ঘুস লেনদেনের অভিযোগে যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে আটকের প্রতিবাদে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যশোর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে শতাধিক শিক্ষক দুদক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে ওই কর্মকর্তার অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।বিক্ষোভরত শিক্ষকরা দাবি করেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, দুদকের অভিযানের কিছু সময় আগে আশরাফুল আলম বাথরুমে গেলে সেই সুযোগে একটি পক্ষ তার টেবিলে টাকা রেখে আসে। পরে সেটিকে ‘হাতেনাতে আটক’ হিসেবে দেখিয়ে একটি সাজানো নাটক তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষকরা বলেন, আশরাফুল আলমকে মুক্তি না দেওয়া হলে তারা দুদক কার্যালয় ছেড়ে বাড়ি ফিরবেন না।
শিক্ষকদের ভাষ্য, দুদকের পক্ষ থেকে যেভাবে পুরো ঘটনাটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায়, দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন ও সহকারী পরিচালক মো. আল আমিনের নেতৃত্বে একটি ফাঁদ পাতা হয়।
অভিযোগকারী বসুন্দিয়া খানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, তার প্রয়াত স্ত্রী শিরিনা আক্তারের পেনশন সংক্রান্ত ফাইল ছাড় করানোর নামে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম প্রায় তিন মাস ধরে তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাতে থাকেন।অভিযোগে বলা হয়, প্রথম দফায় ৮০ হাজার টাকা নেওয়ার পর আবারও ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে পেনশনের অর্থ ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি খুলনা বিভাগীয় এক কর্মকর্তার যোগসাজশে তার বেতন কাঠামো (বেসিক) কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
বুধবার বিকেলে পেনশন সংক্রান্ত ফাইল ছাড় করানোর কথা বলে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার সময় দুদক অভিযান চালিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে তার কক্ষ থেকে হাতেনাতে আটক করে।এই ঘটনার প্রতিবাদে রাত পর্যন্ত শিক্ষকরা দুদক কার্যালয় ঘিরে বিক্ষোভ চালান। একপর্যায়ে রাত সোয়া ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে দুদক কার্যালয় থেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, রাতে তাকে সেখানেই রাখা হবে এবং বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ঘুস লেনদেনের অভিযোগে যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে আটকের প্রতিবাদে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যশোর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে শতাধিক শিক্ষক দুদক কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে ওই কর্মকর্তার অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।বিক্ষোভরত শিক্ষকরা দাবি করেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, দুদকের অভিযানের কিছু সময় আগে আশরাফুল আলম বাথরুমে গেলে সেই সুযোগে একটি পক্ষ তার টেবিলে টাকা রেখে আসে। পরে সেটিকে ‘হাতেনাতে আটক’ হিসেবে দেখিয়ে একটি সাজানো নাটক তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষকরা বলেন, আশরাফুল আলমকে মুক্তি না দেওয়া হলে তারা দুদক কার্যালয় ছেড়ে বাড়ি ফিরবেন না।
শিক্ষকদের ভাষ্য, দুদকের পক্ষ থেকে যেভাবে পুরো ঘটনাটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন জানায়, দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতে যশোর দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন ও সহকারী পরিচালক মো. আল আমিনের নেতৃত্বে একটি ফাঁদ পাতা হয়।
অভিযোগকারী বসুন্দিয়া খানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, তার প্রয়াত স্ত্রী শিরিনা আক্তারের পেনশন সংক্রান্ত ফাইল ছাড় করানোর নামে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম প্রায় তিন মাস ধরে তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘুরাতে থাকেন।অভিযোগে বলা হয়, প্রথম দফায় ৮০ হাজার টাকা নেওয়ার পর আবারও ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে পেনশনের অর্থ ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি খুলনা বিভাগীয় এক কর্মকর্তার যোগসাজশে তার বেতন কাঠামো (বেসিক) কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
বুধবার বিকেলে পেনশন সংক্রান্ত ফাইল ছাড় করানোর কথা বলে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার সময় দুদক অভিযান চালিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে তার কক্ষ থেকে হাতেনাতে আটক করে।এই ঘটনার প্রতিবাদে রাত পর্যন্ত শিক্ষকরা দুদক কার্যালয় ঘিরে বিক্ষোভ চালান। একপর্যায়ে রাত সোয়া ১০টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে দুদক কার্যালয় থেকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, রাতে তাকে সেখানেই রাখা হবে এবং বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন