নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার গাংগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক এলাকাবাসী মিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর গতকাল সোমবার বিকালে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুনুর রশিদ বিভিন্নভাবে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে । গত ২০১৯ ইং থেকে ২০২৫ইং পর্যন্ত স্কুলের ২২ বিঘা জমির ধানের হিসাব ৭ বছর যাবত মোট ৩০ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা ,গাছ বিক্রির ৫০ হাজার, ৪০ লক্ষ টাকার কোন হিসাব নেই। এছাড়াও তিনি কয়েকজন শিক্ষককে বিধি বহির্ভুতভাবে ভারতের গমনের অনুমতি এবং শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বি এড ,উচ্চতার স্কেল প্রদান ,এসএসসি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় ,সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ ,নিয়োগ বাণিজ্য সহ নানা দুর্নীতি করে যাচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। এ বিষয়ে অ্যাড হোক কমিটির সভাপতির মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি যখন সদস্য ছিলাম তখন বড় ধরনের কোন ভাউচার হয়নি ।আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানিনা ।
কমিটির সদস্য মোঃ সামসুল আলম বলেন আমিও এ বিষয়ে কিছুই জানিনা।
এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাকিবুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ হাতে পায়নি হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আমরা এলাকাবাসী হিসাব-নিকাশের কথা বললে দিব দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করছে ।বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অনতিবিলম্বে উল্লেখিত বিষয়গুলি বিবেচনা পূর্ব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক ।তা না হলে গ্রামবাসী এবং শিক্ষকদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ নভেম্বর ২০২৫
নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার গাংগুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অভিভাবক এলাকাবাসী মিলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর গতকাল সোমবার বিকালে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,প্রধান শিক্ষক মোঃ হারুনুর রশিদ বিভিন্নভাবে একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছে । গত ২০১৯ ইং থেকে ২০২৫ইং পর্যন্ত স্কুলের ২২ বিঘা জমির ধানের হিসাব ৭ বছর যাবত মোট ৩০ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা ,গাছ বিক্রির ৫০ হাজার, ৪০ লক্ষ টাকার কোন হিসাব নেই। এছাড়াও তিনি কয়েকজন শিক্ষককে বিধি বহির্ভুতভাবে ভারতের গমনের অনুমতি এবং শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বি এড ,উচ্চতার স্কেল প্রদান ,এসএসসি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় ,সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ ,নিয়োগ বাণিজ্য সহ নানা দুর্নীতি করে যাচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। এ বিষয়ে অ্যাড হোক কমিটির সভাপতির মোহাম্মদ জাহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি যখন সদস্য ছিলাম তখন বড় ধরনের কোন ভাউচার হয়নি ।আমি এসব বিষয়ে কিছুই জানিনা ।
কমিটির সদস্য মোঃ সামসুল আলম বলেন আমিও এ বিষয়ে কিছুই জানিনা।
এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রাকিবুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন অভিযোগ হাতে পায়নি হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আমরা এলাকাবাসী হিসাব-নিকাশের কথা বললে দিব দিচ্ছি বলে কালক্ষেপণ করছে ।বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অনতিবিলম্বে উল্লেখিত বিষয়গুলি বিবেচনা পূর্ব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক ।তা না হলে গ্রামবাসী এবং শিক্ষকদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

আপনার মতামত লিখুন