জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ৮ম আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে বয়সসীমা লঙ্ঘন ও লাল কার্ড–সংক্রান্ত শাস্তির বিধি অমান্যের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ক্রীড়া উপকমিটির আহ্বায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের টিম ম্যানেজার কামনা আক্তার।
উক্ত অভিযোগে বলা হয়, ফিফা রুলস, বাফুফে রুলস ও জবি ফুটবল প্রতিযোগিতা বাইলজ–২০২৫ অনুযায়ী টুর্নামেন্ট পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে স্পষ্ট নিয়ম ভাঙা হয়েছে। বাইলজের ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী খেলোয়াড়দের চলতি সেমিস্টারের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে এবং বয়স ২৬ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধিনায়ক ও গোলরক্ষকের বয়স বর্তমানে ২৬ বছর ৩ মাস; ট্রান্সফার মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী তার জন্মতারিখ ৫ নভেম্বর ১৯৯৯। বয়সসীমার বাইরে থাকা সত্ত্বেও তিনি ইতোমধ্যে চারটি ম্যাচ খেলেছেন। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বনাম ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ফাইনাল ম্যাচে তার অংশগ্রহণ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২ ফেব্রুয়ারি ফাইন্যান্স বিভাগের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ইসলামিক স্টাডিজের ১০ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় গুরুতর ফাউলের কারণে লাল কার্ড পেলেও পরদিন লোকপ্রশাসন বিভাগের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তাকে আবার মাঠে নামানো হয়। এতে প্রতিযোগিতার শৃঙ্খলা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই। কোনো অভিযোগ এলে আপিল কমিটি তদন্ত করবে। কে খেলবে বা খেলবে না—এটা সরাসরি আমার দেখার বিষয় নয়।”
ক্রীড়া উপকমিটির আহ্বায়ক আলী নূর বলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগপত্র পাওয়ার পর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে এবং আগামীকাল ম্যাচের আগে সবার সামনে তথ্য যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাঁরা খেলতে পারবে কিনা।
এর আগে, গতকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নিজ বিভাগ ইসলামিক স্টাডিজকে জেতাতে তিনি খেলায় প্রভাব খাটিয়েছেন। ইসলামিক স্টাডিজ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ম্যাচ শেষে এ অভিযোগ করেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধিনায়ক বনমালী বর্মন।
বনমালী জানান, আগের ম্যাচে ফাইন্যান্স বিভাগের বিপক্ষে ইসলামিক স্টাডিজের ১০ নম্বর খেলোয়াড় মুস্তাজিব লাল কার্ড পেলেও পরদিন তাকেই আবার মাঠে নামানো হয়। পাশাপাশি ১৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও আবাহনী ক্লাবের খেলোয়াড় মাহফুজ হাসান প্রীতমকেও খেলানো হয়, যা টুর্নামেন্টের নিয়মের পরিপন্থী। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে রইছ উদ্দিন ‘খেললে খেল, না খেললে দরকার নেই’ বলে মন্তব্য করেন; পরে বিভাগের শিক্ষকদের অনুরোধে লোকপ্রশাসন বিভাগ বাধ্য হয়ে ম্যাচে অংশ নেয়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ৮ম আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে বয়সসীমা লঙ্ঘন ও লাল কার্ড–সংক্রান্ত শাস্তির বিধি অমান্যের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ক্রীড়া উপকমিটির আহ্বায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের টিম ম্যানেজার কামনা আক্তার।
উক্ত অভিযোগে বলা হয়, ফিফা রুলস, বাফুফে রুলস ও জবি ফুটবল প্রতিযোগিতা বাইলজ–২০২৫ অনুযায়ী টুর্নামেন্ট পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে স্পষ্ট নিয়ম ভাঙা হয়েছে। বাইলজের ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী খেলোয়াড়দের চলতি সেমিস্টারের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে এবং বয়স ২৬ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধিনায়ক ও গোলরক্ষকের বয়স বর্তমানে ২৬ বছর ৩ মাস; ট্রান্সফার মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী তার জন্মতারিখ ৫ নভেম্বর ১৯৯৯। বয়সসীমার বাইরে থাকা সত্ত্বেও তিনি ইতোমধ্যে চারটি ম্যাচ খেলেছেন। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বনাম ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ফাইনাল ম্যাচে তার অংশগ্রহণ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২ ফেব্রুয়ারি ফাইন্যান্স বিভাগের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ইসলামিক স্টাডিজের ১০ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় গুরুতর ফাউলের কারণে লাল কার্ড পেলেও পরদিন লোকপ্রশাসন বিভাগের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তাকে আবার মাঠে নামানো হয়। এতে প্রতিযোগিতার শৃঙ্খলা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিন বলেন, “অভিযোগের বিষয়ে আমি অবগত নই। কোনো অভিযোগ এলে আপিল কমিটি তদন্ত করবে। কে খেলবে বা খেলবে না—এটা সরাসরি আমার দেখার বিষয় নয়।”
ক্রীড়া উপকমিটির আহ্বায়ক আলী নূর বলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগপত্র পাওয়ার পর ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে এবং আগামীকাল ম্যাচের আগে সবার সামনে তথ্য যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাঁরা খেলতে পারবে কিনা।
এর আগে, গতকাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, নিজ বিভাগ ইসলামিক স্টাডিজকে জেতাতে তিনি খেলায় প্রভাব খাটিয়েছেন। ইসলামিক স্টাডিজ ও লোকপ্রশাসন বিভাগের ম্যাচ শেষে এ অভিযোগ করেন লোকপ্রশাসন বিভাগের অধিনায়ক বনমালী বর্মন।
বনমালী জানান, আগের ম্যাচে ফাইন্যান্স বিভাগের বিপক্ষে ইসলামিক স্টাডিজের ১০ নম্বর খেলোয়াড় মুস্তাজিব লাল কার্ড পেলেও পরদিন তাকেই আবার মাঠে নামানো হয়। পাশাপাশি ১৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও আবাহনী ক্লাবের খেলোয়াড় মাহফুজ হাসান প্রীতমকেও খেলানো হয়, যা টুর্নামেন্টের নিয়মের পরিপন্থী। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে রইছ উদ্দিন ‘খেললে খেল, না খেললে দরকার নেই’ বলে মন্তব্য করেন; পরে বিভাগের শিক্ষকদের অনুরোধে লোকপ্রশাসন বিভাগ বাধ্য হয়ে ম্যাচে অংশ নেয়।

আপনার মতামত লিখুন