দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : রোববার, ১০ মে ২০২৬

দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ, কারণ জানালেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ, কারণ জানালেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

বেরোবির  লাইব্রেরীর ওয়াসরুম, গ্যারেজ ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ছাত্রদল নেতা মাসুদের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদান

বেরোবির লাইব্রেরীর ওয়াসরুম, গ্যারেজ ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ছাত্রদল নেতা মাসুদের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদান

ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন বেরোবি শিক্ষক

ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন বেরোবি শিক্ষক

বেরোবিতে দীর্ঘদিন বঞ্চিত কর্মকর্তাদের যৌক্তিক সমাধান ও  অনিয়ম তদন্তের দাবি

বেরোবিতে দীর্ঘদিন বঞ্চিত কর্মকর্তাদের যৌক্তিক সমাধান ও অনিয়ম তদন্তের দাবি

বেরোবিতে পদোন্নতির দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি:উপাচার্যকে ব্যর্থ প্রশাসক ঘোষণা

বেরোবিতে পদোন্নতির দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি:উপাচার্যকে ব্যর্থ প্রশাসক ঘোষণা

জবি উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে সক্রিয় একটি মহল

জবি উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে সক্রিয় একটি মহল

নওগাঁয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

নওগাঁয় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী

বুলেট বৈরাগী হত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট, জবি শাখার মৌন মিছিল

বুলেট বৈরাগী হত্যার বিচার দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট, জবি শাখার মৌন মিছিল

জবি উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে সক্রিয় একটি মহল

জবি উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে সক্রিয় একটি মহল

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীনকে ব্যর্থ ও বিতর্কিত প্রমাণ করতে একটি সংগঠিত মহল সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু ছাত্রসংগঠন, অনলাইনভিত্তিক কিছু প্ল্যাটফর্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তা এ তৎপরতার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের আমলে বিভিন্ন বিতর্কিত ইস্যুতে নীরব থাকা কিছু গোষ্ঠী বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা তৎপরতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

একাধিক সূত্র জানায়, উপাচার্যকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে নিয়মিত অনলাইন বৈঠকের মাধ্যমে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছোটখাটো ঘটনাকে বড় আকারে উপস্থাপন করে প্রশাসনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একজন বলেন,“উপাচার্য রইস স্যারকে বিতর্কিত করতে কিছু গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। সেই অর্থ নির্দিষ্ট কিছু অনলাইন পেইজ ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই— শিক্ষার্থীদের কাছে তাকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন পরিস্থিতি আগে দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের সময়েও রইস স্যার একজন নির্যাতিত শিক্ষক ছিলেন। জুলাই আন্দোলনসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি পাশে থেকেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার আন্তরিকতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একটি মহল তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। পরিবর্তনের এই বাংলাদেশে এটি কখনো কাম্য নয়।"

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বলেন,“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করে চলছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো সিদ্ধান্ত আমি সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই গ্রহণ করি। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমন ঘটনা বিরল। আমার ভুল হতেও পারে। যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনারা তা আমাকে দেখিয়ে দিবেন। তবে পিছন থেকে ছুরি মারা কখনোই কাম্য নয়। কেউ যদি এমনটি করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি বলব তারা ব্যক্তিগতভাবে আমাকে নয়, প্রতিষ্ঠান হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাবো, আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করি।”

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়া বলেন, "রইস উদ্দীন স্যার সবসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করেছেন। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম নির্যাতিত শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে আসছেন। তবে আওয়ামী লীগের কিছু দোসর ও গুপ্ত সংগঠন অতীতের মতো এখনও তাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। মূলত তারা পূর্বের মতো বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীরা এসব ষড়যন্ত্রমূলক কাজ কখনো সফল হতে দিবে না।"

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


জবি উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে সক্রিয় একটি মহল

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীনকে ব্যর্থ ও বিতর্কিত প্রমাণ করতে একটি সংগঠিত মহল সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু ছাত্রসংগঠন, অনলাইনভিত্তিক কিছু প্ল্যাটফর্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক ও কর্মকর্তা এ তৎপরতার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের আমলে বিভিন্ন বিতর্কিত ইস্যুতে নীরব থাকা কিছু গোষ্ঠী বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা তৎপরতা শুরু করেছে। অভিযোগ রয়েছে, পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।


একাধিক সূত্র জানায়, উপাচার্যকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে নিয়মিত অনলাইন বৈঠকের মাধ্যমে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছোটখাটো ঘটনাকে বড় আকারে উপস্থাপন করে প্রশাসনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।



নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একজন বলেন,“উপাচার্য রইস স্যারকে বিতর্কিত করতে কিছু গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। সেই অর্থ নির্দিষ্ট কিছু অনলাইন পেইজ ও বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই— শিক্ষার্থীদের কাছে তাকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা।”


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন পরিস্থিতি আগে দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগের সময়েও রইস স্যার একজন নির্যাতিত শিক্ষক ছিলেন। জুলাই আন্দোলনসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি পাশে থেকেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তার আন্তরিকতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একটি মহল তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। পরিবর্তনের এই বাংলাদেশে এটি কখনো কাম্য নয়।"



এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বলেন,“আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করে চলছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোনো সিদ্ধান্ত আমি সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই গ্রহণ করি। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমন ঘটনা বিরল। আমার ভুল হতেও পারে। যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আপনারা তা আমাকে দেখিয়ে দিবেন। তবে পিছন থেকে ছুরি মারা কখনোই কাম্য নয়। কেউ যদি এমনটি করার চেষ্টা করে, তাহলে আমি বলব তারা ব্যক্তিগতভাবে আমাকে নয়, প্রতিষ্ঠান হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। আমি সকলের প্রতি আহ্বান জানাবো, আমরা যেন ঐক্যবদ্ধ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করি।”



এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়া বলেন, "রইস উদ্দীন স্যার সবসময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করেছেন। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম নির্যাতিত শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে আসছেন। তবে আওয়ামী লীগের কিছু দোসর ও গুপ্ত সংগঠন অতীতের মতো এখনও তাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। মূলত তারা পূর্বের মতো বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থীরা এসব ষড়যন্ত্রমূলক কাজ কখনো সফল হতে দিবে না।"


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ