জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম ও তাঁর মানবিক জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে লালমনিরহাটে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ‘নজরুল বর্ষ’।
গতকাল বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে (পুরাতন) আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলা প্রশাসন এই কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি।
সাংস্কৃতিক আয়োজনে জাতীয় কবির অমর সৃষ্টি ও চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে স্থানীয় শিল্পীরা পরিবেশন করেন নজরুলের কালজয়ী গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য। শিল্পীদের শৈল্পিক ও প্রাণবন্ত পরিবেশনায় পুরো মিলনায়তন মূখর হয়ে ওঠে এবং দর্শকদের মাঝে গভীর মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলোকবর্তিকা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার যে প্রেরণা আমরা পাই, তা নজরুলের দর্শনেই নিহিত। নজরুল বর্ষের এই আয়োজন কবির সেই চিরন্তন আদর্শকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে আরও নিবিড়ভাবে পৌঁছে দিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাশেদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক নজরুল প্রেমী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে নজরুল বিষয়ক রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম ও তাঁর মানবিক জীবনদর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে লালমনিরহাটে বর্ণিল আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ‘নজরুল বর্ষ’।
গতকাল বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে (পুরাতন) আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলা প্রশাসন এই কর্মযজ্ঞের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি।
সাংস্কৃতিক আয়োজনে জাতীয় কবির অমর সৃষ্টি ও চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে স্থানীয় শিল্পীরা পরিবেশন করেন নজরুলের কালজয়ী গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য। শিল্পীদের শৈল্পিক ও প্রাণবন্ত পরিবেশনায় পুরো মিলনায়তন মূখর হয়ে ওঠে এবং দর্শকদের মাঝে গভীর মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয়।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলোকবর্তিকা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার যে প্রেরণা আমরা পাই, তা নজরুলের দর্শনেই নিহিত। নজরুল বর্ষের এই আয়োজন কবির সেই চিরন্তন আদর্শকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে আরও নিবিড়ভাবে পৌঁছে দিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুহাঃ রাশেদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক নজরুল প্রেমী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে নজরুল বিষয়ক রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন