ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম। তিনি আলহামদুলিল্লাহ জানিয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর নায়লা ইসলাম বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তাকে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি নির্বাচিত হলে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে মানুষের ভালোবাসার জায়গা অর্জন করতে চান। পাশাপাশি নির্বাচিত না হলেও এলাকার জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, গত ৩১ বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং ৩২ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। ডিগ্রি, অনার্স ও ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। দলীয় কার্যক্রমে নিজের অর্থ, সময় ও শ্রম দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ঢাকাসহ কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও নবীনগরে দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন এবং কোনো বাধা-বিপত্তিকে ভয় পাননি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ (নবীনগর) আসন থেকে মনোনয়ন চাইলেও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় লিফলেট বিতরণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কারাগারে কারাভোগ করেন।
এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার চাকরি হারানোর কথাও জানান তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েক মাস নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়েছে বলেও দাবি করেন। একই বছরের গণআন্দোলনে দলীয় নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
বর্তমানে ৫৮ বছরে পদার্পণ করা এই নেতা দলীয় মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে বলেন, “দলের দুর্দিনে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই—ইনশাআল্লাহ।”

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা থেকে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম। তিনি আলহামদুলিল্লাহ জানিয়ে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর নায়লা ইসলাম বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তাকে দলমত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি নির্বাচিত হলে সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে মানুষের ভালোবাসার জায়গা অর্জন করতে চান। পাশাপাশি নির্বাচিত না হলেও এলাকার জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, গত ৩১ বছর ধরে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন এবং ৩২ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। ডিগ্রি, অনার্স ও ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের রাজনীতি বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। দলীয় কার্যক্রমে নিজের অর্থ, সময় ও শ্রম দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ঢাকাসহ কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও নবীনগরে দলীয় কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেছেন এবং কোনো বাধা-বিপত্তিকে ভয় পাননি। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ (নবীনগর) আসন থেকে মনোনয়ন চাইলেও দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান। এ সময় লিফলেট বিতরণের অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কারাগারে কারাভোগ করেন।
এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার চাকরি হারানোর কথাও জানান তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েক মাস নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হয়েছে বলেও দাবি করেন। একই বছরের গণআন্দোলনে দলীয় নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত রাজপথে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
বর্তমানে ৫৮ বছরে পদার্পণ করা এই নেতা দলীয় মূল্যায়ন প্রত্যাশা করে বলেন, “দলের দুর্দিনে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই—ইনশাআল্লাহ।”

আপনার মতামত লিখুন