জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে যথাযথ মর্যাদা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারাদেশের ন্যায় ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় আক্কেলপুর সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যান সংস্থার আয়োজনে এক র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আক্কেলপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসে শেষ হয়। পরে বিদ্যালয়ের হল রুমে অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের ও সুধি সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অব:প্রাপ্ত সার্জেন্ট রাজ্জাক এর সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি ছিলেন অব:প্রাপ্ত ডা. মোহামেদ ওসমান গুনি সরদার। সাবেক পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী বাদশা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামের জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াত এমপি প্রাথী (জয়পুরহাট-২) রাশেদুল আলম সবুজ, আক্কেলপুর সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যান সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট এমরুল কায়েশ, জামালগঞ্জ কলেজের অব:প্রাপ্ত অধ্যক্ষ হায়দার আলী, অব:প্রাপ্ত নায়েব রুহল আমিন, তিলকপুর ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো. হাফিজুর রশিদ বকুল।
সভাপতির বক্তব্য তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর বীর সেনানীদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি। জাতীয় নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান আজ বিশ্বে স্বীকৃত। আক্কেলপুরবাসীর পক্ষ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। দেশের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় তাদের ভূমিকা আমাদের সবসময় অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দীর্ঘজীবী হোক।
প্রধান অতিথি বলেন, হে সন্তান সন্তাদি যেখানে থাকো একজন ভালো মানুষ হও
সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগ আমাদের জাতির গর্ব। দেশের নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান প্রশংসিত। এই দিনে আমরা সকল শহীদ ও কর্মরত সেনানীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
রাশেদুল আলম সবুজ বলেন, একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার সন্তানকে মানুষ করে গড়ে তুললেন, পরিশ্রম করলেন, স্বপ্ন দেখলেন-আজ সেই সন্তান চাকরি পেয়েছে, দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে। আমরা এমনই বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে প্রত্যেক মানুষ সুযোগ পাবে, প্রতিটি পরিবার স্বপ্ন পূরণের পথ খুঁজে পাবে। সকল মানুষ তার মৌলিক চাহিদা-খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান ও নিরাপত্তা-নিশ্চিতভাবে পাবে। সমান সুযোগ ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাবে আমাদের দেশ।
উপস্থিত সকল অতিথি ও সৈনিকদের কলম উপহার করেন সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী বাদশা এবং আক্কেলপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুল ইসলাম কে যথাযথ মযাদায় উপহার দেন ৩০ সদস্যের অব: সৈনিকরা।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলে সকল অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ নভেম্বর ২০২৫
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে যথাযথ মর্যাদা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারাদেশের ন্যায় ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় আক্কেলপুর সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যান সংস্থার আয়োজনে এক র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আক্কেলপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসে শেষ হয়। পরে বিদ্যালয়ের হল রুমে অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের ও সুধি সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে অব:প্রাপ্ত সার্জেন্ট রাজ্জাক এর সভাপতিত্ব প্রধান অতিথি ছিলেন অব:প্রাপ্ত ডা. মোহামেদ ওসমান গুনি সরদার। সাবেক পৌর মেয়র আলমগীর চৌধুরী বাদশা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামের জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও জামায়াত এমপি প্রাথী (জয়পুরহাট-২) রাশেদুল আলম সবুজ, আক্কেলপুর সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক কল্যান সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট এমরুল কায়েশ, জামালগঞ্জ কলেজের অব:প্রাপ্ত অধ্যক্ষ হায়দার আলী, অব:প্রাপ্ত নায়েব রুহল আমিন, তিলকপুর ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো. হাফিজুর রশিদ বকুল।
সভাপতির বক্তব্য তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর বীর সেনানীদের আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি। জাতীয় নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান আজ বিশ্বে স্বীকৃত। আক্কেলপুরবাসীর পক্ষ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই। দেশের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় তাদের ভূমিকা আমাদের সবসময় অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দীর্ঘজীবী হোক।
প্রধান অতিথি বলেন, হে সন্তান সন্তাদি যেখানে থাকো একজন ভালো মানুষ হও
সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব ও আত্মত্যাগ আমাদের জাতির গর্ব। দেশের নিরাপত্তা, দুর্যোগ মোকাবিলা ও শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদান প্রশংসিত। এই দিনে আমরা সকল শহীদ ও কর্মরত সেনানীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
রাশেদুল আলম সবুজ বলেন, একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার সন্তানকে মানুষ করে গড়ে তুললেন, পরিশ্রম করলেন, স্বপ্ন দেখলেন-আজ সেই সন্তান চাকরি পেয়েছে, দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে। আমরা এমনই বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে প্রত্যেক মানুষ সুযোগ পাবে, প্রতিটি পরিবার স্বপ্ন পূরণের পথ খুঁজে পাবে। সকল মানুষ তার মৌলিক চাহিদা-খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান ও নিরাপত্তা-নিশ্চিতভাবে পাবে। সমান সুযোগ ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাবে আমাদের দেশ।
উপস্থিত সকল অতিথি ও সৈনিকদের কলম উপহার করেন সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধুরী বাদশা এবং আক্কেলপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত) শফিকুল ইসলাম কে যথাযথ মযাদায় উপহার দেন ৩০ সদস্যের অব: সৈনিকরা।
এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলে সকল অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন