টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার চানপুর ব্রিজ থেকে লতিফপুর, বান্দাচালা ও নৌকারচালা এলাকাসহ প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষের একমাত্র চলাচলের সড়কটি ভেঙে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
এমন পরিস্থিতির খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন (রনি) ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তা মেরামতের কাজে অংশ নেন। কয়েক ঘণ্টার নিরলস পরিশ্রমে ভেঙে যাওয়া অংশে ইট ও মাটি ফেলে সাময়িকভাবে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হয়। ফলে দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তির পর আবারও যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যানের এমন মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগে তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করাকে তারা প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন (রনি) মুঠোফোনে বলেন,
“জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকা আমার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাদের সামান্য কষ্ট লাঘব করতে পারা আমার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। মানুষের সেবা করেই সারাজীবন জনগণের পাশে থাকতে চাই।”
স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুমে যাতে পুনরায় সড়কটি ভেঙে না যায়, সে জন্য দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তারা টেকসই উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার চানপুর ব্রিজ থেকে লতিফপুর, বান্দাচালা ও নৌকারচালা এলাকাসহ প্রায় ১০টি গ্রামের মানুষের একমাত্র চলাচলের সড়কটি ভেঙে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
এমন পরিস্থিতির খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন (রনি) ঘটনাস্থলে ছুটে যান। স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাস্তা মেরামতের কাজে অংশ নেন। কয়েক ঘণ্টার নিরলস পরিশ্রমে ভেঙে যাওয়া অংশে ইট ও মাটি ফেলে সাময়িকভাবে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করা হয়। ফলে দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তির পর আবারও যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যানের এমন মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগে তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করাকে তারা প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলী হোসেন (রনি) মুঠোফোনে বলেন,
“জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকা আমার নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাদের সামান্য কষ্ট লাঘব করতে পারা আমার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। মানুষের সেবা করেই সারাজীবন জনগণের পাশে থাকতে চাই।”
স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা মৌসুমে যাতে পুনরায় সড়কটি ভেঙে না যায়, সে জন্য দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তারা টেকসই উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন