দিনাজপুরের গর্ব হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে ৫৭৬ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের ৭ম একনেক সভায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর সভাপতিত্বে এই ঐতিহাসিক হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে এই প্রকল্পের অধীনে একগুচ্ছ উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে:
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট দূর করতে নির্মিত হবে ১২ তলার ১টি ছাত্র হল এবং ১২ তলার ১টি ছাত্রী হল। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য ১২ তলার আবাসিক ভবন এবং একটি অত্যাধুনিক ১২ তলার একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে।
প্রশাসনিক ভবন ও মেডিকেল সেন্টারের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণসহ নির্মিত হবে দৃষ্টিনন্দন জিমনেসিয়াম, কনফারেন্স হল এবং আধুনিক আনসার ব্যারাক।
বিশ্বমানের গবেষণার জন্য ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি, আধুনিক আইটি সরঞ্জাম এবং উন্নত অফিস আসবাবপত্র সংযোজন করা হবে।
ক্যাম্পাসের ভেতরে আরসিসি রাস্তা, ড্রেনেজ সিস্টেম, ৫-শ কেভিএ সাব-স্টেশন, সীমানা প্রাচীর এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে পরিবেশবান্ধব করে তোলা হবে।
প্রকল্পটি অনুমোদনের পর হাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা এক প্রতিক্রিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এবং পরিকল্পনা, অর্থ ও শিক্ষা উপদেষ্টাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে হাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে। এটি শুধু ভবন নির্মাণ নয়, বরং উত্তরবঙ্গের উচ্চশিক্ষায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আবাসন সমস্যা এবং ল্যাব সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে চলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে হাবিপ্রবি দেশের অন্যতম সেরা গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
দিনাজপুরের গর্ব হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো ও একাডেমিক মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে ৫৭৬ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের ৭ম একনেক সভায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস-এর সভাপতিত্বে এই ঐতিহাসিক হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ক্যাম্পাসে রূপান্তর করতে এই প্রকল্পের অধীনে একগুচ্ছ উন্নয়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে:
শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট দূর করতে নির্মিত হবে ১২ তলার ১টি ছাত্র হল এবং ১২ তলার ১টি ছাত্রী হল। এছাড়া শিক্ষকদের জন্য ১২ তলার আবাসিক ভবন এবং একটি অত্যাধুনিক ১২ তলার একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হবে।
প্রশাসনিক ভবন ও মেডিকেল সেন্টারের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণসহ নির্মিত হবে দৃষ্টিনন্দন জিমনেসিয়াম, কনফারেন্স হল এবং আধুনিক আনসার ব্যারাক।
বিশ্বমানের গবেষণার জন্য ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি, আধুনিক আইটি সরঞ্জাম এবং উন্নত অফিস আসবাবপত্র সংযোজন করা হবে।
ক্যাম্পাসের ভেতরে আরসিসি রাস্তা, ড্রেনেজ সিস্টেম, ৫-শ কেভিএ সাব-স্টেশন, সীমানা প্রাচীর এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে পরিবেশবান্ধব করে তোলা হবে।
প্রকল্পটি অনুমোদনের পর হাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা এক প্রতিক্রিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এবং পরিকল্পনা, অর্থ ও শিক্ষা উপদেষ্টাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে হাবিপ্রবিতে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে। এটি শুধু ভবন নির্মাণ নয়, বরং উত্তরবঙ্গের উচ্চশিক্ষায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আবাসন সমস্যা এবং ল্যাব সংকটের স্থায়ী সমাধান হতে চলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে হাবিপ্রবি দেশের অন্যতম সেরা গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন