দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার খানসামা রোডে অবস্থিত বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজার (অস্ত্রোপচার) করাতে গিয়ে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত প্রসূতির নাম সমেজা খাতুন (২৫)। তিনি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সরঞ্জা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে প্রসূতি সমেজা খাতুনকে বীরগঞ্জ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে সিজার অপারেশনের জন্য বীরগঞ্জ ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।
অপারেশনের সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, বীরগঞ্জ ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, অপারেশনে দায়িত্বে ছিলেন ডা. বকুল এবং অ্যানেসথেশিয়া প্রদান করেন শরিফুল ইসলাম।
ঘটনার পর বীরগঞ্জ ক্লিনিকের মালিক বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা ক্লিনিক বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন। বর্তমানে বীরগঞ্জ ক্লিনিকে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বীরগঞ্জ ক্লিনিকের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার খানসামা রোডে অবস্থিত বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজার (অস্ত্রোপচার) করাতে গিয়ে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত প্রসূতির নাম সমেজা খাতুন (২৫)। তিনি দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সরঞ্জা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে প্রসূতি সমেজা খাতুনকে বীরগঞ্জ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে সিজার অপারেশনের জন্য বীরগঞ্জ ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়।
অপারেশনের সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, বীরগঞ্জ ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। জানা গেছে, অপারেশনে দায়িত্বে ছিলেন ডা. বকুল এবং অ্যানেসথেশিয়া প্রদান করেন শরিফুল ইসলাম।
ঘটনার পর বীরগঞ্জ ক্লিনিকের মালিক বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফরা ক্লিনিক বন্ধ করে পালিয়ে গেছেন। বর্তমানে বীরগঞ্জ ক্লিনিকে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বীরগঞ্জ ক্লিনিকের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন