দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাটের শাপলা চত্বরে প্রতিদিনই রাস্তায় অস্থায়ী দোকান বসায় চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় মানুষজন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রাস্তার একাংশ দখল করে রাখা এসব দোকানের কারণে স্বাভাবিক যানচলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীবাহী যানবাহনকে প্রচণ্ড যানজটের মুখে পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার ওপর দোকান বসানোর কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। বেশ কয়েকবার মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার দুর্ঘটনা ঘটলেও এখনো স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পাকেরহাটের কয়েকজন পথচারী জানান, সন্ধ্যার পর জনসমাগম বাড়লে রাস্তার পুরো অংশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ফুটপাত না থাকায় মানুষকে বাধ্য হয়ে গাড়ির পাশ দিয়ে চলতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় সচেতন মহল শাপলা চত্বরে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং রাস্তায় দোকান স্থাপন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত প্রশাসনের উদ্যোগ না এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাটের শাপলা চত্বরে প্রতিদিনই রাস্তায় অস্থায়ী দোকান বসায় চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় মানুষজন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রাস্তার একাংশ দখল করে রাখা এসব দোকানের কারণে স্বাভাবিক যানচলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীবাহী যানবাহনকে প্রচণ্ড যানজটের মুখে পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার ওপর দোকান বসানোর কারণে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। বেশ কয়েকবার মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার দুর্ঘটনা ঘটলেও এখনো স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পাকেরহাটের কয়েকজন পথচারী জানান, সন্ধ্যার পর জনসমাগম বাড়লে রাস্তার পুরো অংশ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ফুটপাত না থাকায় মানুষকে বাধ্য হয়ে গাড়ির পাশ দিয়ে চলতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয় সচেতন মহল শাপলা চত্বরে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং রাস্তায় দোকান স্থাপন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত প্রশাসনের উদ্যোগ না এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন