ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, ঢাকা জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই তিনি এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিবের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থ না দেওয়ায় পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সচিবকে বদলি করা হয়। তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এছাড়া, বিভিন্ন মহলে আলোচিত ইউপি সচিব মীর বারেককে কথিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল বা পুনর্বহালের ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রশাসনিক নীতিমালা ও স্বচ্ছতার যথাযথ অনুসরণ করা হয়নি। তবে এসব অভিযোগেরও স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হওয়া জরুরি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরানের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে, সচেতন নাগরিক সমাজও অভিযোগগুলোর দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে তা-ও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, ঢাকা জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই তিনি এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিবের কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থ না দেওয়ায় পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট সচিবকে বদলি করা হয়। তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এছাড়া, বিভিন্ন মহলে আলোচিত ইউপি সচিব মীর বারেককে কথিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল বা পুনর্বহালের ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রশাসনিক নীতিমালা ও স্বচ্ছতার যথাযথ অনুসরণ করা হয়নি। তবে এসব অভিযোগেরও স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত হওয়া জরুরি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিটুস লরেন্স চিরানের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে, সচেতন নাগরিক সমাজও অভিযোগগুলোর দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে তা-ও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন