি জায়গায় তাঁদের লাগানো চারটি ফলজ আমগাছের বড় বড় ডালপালা কেটে ফেলা হয়।স্থানীয় আশরাফ শাহ,তাঁর ছেলে শাকিল শাহসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলেন।এ বিষয়ে নলডাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো:শামীম হোসেন বলেন,এই বিষয়ে অবহত হয়েছি। মাধনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তফসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

৩ ঘন্টা আগে

 সারাদেশ সারাদেশ

 বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি  দখলের অভিযোগ

নলডাঙ্গায় / বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

২৬ বছরের পুরনো গোরস্থানের রাস্তা,মরদেহ রাখার ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে,নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুরের বুলবুল ও মৌসুমি খাতুন দম্পতির বিরুদ্ধে। মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনসার আলী সরদার,জোয়ানপুর কেন্দ্রীয় গোরস্তান কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ নূর ইসলাম,আসরাফ শাহ্সহ অনেকে জানান,বুলবুল দম্পতি অনেক বছর থেকে গোরস্থানের রাস্তাসহ বিভিন্ন স্থান দখল করে রাখছে।গোরস্থান ও সরকারি জায়গায় গাছ রোপন করেজায়গা দখল করছে। গাছের ডালপালার কারনে গোরস্থানে মরদেহ নিয়ে যেতে অনেকের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসী গাছের ডাল পরিষ্কার করে,তখন দখলদার স্থানীয় প্রভাবশালী বুলবুল দম্পতি বাঁধা প্রদান করে।স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান,দীর্ঘদিন থেকে গোরস্থানের মরদেহ রাখার ঘরসহ প্রাচীরের যায়গা,রাস্তা দখলের মত ঘটনা ঘটেছে,নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুর কেন্দ্রীয় গোরস্তান এলাকায়।গোরস্থানে যাতায়াতের রাস্তায় আমের ডালের জন্য মরদেহ বহনে সমস্যা সৃষ্টি হলে,এলাকাবাসী বুলবুলকে সাথে নিয়েই তা পরিস্কারের উদ্যোগ নেন। তার পরেই রহস্যজনক কারনে,গোরস্তানের রাস্তা পরিস্কার করায় এলাকাবাসীকে বিভিন্ন ভাবে তোপের মুখে রাখছে,বুলবুল ও মৌসুমি খাতুন দম্পতি,বলে অভিযোগ করেছে,স্থানীয় এলাকাবাসী।স্থানীয়রা প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।এদিকে,বুলবুল দম্পত্তি অভিযোগ করেন,গত শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুর এলাকায় তাঁর বাবার বাড়ির সামনে সরকারি জায়গায় তাঁদের লাগানো চারটি ফলজ আমগাছের বড় বড় ডালপালা কেটে ফেলা হয়।স্থানীয় আশরাফ শাহ,তাঁর ছেলে শাকিল শাহসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলেন।এ বিষয়ে নলডাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো:শামীম হোসেন বলেন,এই বিষয়ে অবহত হয়েছি। মাধনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তফসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

৩ ঘন্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

বীরগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুসিয়ারী ।

দিনাজপুরের / বীরগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুসিয়ারী ।

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা, প্রতিবাদে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ছাত্রদলের আহবানে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ হতে কঠোর হুসিয়ারী দেয়া হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে  ।দেশ বিরোধী এক শ্রেণীর চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীরা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকার প্রতিবাদে রবিবার বিকেলেও বীরগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল আয়োজনে এক বিরাট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।ছাত্রদলের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী আকাশ সম্ভাব্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত থেকে কর্মসূচী সফল করেছে।ছাত্রদলের সদস্য সচিব নাঈমুর রহমান পুষ্প কর্মসূচির সঞ্চালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে। শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির উপদেষ্টা, সাবেক ভিপি,  চেম্বার অফ কমার্সের পরিচালক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু। পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমিরুল বাহার, সাধারণ সম্পাদক নমিরুল ইসলাম চৌধুরী সেনা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সুজালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রর্থী শওকত জুলিয়াস জুয়েল। বিশিষ্ট নেতা উপজেলা বিএনপি নির্বাহী সদস্য, মেয়র প্রার্থী, বাবু সুভাষ দাস, ইউপি চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহেদুল ইসলাম মাজু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সবার প্রীয় নেতৃত্ব শাহজাহান সিরাজ শিপন।পৌর যুবদল আহবায়ক আরিফ মাসুম পল্লব,  মমতাজুল করিম তাজু, মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফেরদৌস হোসেন মন্ডল, ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিদ্দিক হোসেনসহ স্থানীয় ছাত্রদল, যুবদল, মহিলাদল, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বক্তাগণ কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন এটা বিনা ভোট বা রাতের ভোটের হেনোতেনো সরকার নয়, কাজেই যত ষড়যন্ত্র করা হউক না কেন কাজে আসবে না।বিএনপি জনগনের সরকার, জনগন বিপুল ভোট দিয়ে তাদেরকে নির্বাচিত করে ক্ষমতায় বসিয়েছে, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে তারাই প্রস্তুত এবং রুখে দিবে তাতে সন্দেহ নাই। বক্তারা সর্বদা সজাগ আছেন এবং  দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার  আহবান জানিয়েছেন। বিক্ষোভ সমাবেশের পুর্বে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ছাত্রদলের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে। স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল ছিল পৌর শহর।

চেয়ারম্যান প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

ডাঃ মোঃ মোজাহার আলীর / চেয়ারম্যান প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

আসন্ন ৫নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে বইছে নির্বাচনি হাওয়া। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের দোয়া, সমর্থন ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের বারবার কারা নির্যাতিত নেতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডাঃ মোঃ মোজাহার আলী। ​চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থিতা জানান দিতে এবং সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে ডাঃ মোঃ মোজাহার আলীর নেতৃত্বে একটি বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোটরসাইকেল শোডাউনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়াডের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সর্বস্তরের মানুষ তাকে করতালি ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে স্বাগত জানান।​ডাঃ মোঃ মোজাহার আলী ৫নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দল ও জনগণের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকায় তিনি এলাকায় একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।​শোডাউন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় ডাঃ মোঃ মোজাহার আলী বলেন, "আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে রাজনীতি বা সমাজসেবা করি না। দীর্ঘ পথচলায় জনগণের ভালো-মন্দে পাশে থেকেছি, রাজপথে লড়াই করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছি। বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি আগামী ইউপি নির্বাচনে আপনাদের মহামূল্যবান দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সমর্থন প্রত্যাশা করছি।"​শোডাউনে ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার হাজারো সাধারণ মানুষ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে অংশ নেন। স্থানীয় নেতা কমীরা বলেন, ডাঃ মোঃ মোজাহার আলীর এই বিশাল শোডাউন প্রমাণ করে নির্বাচনে তিনি একজন শক্তিশালী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: মনোনয়ন জমা দিলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নির্বাচন কার্যালয় এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান। নির্বাচনে তিনি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-এ-শাহাদাত স্বজন।অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ফলে মনোনয়নপত্র দাখিলের মধ্য দিয়ে এ আসনের উপনির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: মনোনয়ন জমা দিলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন

জুলাইয়ের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংসদে আপসহীন থাকবে জামায়াত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের স্বার্থে এবং জুলাইয়ের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংসদে একটি আপসহীন ও শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।রবিবার ৩ মে ২০২৬ সকালে দিনাজপুরের পাহাড়পুর অবস্থিত জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মাওলানা আব্দুল হালিম তার বক্তব্যে সংসদীয় রাজনীতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তিতে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বলিষ্ঠ বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের মানুষ একটি স্পষ্ট বার্তা পেয়েছে। জামায়াত কেবল নামমাত্র বিরোধী দল নয়, বরং জনগণের প্রতিটি দাবির পক্ষে সংসদে সোচ্চার থাকবে। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আমরা কোনো ছাড় দেব না।তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। বর্তমান সরকারের কোনো পদক্ষেপ যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী হয়, তবে জামায়াত রাজপথে ও সংসদে কঠোর সমালোচনা করবে। মাওলানা হালিম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোটের যে বিশাল জনরায় তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। জনগণের ম্যান্ডেট উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।সমাবেশে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণকে সঠিক নেতৃত্ব দিতে হলে সংগঠনের মজবুতি অপরিহার্য। তিনি দাওয়াতি কাজের সম্প্রসারণ, কর্মী গঠন ও জনশক্তির মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের প্রয়োজনে জান ও মালের কুরবানির জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে তিনি উপস্থিত দায়িত্বশীলদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা জুলাই অভ্যুত্থানের সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

জুলাইয়ের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংসদে আপসহীন থাকবে জামায়াত

বোয়ালমারীতে জ্বালানি সংকট নিরসনে উদ্যোগ: নিয়মিত সরবরাহের আশ্বাস দিলেন ডা. ইলিয়াস মোল্লা

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা।তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে খুলনা ডিপোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। এর ফলস্বরূপ এখন থেকে বোয়ালমারীর নাহার ফিলিং স্টেশনে নিয়মিতভাবে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সংসদ সদস্য আরও জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন। এই সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রমও স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা সংকট দেখা দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা নিরসনে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

বোয়ালমারীতে জ্বালানি সংকট নিরসনে উদ্যোগ: নিয়মিত সরবরাহের আশ্বাস দিলেন ডা. ইলিয়াস মোল্লা

প্রফেসর নায়লা ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম। তিনি আলহামদুলিল্লাহ জানিয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর নায়লা ইসলাম বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তাকে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি নির্বাচিত হলে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে মানুষের ভালোবাসার জায়গা অর্জন করতে চান। পাশাপাশি নির্বাচিত না হলেও এলাকার জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, গত ৩১ বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং ৩২ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। ডিগ্রি, অনার্স ও ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। দলীয় কার্যক্রমে নিজের অর্থ, সময় ও শ্রম দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, ঢাকাসহ কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও নবীনগরে দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন এবং কোনো বাধা-বিপত্তিকে ভয় পাননি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ (নবীনগর) আসন থেকে মনোনয়ন চাইলেও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় লিফলেট বিতরণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কারাগারে কারাভোগ করেন।এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার চাকরি হারানোর কথাও জানান তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েক মাস নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়েছে বলেও দাবি করেন। একই বছরের গণআন্দোলনে দলীয় নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি।বর্তমানে ৫৮ বছরে পদার্পণ করা এই নেতা দলীয় মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে বলেন, “দলের দুর্দিনে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই—ইনশাআল্লাহ।”

প্রফেসর নায়লা ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর
high2

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

 বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি  দখলের অভিযোগ

নলডাঙ্গায় / বুলবুল দম্পতির বিরুদ্ধে গোরস্তানের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

২৬ বছরের পুরনো গোরস্থানের রাস্তা,মরদেহ রাখার ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে,নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুরের বুলবুল ও মৌসুমি খাতুন দম্পতির বিরুদ্ধে। মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনসার আলী সরদার,জোয়ানপুর কেন্দ্রীয় গোরস্তান কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ নূর ইসলাম,আসরাফ শাহ্সহ অনেকে জানান,বুলবুল দম্পতি অনেক বছর থেকে গোরস্থানের রাস্তাসহ বিভিন্ন স্থান দখল করে রাখছে।গোরস্থান ও সরকারি জায়গায় গাছ রোপন করেজায়গা দখল করছে। গাছের ডালপালার কারনে গোরস্থানে মরদেহ নিয়ে যেতে অনেকের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই সম্প্রতি স্থানীয় এলাকাবাসী গাছের ডাল পরিষ্কার করে,তখন দখলদার স্থানীয় প্রভাবশালী বুলবুল দম্পতি বাঁধা প্রদান করে।স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান,দীর্ঘদিন থেকে গোরস্থানের মরদেহ রাখার ঘরসহ প্রাচীরের যায়গা,রাস্তা দখলের মত ঘটনা ঘটেছে,নলডাঙ্গা উপজেলার পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুর কেন্দ্রীয় গোরস্তান এলাকায়।গোরস্থানে যাতায়াতের রাস্তায় আমের ডালের জন্য মরদেহ বহনে সমস্যা সৃষ্টি হলে,এলাকাবাসী বুলবুলকে সাথে নিয়েই তা পরিস্কারের উদ্যোগ নেন। তার পরেই রহস্যজনক কারনে,গোরস্তানের রাস্তা পরিস্কার করায় এলাকাবাসীকে বিভিন্ন ভাবে তোপের মুখে রাখছে,বুলবুল ও মৌসুমি খাতুন দম্পতি,বলে অভিযোগ করেছে,স্থানীয় এলাকাবাসী।স্থানীয়রা প্রসাশনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।এদিকে,বুলবুল দম্পত্তি অভিযোগ করেন,গত শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম মাধনগর জোয়ানপুর এলাকায় তাঁর বাবার বাড়ির সামনে সরকারি জায়গায় তাঁদের লাগানো চারটি ফলজ আমগাছের বড় বড় ডালপালা কেটে ফেলা হয়।স্থানীয় আশরাফ শাহ,তাঁর ছেলে শাকিল শাহসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই গাছগুলোর ডালপালা কেটে ফেলেন।এ বিষয়ে নলডাঙ্গার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো:শামীম হোসেন বলেন,এই বিষয়ে অবহত হয়েছি। মাধনগর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তফসিলদারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন