ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে “এ আই এস সনাতন স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন”-এর উদ্যোগে একটি পারমার্থিক ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা (AIS) বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সংগঠনের সভাপতি উজ্জ্বল দাস বলেন,
“জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের সকল সনাতনী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন বিভাগের প্রফেসর ড. নীলোৎপল সরকার স্যার এবং বিভাগের সিনিয়ররা। আমাদের সংগঠনের নিজস্ব একটি সংবিধান রয়েছে, যার মূলনীতি হলো —ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও দানশীলতা।”
তিনি আরও বলেন,
“ধর্মীয় আয়োজন যেমন সরস্বতী পূজার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমেও আমাদের সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত এই পারমার্থিক ভ্রমণটি গত ৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। আমরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন ধর্মীয় ও দর্শনীয় স্থান, যেমন— সীতাকুণ্ড, পুন্ডরিক ধাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করি। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করা এবং সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।”
সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ অপু সাহা বলেন,
“এটি আমাদের সংগঠনের প্রথম পারমার্থিক ভ্রমণ। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি। গত ৭ মে রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ভ্রমণ শেষে শনিবার ভোরে আমরা ক্যাম্পাসে ফিরে আসি।”
তিনি আরও জানান,
“ব্যস্ত নগর জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে মানসিক প্রশান্তি অর্জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল এই ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রাখি।”
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও প্রথম সেক্রেটারি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ পেট্রো ক্যামিক্যাল লিমিটেড এর হেড অফ ফিন্যান্স প্রশান্ত পাল বলেন,“এই সংগঠনটি আমাদের হাত ধরেই যাত্রা শুরু করেছিল। দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন ছিল এমন একটি পারমার্থিক ভ্রমণ আয়োজন করা। পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন, আধ্যাত্মিক চর্চা ও সাংস্কৃতিক ঐক্য ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে “এ আই এস সনাতন স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন”-এর উদ্যোগে একটি পারমার্থিক ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। এতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা (AIS) বিভাগের বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
সংগঠনের সভাপতি উজ্জ্বল দাস বলেন,
“জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থা বিভাগের সকল সনাতনী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন বিভাগের প্রফেসর ড. নীলোৎপল সরকার স্যার এবং বিভাগের সিনিয়ররা। আমাদের সংগঠনের নিজস্ব একটি সংবিধান রয়েছে, যার মূলনীতি হলো —ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও দানশীলতা।”
তিনি আরও বলেন,
“ধর্মীয় আয়োজন যেমন সরস্বতী পূজার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমেও আমাদের সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত এই পারমার্থিক ভ্রমণটি গত ৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। আমরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন ধর্মীয় ও দর্শনীয় স্থান, যেমন— সীতাকুণ্ড, পুন্ডরিক ধাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করি। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করা এবং সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।”
সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ অপু সাহা বলেন,
“এটি আমাদের সংগঠনের প্রথম পারমার্থিক ভ্রমণ। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় আমরা সফলভাবে এই আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি। গত ৭ মে রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। এরপর ভ্রমণ শেষে শনিবার ভোরে আমরা ক্যাম্পাসে ফিরে আসি।”
তিনি আরও জানান,
“ব্যস্ত নগর জীবনের যান্ত্রিকতা থেকে কিছুটা দূরে গিয়ে মানসিক প্রশান্তি অর্জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলাই ছিল এই ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রাখি।”
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও প্রথম সেক্রেটারি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ৪র্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ পেট্রো ক্যামিক্যাল লিমিটেড এর হেড অফ ফিন্যান্স প্রশান্ত পাল বলেন,“এই সংগঠনটি আমাদের হাত ধরেই যাত্রা শুরু করেছিল। দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন ছিল এমন একটি পারমার্থিক ভ্রমণ আয়োজন করা। পুরো আয়োজনটি অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন, আধ্যাত্মিক চর্চা ও সাংস্কৃতিক ঐক্য ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন