পবিত্র জুমার নামাজ শেষে লালমনিরহাট মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহতী আয়োজনে। সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানটি যেন এক বৃহত্তর জনসচেতনতার প্ল্যাটফর্মে রূপ নিয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি আয়োজকদের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক কে. এম. মমিনুল হক এবং জেলা প্রশাসক মোঃ রাশেদুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ শিশুদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় বক্তারা বলেন, প্রতিটি গাছ কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে অনুঘটকের কাজ করে। প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।
কেবল পরিবেশ রক্ষাই নয়, অনুষ্ঠানের মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলের বার্তা। বক্তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল এবং ক্যাসিনো ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিকারে কঠোর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সামাজিক অবক্ষয় রোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধের অন্ধকার জগত থেকে সরিয়ে এনে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, পরিবেশ রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের মতো জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহত্তর পরিসরে অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের মূল সুর ধ্বনিত হয়েছে এই স্লোগানে-
"একটি গাছ লাগাই, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি; বাল্যবিবাহ, মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধকে না বলি।"
পবিত্র জুমার নামাজ শেষে লালমনিরহাট মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহতী আয়োজনে। সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানটি যেন এক বৃহত্তর জনসচেতনতার প্ল্যাটফর্মে রূপ নিয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি আয়োজকদের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক কে. এম. মমিনুল হক এবং জেলা প্রশাসক মোঃ রাশেদুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ শিশুদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় বক্তারা বলেন, প্রতিটি গাছ কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে অনুঘটকের কাজ করে। প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।
কেবল পরিবেশ রক্ষাই নয়, অনুষ্ঠানের মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলের বার্তা। বক্তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল এবং ক্যাসিনো ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিকারে কঠোর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সামাজিক অবক্ষয় রোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধের অন্ধকার জগত থেকে সরিয়ে এনে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, পরিবেশ রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের মতো জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহত্তর পরিসরে অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের মূল সুর ধ্বনিত হয়েছে এই স্লোগানে-
"একটি গাছ লাগাই, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি; বাল্যবিবাহ, মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধকে না বলি।"

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
পবিত্র জুমার নামাজ শেষে লালমনিরহাট মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহতী আয়োজনে। সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানটি যেন এক বৃহত্তর জনসচেতনতার প্ল্যাটফর্মে রূপ নিয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি আয়োজকদের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক কে. এম. মমিনুল হক এবং জেলা প্রশাসক মোঃ রাশেদুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ শিশুদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় বক্তারা বলেন, প্রতিটি গাছ কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে অনুঘটকের কাজ করে। প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।
কেবল পরিবেশ রক্ষাই নয়, অনুষ্ঠানের মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলের বার্তা। বক্তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল এবং ক্যাসিনো ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিকারে কঠোর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সামাজিক অবক্ষয় রোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধের অন্ধকার জগত থেকে সরিয়ে এনে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, পরিবেশ রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের মতো জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহত্তর পরিসরে অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের মূল সুর ধ্বনিত হয়েছে এই স্লোগানে-
"একটি গাছ লাগাই, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি; বাল্যবিবাহ, মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধকে না বলি।"
পবিত্র জুমার নামাজ শেষে লালমনিরহাট মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহতী আয়োজনে। সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানটি যেন এক বৃহত্তর জনসচেতনতার প্ল্যাটফর্মে রূপ নিয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি আয়োজকদের এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক কে. এম. মমিনুল হক এবং জেলা প্রশাসক মোঃ রাশেদুল হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ শিশুদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এসময় বক্তারা বলেন, প্রতিটি গাছ কেবল পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে অনুঘটকের কাজ করে। প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।
কেবল পরিবেশ রক্ষাই নয়, অনুষ্ঠানের মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলের বার্তা। বক্তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদক নির্মূল এবং ক্যাসিনো ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি প্রতিকারে কঠোর হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সামাজিক অবক্ষয় রোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধের অন্ধকার জগত থেকে সরিয়ে এনে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সেতু সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে, পরিবেশ রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের মতো জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহত্তর পরিসরে অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের মূল সুর ধ্বনিত হয়েছে এই স্লোগানে-
"একটি গাছ লাগাই, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি; বাল্যবিবাহ, মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধকে না বলি।"

আপনার মতামত লিখুন