তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে হুইপের শোকদিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ১ নম্বর আলোকঝাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান (খলিল) ইন্তেকাল করেছেন।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়ন পরিষদের নিজ কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে স্বজন ও সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।মো. খলিলুর রহমান আলোকঝাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন।তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় হুইপ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া।নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক শোকবার্তায় তিনি লেখেন, মো. খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তিনি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁদের এই শোক সইবার শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।খলিলুর রহমানের আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আলোকঝাড়ী ইউনিয়নসহ পুরো খানসামা উপজেলায় শোকের আবহ নেমে আসে। তাঁর সহকর্মী জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শেষবারের মতো তাঁকে স্মরণ করছেন। দীর্ঘদিনের পরিচিত একজন জনপ্রতিনিধির এমন আকস্মিক তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যানের মৃত্যুতে হুইপের শোক ও স্থানীয় মানুষের মাঝে নেমে এসেছে গভীর বিষাদের ছায়া।মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন, স্বজন, সহকর্মী ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা, প্রতিবাদে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ছাত্রদলের আহবানে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হতে কঠোর হুসিয়ারী দেয়া হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ।দেশ বিরোধী এক শ্রেণীর চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীরা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকার প্রতিবাদে রবিবার বিকেলেও বীরগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল আয়োজনে এক বিরাট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।ছাত্রদলের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী আকাশ সম্ভাব্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত থেকে কর্মসূচী সফল করেছে।ছাত্রদলের সদস্য সচিব নাঈমুর রহমান পুষ্প কর্মসূচির সঞ্চালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে। শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির উপদেষ্টা, সাবেক ভিপি, চেম্বার অফ কমার্সের পরিচালক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু। পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমিরুল বাহার, সাধারণ সম্পাদক নমিরুল ইসলাম চৌধুরী সেনা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সুজালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রর্থী শওকত জুলিয়াস জুয়েল। বিশিষ্ট নেতা উপজেলা বিএনপি নির্বাহী সদস্য, মেয়র প্রার্থী, বাবু সুভাষ দাস, ইউপি চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহেদুল ইসলাম মাজু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সবার প্রীয় নেতৃত্ব শাহজাহান সিরাজ শিপন।পৌর যুবদল আহবায়ক আরিফ মাসুম পল্লব, মমতাজুল করিম তাজু, মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফেরদৌস হোসেন মন্ডল, ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিদ্দিক হোসেনসহ স্থানীয় ছাত্রদল, যুবদল, মহিলাদল, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বক্তাগণ কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন এটা বিনা ভোট বা রাতের ভোটের হেনোতেনো সরকার নয়, কাজেই যত ষড়যন্ত্র করা হউক না কেন কাজে আসবে না।বিএনপি জনগনের সরকার, জনগন বিপুল ভোট দিয়ে তাদেরকে নির্বাচিত করে ক্ষমতায় বসিয়েছে, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে তারাই প্রস্তুত এবং রুখে দিবে তাতে সন্দেহ নাই। বক্তারা সর্বদা সজাগ আছেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহবান জানিয়েছেন। বিক্ষোভ সমাবেশের পুর্বে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ছাত্রদলের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে। স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল ছিল পৌর শহর।
আসন্ন ৫নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকা জুড়ে বইছে নির্বাচনি হাওয়া। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের দোয়া, সমর্থন ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামের বারবার কারা নির্যাতিত নেতা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডাঃ মোঃ মোজাহার আলী। চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থিতা জানান দিতে এবং সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে ডাঃ মোঃ মোজাহার আলীর নেতৃত্বে একটি বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোটরসাইকেল শোডাউনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়াডের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সর্বস্তরের মানুষ তাকে করতালি ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে স্বাগত জানান।ডাঃ মোঃ মোজাহার আলী ৫নং বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দল ও জনগণের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকায় তিনি এলাকায় একজন নিবেদিতপ্রাণ ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।শোডাউন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত পথসভায় ডাঃ মোঃ মোজাহার আলী বলেন, "আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে রাজনীতি বা সমাজসেবা করি না। দীর্ঘ পথচলায় জনগণের ভালো-মন্দে পাশে থেকেছি, রাজপথে লড়াই করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছি। বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে আমি আগামী ইউপি নির্বাচনে আপনাদের মহামূল্যবান দোয়া, ভালোবাসা ও সার্বিক সমর্থন প্রত্যাশা করছি।"শোডাউনে ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার হাজারো সাধারণ মানুষ বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে অংশ নেন। স্থানীয় নেতা কমীরা বলেন, ডাঃ মোঃ মোজাহার আলীর এই বিশাল শোডাউন প্রমাণ করে নির্বাচনে তিনি একজন শক্তিশালী ও অত্যন্ত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নির্বাচন কার্যালয় এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান। নির্বাচনে তিনি দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীনের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-এ-শাহাদাত স্বজন।অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ফলে মনোনয়নপত্র দাখিলের মধ্য দিয়ে এ আসনের উপনির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের স্বার্থে এবং জুলাইয়ের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংসদে একটি আপসহীন ও শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।রবিবার ৩ মে ২০২৬ সকালে দিনাজপুরের পাহাড়পুর অবস্থিত জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মাওলানা আব্দুল হালিম তার বক্তব্যে সংসদীয় রাজনীতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তিতে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বলিষ্ঠ বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের মানুষ একটি স্পষ্ট বার্তা পেয়েছে। জামায়াত কেবল নামমাত্র বিরোধী দল নয়, বরং জনগণের প্রতিটি দাবির পক্ষে সংসদে সোচ্চার থাকবে। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আমরা কোনো ছাড় দেব না।তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। বর্তমান সরকারের কোনো পদক্ষেপ যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী হয়, তবে জামায়াত রাজপথে ও সংসদে কঠোর সমালোচনা করবে। মাওলানা হালিম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোটের যে বিশাল জনরায় তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। জনগণের ম্যান্ডেট উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।সমাবেশে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণকে সঠিক নেতৃত্ব দিতে হলে সংগঠনের মজবুতি অপরিহার্য। তিনি দাওয়াতি কাজের সম্প্রসারণ, কর্মী গঠন ও জনশক্তির মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের প্রয়োজনে জান ও মালের কুরবানির জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে তিনি উপস্থিত দায়িত্বশীলদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা জুলাই অভ্যুত্থানের সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা।তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে খুলনা ডিপোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। এর ফলস্বরূপ এখন থেকে বোয়ালমারীর নাহার ফিলিং স্টেশনে নিয়মিতভাবে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সংসদ সদস্য আরও জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন। এই সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রমও স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা সংকট দেখা দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা নিরসনে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম। তিনি আলহামদুলিল্লাহ জানিয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর নায়লা ইসলাম বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তাকে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি নির্বাচিত হলে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে মানুষের ভালোবাসার জায়গা অর্জন করতে চান। পাশাপাশি নির্বাচিত না হলেও এলাকার জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, গত ৩১ বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং ৩২ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। ডিগ্রি, অনার্স ও ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। দলীয় কার্যক্রমে নিজের অর্থ, সময় ও শ্রম দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, ঢাকাসহ কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও নবীনগরে দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন এবং কোনো বাধা-বিপত্তিকে ভয় পাননি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ (নবীনগর) আসন থেকে মনোনয়ন চাইলেও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় লিফলেট বিতরণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কারাগারে কারাভোগ করেন।এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার চাকরি হারানোর কথাও জানান তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েক মাস নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়েছে বলেও দাবি করেন। একই বছরের গণআন্দোলনে দলীয় নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি।বর্তমানে ৫৮ বছরে পদার্পণ করা এই নেতা দলীয় মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে বলেন, “দলের দুর্দিনে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই—ইনশাআল্লাহ।”