লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকির মুখে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী মোঃ মোকলেছুর রহমান (৫২) ও তার পরিবার। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ভেলাবাড়ী বেলটারী গ্রামে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম ভেলাবাড়ী মৌজার ১৬৮ শতক জমির মধ্যে ৮৩ শতক জমির দলিলমূলে মালিক হয়ে দীর্ঘকাল ধরে শান্তিপুর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন মোকলেছুর রহমান। চলতি মৌসুমে তিনি উক্ত জমিতে হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি রোপণ করেছিলেন।
তবে গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে একই এলাকার মোঃ আশরাফ আলীর (৩০) নেতৃত্বে মোঃ মনিরুজ্জামান (৩৮), রেজাউল করিম সাকু (২৮) সহ ৯ জন নামধারী এবং আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা একটি শক্তিশালী ট্রাক্টর নিয়ে সরাসরি ফলন্ত সবজি ক্ষেতে প্রবেশ করে ফসল নষ্ট করে জমিটি চাষ করতে শুরু করে।
মোকলেছুর রহমান বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার ধারণ করে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীগণ হাতে থাকা ছোরা ও লাঠি উঁচিয়ে তাকে ধাওয়া করে। এসময় তারা চিৎকার করে বলতে থাকে-
"জমিতে নামলে তোকে মেরে জমির মধ্যেই পুঁতে রাখব।"
আতঙ্কে ও প্রাণভয়ে মাঠ ছেড়ে পালিয়ে আসা মোকলেছুর রহমান বর্তমানে নিজের বাড়িতেই একপ্রকার অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, "আমার সবটুকু সম্বল এই জমি। তারা গায়ের জোরে আমার ফসল নষ্ট করে দিল, এখন আমাকে মারার হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।" ঘটনার সময় উপস্থিত স্থানীয় সাক্ষী মোঃ আজিজুল হক ও মনোয়ার হোসেন জানান, হামলাকারীরা অত্যন্ত উগ্র মেজাজে ছিল। এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বিবাদীপক্ষের ভাড়াটে লোকজনের সাথে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা ঘটতে পারে। পুরো বেলটারী গ্রাম জুড়ে এখন চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মোকলেছুর রহমান বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও হুমকির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একদল প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকির মুখে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী মোঃ মোকলেছুর রহমান (৫২) ও তার পরিবার। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম ভেলাবাড়ী বেলটারী গ্রামে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম ভেলাবাড়ী মৌজার ১৬৮ শতক জমির মধ্যে ৮৩ শতক জমির দলিলমূলে মালিক হয়ে দীর্ঘকাল ধরে শান্তিপুর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন মোকলেছুর রহমান। চলতি মৌসুমে তিনি উক্ত জমিতে হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে বিভিন্ন প্রকার শাক-সবজি রোপণ করেছিলেন।
তবে গত বুধবার বেলা ১১টার দিকে একই এলাকার মোঃ আশরাফ আলীর (৩০) নেতৃত্বে মোঃ মনিরুজ্জামান (৩৮), রেজাউল করিম সাকু (২৮) সহ ৯ জন নামধারী এবং আরও বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা একটি শক্তিশালী ট্রাক্টর নিয়ে সরাসরি ফলন্ত সবজি ক্ষেতে প্রবেশ করে ফসল নষ্ট করে জমিটি চাষ করতে শুরু করে।
মোকলেছুর রহমান বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি ভয়ংকর আকার ধারণ করে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, বিবাদীগণ হাতে থাকা ছোরা ও লাঠি উঁচিয়ে তাকে ধাওয়া করে। এসময় তারা চিৎকার করে বলতে থাকে-
"জমিতে নামলে তোকে মেরে জমির মধ্যেই পুঁতে রাখব।"
আতঙ্কে ও প্রাণভয়ে মাঠ ছেড়ে পালিয়ে আসা মোকলেছুর রহমান বর্তমানে নিজের বাড়িতেই একপ্রকার অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তিনি বলেন, "আমার সবটুকু সম্বল এই জমি। তারা গায়ের জোরে আমার ফসল নষ্ট করে দিল, এখন আমাকে মারার হুমকি দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।" ঘটনার সময় উপস্থিত স্থানীয় সাক্ষী মোঃ আজিজুল হক ও মনোয়ার হোসেন জানান, হামলাকারীরা অত্যন্ত উগ্র মেজাজে ছিল। এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত আইনি ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বিবাদীপক্ষের ভাড়াটে লোকজনের সাথে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা ঘটতে পারে। পুরো বেলটারী গ্রাম জুড়ে এখন চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী মোকলেছুর রহমান বাদী হয়ে আদিতমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও হুমকির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন