লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব দৈলজোড় (কাছারী পাড়া) গ্রামে একটি পোলট্রি খামারের বর্জ্য ও দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। খামারের ময়লা-আবর্জনা উন্মুক্ত স্থানে ফেলার ফলে স্থানীয় ফসলি জমি নষ্ট হওয়া এবং পরিবেশ দূষণের অভিযোগ উঠেছে খামার মালিক মো. আয়নাল হকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত ২৫ জুন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী মো. আব্দুল মজিদ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী আব্দুল মজিদের বাড়ির দক্ষিণ পার্শ্বে মো. আয়নাল হক পোলট্রি খামার স্থাপন করেছেন। খামারের মুরগির বিষ্ঠা ও পচা বর্জ্য পশ্চিম পার্শ্বে উন্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখার ফলে দীর্ঘ তিন বছর ধরে ওই এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ জমির ফসল চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া, খামারের দুর্গন্ধে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে এবং শিশু-কিশোররা বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
ভুক্তভোগী মো. আব্দুল মজিদ জানান, দীর্ঘ সময় ধরে এসব সমস্যার সম্মুখীন হয়ে তিনি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু খামার মালিক মো. আয়নাল হক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। উল্টো গত ৯ জুন রাতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত আয়নাল হক তার ওপর চড়াও হন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেন।
ঘটনার সাক্ষী হিসেবে মো. রবি চাঁন, আব্দুল কাদের জিলানী ও মো. ছামছুল আলীসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় বাধ্য হয়েই জেলা প্রশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিবেশসম্মত উপায়ে খামার পরিচালনা করা জরুরি। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এলাকায় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বিরোধ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমি আমার বসতভিটার পাশের জমির ফসল রক্ষা এবং পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব দৈলজোড় (কাছারী পাড়া) গ্রামে একটি পোলট্রি খামারের বর্জ্য ও দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। খামারের ময়লা-আবর্জনা উন্মুক্ত স্থানে ফেলার ফলে স্থানীয় ফসলি জমি নষ্ট হওয়া এবং পরিবেশ দূষণের অভিযোগ উঠেছে খামার মালিক মো. আয়নাল হকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত ২৫ জুন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী মো. আব্দুল মজিদ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী আব্দুল মজিদের বাড়ির দক্ষিণ পার্শ্বে মো. আয়নাল হক পোলট্রি খামার স্থাপন করেছেন। খামারের মুরগির বিষ্ঠা ও পচা বর্জ্য পশ্চিম পার্শ্বে উন্মুক্ত স্থানে ফেলে রাখার ফলে দীর্ঘ তিন বছর ধরে ওই এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ জমির ফসল চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া, খামারের দুর্গন্ধে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে এবং শিশু-কিশোররা বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
ভুক্তভোগী মো. আব্দুল মজিদ জানান, দীর্ঘ সময় ধরে এসব সমস্যার সম্মুখীন হয়ে তিনি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু খামার মালিক মো. আয়নাল হক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। উল্টো গত ৯ জুন রাতে এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত আয়নাল হক তার ওপর চড়াও হন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেন।
ঘটনার সাক্ষী হিসেবে মো. রবি চাঁন, আব্দুল কাদের জিলানী ও মো. ছামছুল আলীসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় বাধ্য হয়েই জেলা প্রশাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরিবেশসম্মত উপায়ে খামার পরিচালনা করা জরুরি। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে এলাকায় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বিরোধ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমি আমার বসতভিটার পাশের জমির ফসল রক্ষা এবং পরিবেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন