সোমবার (১১ মে) সকালে ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া) আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল গেট থেকে বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাকেরহাট শাপলা চত্বরে গিয়ে মানববন্ধনে মিলিত হয়। পরে সংগঠনের নেতারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ফরিদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুরাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডালিম চন্দ্র রায়, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, সদস্য ময়নুল ইসলামসহ বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিনিধিদের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত সময় বা ছুটির দিনে কাজ করালে যথাযথ ওভারটাইম ভাতা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি চাকরির মেয়াদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি, বাজারমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি বছর টি.এ/ডি.এ বিল বাড়ানো এবং মোট বেতনের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ বেসিক স্যালারি নির্ধারণের দাবি জানান তারা।
এছাড়া চাকরির পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কর্মীদের জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল, কার বা অন্যান্য যানবাহনের সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা। কোনো কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা প্রদানের বিধান বাধ্যতামূলক করার দাবিও উত্থাপন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
সোমবার (১১ মে) সকালে ফার্মাসিউটিক্যালস রিপ্রেজেনটেটিভ অ্যাসোসিয়েশন (ফারিয়া) আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল গেট থেকে বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাকেরহাট শাপলা চত্বরে গিয়ে মানববন্ধনে মিলিত হয়। পরে সংগঠনের নেতারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ফরিদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুরাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ডালিম চন্দ্র রায়, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, সদস্য ময়নুল ইসলামসহ বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা।
বক্তারা বলেন, ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিনিধিদের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত সময় বা ছুটির দিনে কাজ করালে যথাযথ ওভারটাইম ভাতা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি চাকরির মেয়াদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি, বাজারমূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি বছর টি.এ/ডি.এ বিল বাড়ানো এবং মোট বেতনের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ বেসিক স্যালারি নির্ধারণের দাবি জানান তারা।
এছাড়া চাকরির পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কর্মীদের জন্য কোম্পানির পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল, কার বা অন্যান্য যানবাহনের সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা। কোনো কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা প্রদানের বিধান বাধ্যতামূলক করার দাবিও উত্থাপন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন