সুনামগঞ্জের নারী ও শিশুদের চিকিৎসা সেবার একমাত্র প্রতিষ্ঠান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ৮তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণকাজ। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হওয়া কাজটি ২০২৪ সালের জুনে শেষ করার কথা থাকলেও প্রায় এক বছরের অধিক সময় ধরে বন্ধ রয়েছে নির্মাণকাজ। এদিকে, নিজস্ব ভবনের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে শহরের হাসন নগরের ময়নার পয়েন্ট এলাকায় ভাড়া বাসায় চালিয়ে যাচ্ছেন মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার কাজ।
নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম সচল রাখা হলেও কাংঙ্খিত সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৭২ বছর পর সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটি ৬ শয্যা থেকে ২০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও নিজস্ব ভবনের কাজ শেষ না হওয়ায় শহরের ময়নার পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি ভাড়া বাসায় মাত্র ২টি শয্যার মাধ্যমে স্বল্প পরিসরে প্রসূতিদের নরমাল ডেলিভারি, মাতৃত্বকালীন সেবা, নারী ও কিশোরীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে। তবে শয্যা সংকট ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে কাংঙ্খিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারী পরিচালক ডা. দেবাশীষ শর্মা বলেন, ভাড়া বাসায় এটি একটি জরুরী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমরা চিকিৎসা সেবা চালু রেখেছি।কিন্তু আমাদের নিজস্ব ভবন না থাকায় আমরা কাংঙ্খিত সেবা দিতে পারছিনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হয় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণকাজ। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে সুনামগঞ্জের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম.এন.পি এম এ আর জেবি কনস্ট্রাকশন।
সুনামগঞ্জের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে ভবন নির্মাণকাজের ৪র্থ অপারেশন প্ল্যানের বরাদ্দ শেষ হয়ে যায়।
ভবন নির্মাণের মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত। এরপর ৫ম অপারেশন প্ল্যানের বরাদ্দ পেতে ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে চলেছেন। এই বরাদ্দ না আসায় দীর্ঘ এক বছর যাবৎ ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। তবে ৬ তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই হওয়ায় এই ভবনের কাজ ৫১ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি সুনামগঞ্জের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের। এদিকে নভেম্বর মাসে একনেকের সভায় অপারেশন প্ল্যানের বরাদ্দের অনুমোদন হয়েছে। শীঘ্রই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
সুনামগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হুসনুল করিম বলেন,ভবনের ৬ তলা পর্যন্ত ছাদের ষ্টাকচার কাজ শেষ হয়েছে একনেকে কাজটি পাস হয়েছে অবশিষ্ট ৮ম তলার কাজ দ্রুত শুরু হবে এবং কাংঙ্খিত সময়ের মধ্যে ২০ শয্যা বিশিষ্ট এই ভবনটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সুনামগঞ্জের নারী ও শিশুদের চিকিৎসা সেবার একমাত্র প্রতিষ্ঠান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ৮তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণকাজ। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হওয়া কাজটি ২০২৪ সালের জুনে শেষ করার কথা থাকলেও প্রায় এক বছরের অধিক সময় ধরে বন্ধ রয়েছে নির্মাণকাজ। এদিকে, নিজস্ব ভবনের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে শহরের হাসন নগরের ময়নার পয়েন্ট এলাকায় ভাড়া বাসায় চালিয়ে যাচ্ছেন মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার কাজ।
নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রম সচল রাখা হলেও কাংঙ্খিত সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৭২ বছর পর সুনামগঞ্জ মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রটি ৬ শয্যা থেকে ২০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও নিজস্ব ভবনের কাজ শেষ না হওয়ায় শহরের ময়নার পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকায় ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি ভাড়া বাসায় মাত্র ২টি শয্যার মাধ্যমে স্বল্প পরিসরে প্রসূতিদের নরমাল ডেলিভারি, মাতৃত্বকালীন সেবা, নারী ও কিশোরীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হচ্ছে। তবে শয্যা সংকট ও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে কাংঙ্খিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারী পরিচালক ডা. দেবাশীষ শর্মা বলেন, ভাড়া বাসায় এটি একটি জরুরী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আমরা চিকিৎসা সেবা চালু রেখেছি।কিন্তু আমাদের নিজস্ব ভবন না থাকায় আমরা কাংঙ্খিত সেবা দিতে পারছিনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হয় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মাণকাজ। প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে সুনামগঞ্জের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম.এন.পি এম এ আর জেবি কনস্ট্রাকশন।
সুনামগঞ্জের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানাযায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে ভবন নির্মাণকাজের ৪র্থ অপারেশন প্ল্যানের বরাদ্দ শেষ হয়ে যায়।
ভবন নির্মাণের মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত। এরপর ৫ম অপারেশন প্ল্যানের বরাদ্দ পেতে ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে চলেছেন। এই বরাদ্দ না আসায় দীর্ঘ এক বছর যাবৎ ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। তবে ৬ তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাই হওয়ায় এই ভবনের কাজ ৫১ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি সুনামগঞ্জের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের। এদিকে নভেম্বর মাসে একনেকের সভায় অপারেশন প্ল্যানের বরাদ্দের অনুমোদন হয়েছে। শীঘ্রই টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
সুনামগঞ্জ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হুসনুল করিম বলেন,ভবনের ৬ তলা পর্যন্ত ছাদের ষ্টাকচার কাজ শেষ হয়েছে একনেকে কাজটি পাস হয়েছে অবশিষ্ট ৮ম তলার কাজ দ্রুত শুরু হবে এবং কাংঙ্খিত সময়ের মধ্যে ২০ শয্যা বিশিষ্ট এই ভবনটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন