মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, ছাত্র বিক্ষোভ এবং তীব্র রাজনৈতিক চাপের মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রায় দুই সপ্তাহ পর অবশেষে মুখ খুললেন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান।ওড়িশার ভুবনেশ্বরের জিএম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, নিট আন্দোলনের সময় জেন জি তথা তরুণ প্রজন্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ‘বিভ্রান্ত’ করা হয়েছিল।গত ২৫ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘জেন জি আমাদেরই সন্তান। তবে কিছু লোক তাদের উস্কে দিয়েছিল। গত ১০ বছরে দেশে প্রায় ২০ কোটি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশাল আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তারাই ভারতকে বিশ্বগুরু করে তুলবে।’তিনি আরও বলেন, ‘তাই পদের মায়ায় না থেকে আমি নিজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলাম।’বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান শেষে রায়রাখোলে একটি জনসভাতেও বক্তব্য রাখেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সেখানে ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেডি সভাপতি নবীন পট্টনায়কের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।সম্প্রতি বিমানবন্দরে বিজেডির যুব ও ছাত্র শাখার কর্মীদের ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ফিরে যান’ স্লোগানের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি নেতা বলেন, ‘আমি একজন কৃষকের ছেলে। আপনারা যতবার ফিরে যেতে বলবেন, আমি ততবারই জনগণের কাছে ফিরে আসব। আমি এমন কোনো কাজ কখনো করিনি, যা ওড়িশার সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।’মঞ্চে বিজেডি বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী প্রসন্ন আচার্য উপস্থিত থাকলেও ধর্মেন্দ্র প্রধান স্পষ্ট করে দেন, কোনো বিক্ষোভ বা প্রতিবাদকে তিনি গুরুত্ব না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবেন।ধর্মেন্দ্র প্রধানের মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণে নামে বিজেডি। সম্বলপুর জেলা বিজেডি সভাপতি রোহিত পূজারী বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানকে কেউ বদনাম করেনি। দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর তাদের সরকার ও পুলিশ যেভাবে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস চালিয়ে নির্যাতন করেছে, তাতেই তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এখন নিজের ভুল ঢাকতে তিনি নবীন পট্টনায়ককে দায়ী করছেন।এদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে কোনো সংঘাত যাতে না ছড়ায়, তা নিশ্চিত করতে সম্বলপুর পুলিশ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রায় ৩০ জন বিজেডি কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী দেশের স্বার্থে এবং জুলাইয়ের জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সংসদে একটি আপসহীন ও শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।রবিবার ৩ মে ২০২৬ সকালে দিনাজপুরের পাহাড়পুর অবস্থিত জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মাওলানা আব্দুল হালিম তার বক্তব্যে সংসদীয় রাজনীতির ওপর আলোকপাত করে বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপ্তিতে বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বলিষ্ঠ বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের মানুষ একটি স্পষ্ট বার্তা পেয়েছে। জামায়াত কেবল নামমাত্র বিরোধী দল নয়, বরং জনগণের প্রতিটি দাবির পক্ষে সংসদে সোচ্চার থাকবে। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আমরা কোনো ছাড় দেব না।তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। বর্তমান সরকারের কোনো পদক্ষেপ যদি জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী হয়, তবে জামায়াত রাজপথে ও সংসদে কঠোর সমালোচনা করবে। মাওলানা হালিম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৭০ শতাংশ ভোটের যে বিশাল জনরায় তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। জনগণের ম্যান্ডেট উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।সমাবেশে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণকে সঠিক নেতৃত্ব দিতে হলে সংগঠনের মজবুতি অপরিহার্য। তিনি দাওয়াতি কাজের সম্প্রসারণ, কর্মী গঠন ও জনশক্তির মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দেশের প্রয়োজনে জান ও মালের কুরবানির জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে তিনি উপস্থিত দায়িত্বশীলদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।দিনাজপুর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ড. এনামুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা জুলাই অভ্যুত্থানের সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দীর্ঘদিনের জ্বালানি সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ডঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা।তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে খুলনা ডিপোর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। এর ফলস্বরূপ এখন থেকে বোয়ালমারীর নাহার ফিলিং স্টেশনে নিয়মিতভাবে পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সংসদ সদস্য আরও জানান, জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে পরিবহন খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগে পড়েছিলেন। এই সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন।স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত হলে এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রমও স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে।উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা সংকট দেখা দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে তা নিরসনে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম। তিনি আলহামদুলিল্লাহ জানিয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর নায়লা ইসলাম বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তাকে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি নির্বাচিত হলে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে মানুষের ভালোবাসার জায়গা অর্জন করতে চান। পাশাপাশি নির্বাচিত না হলেও এলাকার জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, গত ৩১ বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং ৩২ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। ডিগ্রি, অনার্স ও ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। দলীয় কার্যক্রমে নিজের অর্থ, সময় ও শ্রম দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও বলেন, ঢাকাসহ কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও নবীনগরে দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন এবং কোনো বাধা-বিপত্তিকে ভয় পাননি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ (নবীনগর) আসন থেকে মনোনয়ন চাইলেও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় লিফলেট বিতরণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কারাগারে কারাভোগ করেন।এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার চাকরি হারানোর কথাও জানান তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েক মাস নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়েছে বলেও দাবি করেন। একই বছরের গণআন্দোলনে দলীয় নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি।বর্তমানে ৫৮ বছরে পদার্পণ করা এই নেতা দলীয় মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে বলেন, “দলের দুর্দিনে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই—ইনশাআল্লাহ।”
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে অংশ নিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলাদলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় তার সঙ্গে দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন এবং বলেন, দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি তৃণমূলের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, রাজপথের আন্দোলন এবং সাংগঠনিক দক্ষতার সমন্বয়ে ফোরাতুন নাহার প্যারিস ইতোমধ্যে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতিতে একটি সুপরিচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন সক্রিয়, সাহসী এবং সংগঠক হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে দলের দুঃসময়ে রাজপথে তার সরব উপস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার ভূমিকা তাকে আলাদা অবস্থান এনে দিয়েছে।দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ফোরাতুন নাহার প্যারিস তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় রাজনীতির পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। কলেজ জীবন থেকেই তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা শুরু। ১৯৯৩ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীও দলটির মহাসচীব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন সাংগঠনিক ধাপ অতিক্রম করে ২০১০ সালে জেলা মহিলাদলের আহ্বায়ক এবং ২০১৭ সাল থেকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সংগঠনকে সক্রিয় রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি বরং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। ফোরাতুন নাহার প্যারিসের শক্তিশালী বক্তৃতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক মহলেও তিনি একজন দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবে পরিচিত।মনোনয়ন ফরম নেওয়ার পর ফোরাতুন নাহার প্যারিস বলেন, কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র প্রতি যে দল আমাকে রাজনীতি ও মানুষের পাশে দাড়ানোর করার সুযোগ দিয়েছে। বিশেষভাবে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি আমাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারকে যার নেতৃত্ব, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা আমাদের মতো তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পথ দেখায়। কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনের প্রতিও যিনি সবসময় আমাদের পাশে থেকে সহযোগিতা ও উৎসাহ দিয়ে আসছেন। একইসঙ্গে গভীর সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করছি সাবেক সভাপতি তৈমুর রহমান ভাইকে। যার হাত ধরে এবং যার দিকনির্দেশনায় আমরা অনেকেই রাজনীতির পথে এগিয়ে এসেছি।তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে থেকে শিখেছি রাজনীতি মানে শুধু পদ-পদবি নয়, মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই। দুঃসময়ে আমরা রাজপথ ছেড়ে যাইনি, ভবিষ্যতেও যাব না। আমি আজ সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। এটি আমার ব্যক্তিগত কোনো অর্জন নয় এটি ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি নেতাকর্মীর ভালোবাসা, ত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতিফলন। আমি সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন চাই। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি তৃণমূলের কণ্ঠস্বর হয়ে সংসদে কথা বলার চেষ্টা করব, নারীদের অধিকার ও উন্নয়নে কাজ করবো।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে সারা দেশে চলমান খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশি ইউনিয়নের “উলাশি জিয়ার খাল” পরিদর্শন করেছেন যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান ।পরিদর্শনকালে তিনি খাল খননের অগ্রগতি, কাজের মান এবং স্থানীয় জনগণের উপকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায় এবং এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি কৃষি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু, যশোর জেলা পরিষদের আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ, শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন, প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।উপস্থিত নেতৃবৃন্দ খাল খনন কার্যক্রমকে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে লালমনিরহাটের ৬নং ওয়ার্ডে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মো: শফিকুল ইসলাম।বর্তমানে তিনি লালমনিরহাট জেলা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এবং পৌর ৬নং ওয়ার্ড শ্রমিকদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ক্যারিয়ারে তিনি সাধারণ শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন।শফিকুল ইসলাম জানান, অবহেলিত ৬নং ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, "আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে শ্রমিকদের সুখে-দুঃখে পাশে আছি। এবার বৃহত্তর পরিসরে ওয়ার্ডবাসীর সেবা করতে চাই। এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট উন্নয়ন এবং মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে আমি বদ্ধপরিকর।"ইতিমধ্যেই তিনি ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের সাথে মতবিনিময় শুরু করেছেন। স্থানীয় ভোটারদের একটি বড় অংশ তাকে একজন সৎ, কর্মঠ ও পরোপকারী ব্যক্তি হিসেবে সমর্থন দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে ৬নং ওয়ার্ডে শফিকুল ইসলামকে নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের এই সমর্থন তাকে নির্বাচনে জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।