বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বেরোবি)-এর বিদ্যমান শিক্ষক আপগ্রেডেশন ও পদোন্নতির নীতিমালা এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধভাবে সহযোগী অধ্যাপক পদের যোগ্যতা অর্জন করেছেন শিক্ষক জনাব মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম। নীতিমালার বাধ্যতামূলক শর্তগুলোর চেয়েও তার একাডেমিক গবেষণা ও প্রকাশনার সংখ্যা এবং মান অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
চাকরিকাল ও প্রশাসনিক রেয়াতের গাণিতিক হিসাবেও মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষক হিসেবে তার মোট চাকরিকাল ৭ বছর ৬ মাস ১৩ দিন।
বিদ্যমান আপগ্রেডেশন নীতিমালা অনুযায়ী, এমফিল সমপর্যায়ের ডিগ্রি থাকায় আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে তিনি সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে আপগ্রেডেশনের জন্য উপযুক্ত হতেন। তবে তিনি ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২১ পর্যন্ত মোট ৭৮৪ দিন (২৫ মাস ২৩ দিন) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত ৬৫তম সিন্ডিকেট সভার অনুমোদন এবং বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী— প্রতি ৩ বছর (১০৯৫ দিন) প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের বিপরীতে ১ বছর (৩৬৫ দিন) আপগ্রেডেশন রেয়াত (সবসিডি) প্রাপ্য হবেন। সেই গাণিতিক সূত্রে (৭৮৪ × ৩৬৫) ÷ ১০৯৫ = ২৬১ দিন রেয়াত পান তিনি। ফলে তার নির্ধারিত তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ২৬১ দিন সমন্বয় করে সংশোধিত যোগ্যতা অর্জনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৫ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। ইতোমধ্যে গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে এই প্রশাসনিক দায়িত্ব ও অভিজ্ঞতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে সনদও প্রদান করা হয়েছে।শর্তের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে।
প্রকাশনা ও গবেষণার মান বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য ন্যূনতম ৩টি গবেষণা জার্নাল বা আর্টিকেলের প্রয়োজন হয়। কিন্তু মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলামের ইতোমধ্যে ৮টি উচ্চমানের আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।তার এই সমৃদ্ধ গবেষণা প্রোফাইলের বিশেষ দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:প্রধান ও একক লেখক: মোট ৮টি আর্টিকেলের মধ্যে ৭টিতেই তিনি প্রথম লেখক এবং ৩টি আর্টিকেলে তিনি একক লেখক ।স্প্রিঞ্জার ন্যাচার (Springer Nature) গত মাসে বিশ্ববিখ্যাত ও অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তার একক নামে একটি মর্যাদাপূর্ণ 'বুক চ্যাপ্টার' প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া স্প্রিঞ্জার ন্যাচারের একটি খ্যাতনামা Q2 জার্নালে তার আরও ১টি আর্টিকেল প্রকাশিত ।এলসিভিয়ার ও Q1 জার্নাল: বিশ্ববিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা এলসিভিয়ার থেকে তার ২টি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ১টি প্রকাশিত হয়েছে দুর্যোগ বিজ্ঞান বিষয়ক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় Q1 জার্নাল ‘প্রগ্রেস ইন ডিসাসটার সায়েন্স’ (Progress in Disaster Science)-এ।উইলি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রকাশনী উইলি-এর Q2 জার্নালে তার আরও ১টি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বিধিমালা ও ৬৫তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি নির্ধারিত সময়ের আগেই সহযোগী অধ্যাপক পদের যোগ্যতা অর্জন করেছি। শিক্ষকতার পাশাপাশি ছাত্র পরামর্শ দপ্তরে ৭৮৪ দিন সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করায় নিয়মানুযায়ী আমি ২৬১ দিনের বিশেষ রেয়াত পেয়েছি। এই রেয়াত সমন্বয়ের পর আমার পদোন্নতি যোগ্যতার চূড়ান্ত তারিখ দাঁড়িয়েছে গত ১৫ মে ২০২৬ খ্রি.। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রদত্ত অভিজ্ঞতা সনদেও আমার এই শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক দায়িত্বের সময়কালকে দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান সাংবাদিককে বলেন, তিনি আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনও কোনো বোর্ড বসেনি। ২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সময় দাঁড়ালে তিনি পূর্বের দায়িত্বের কারনে ৮মাসের রেয়াত পাবে কি জিজ্ঞেস করলে তিনি কোনো জবাব দেন নি।###

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বেরোবি)-এর বিদ্যমান শিক্ষক আপগ্রেডেশন ও পদোন্নতির নীতিমালা এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্পূর্ণ বৈধভাবে সহযোগী অধ্যাপক পদের যোগ্যতা অর্জন করেছেন শিক্ষক জনাব মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম। নীতিমালার বাধ্যতামূলক শর্তগুলোর চেয়েও তার একাডেমিক গবেষণা ও প্রকাশনার সংখ্যা এবং মান অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
চাকরিকাল ও প্রশাসনিক রেয়াতের গাণিতিক হিসাবেও মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম ১২ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষক হিসেবে তার মোট চাকরিকাল ৭ বছর ৬ মাস ১৩ দিন।
বিদ্যমান আপগ্রেডেশন নীতিমালা অনুযায়ী, এমফিল সমপর্যায়ের ডিগ্রি থাকায় আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে তিনি সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে আপগ্রেডেশনের জন্য উপযুক্ত হতেন। তবে তিনি ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২১ পর্যন্ত মোট ৭৮৪ দিন (২৫ মাস ২৩ দিন) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত ৬৫তম সিন্ডিকেট সভার অনুমোদন এবং বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী— প্রতি ৩ বছর (১০৯৫ দিন) প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের বিপরীতে ১ বছর (৩৬৫ দিন) আপগ্রেডেশন রেয়াত (সবসিডি) প্রাপ্য হবেন। সেই গাণিতিক সূত্রে (৭৮৪ × ৩৬৫) ÷ ১০৯৫ = ২৬১ দিন রেয়াত পান তিনি। ফলে তার নির্ধারিত তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ২৬১ দিন সমন্বয় করে সংশোধিত যোগ্যতা অর্জনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৫ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ। ইতোমধ্যে গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে এই প্রশাসনিক দায়িত্ব ও অভিজ্ঞতার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়ে সনদও প্রদান করা হয়েছে।শর্তের চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে।
প্রকাশনা ও গবেষণার মান বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য ন্যূনতম ৩টি গবেষণা জার্নাল বা আর্টিকেলের প্রয়োজন হয়। কিন্তু মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলামের ইতোমধ্যে ৮টি উচ্চমানের আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।তার এই সমৃদ্ধ গবেষণা প্রোফাইলের বিশেষ দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো:প্রধান ও একক লেখক: মোট ৮টি আর্টিকেলের মধ্যে ৭টিতেই তিনি প্রথম লেখক এবং ৩টি আর্টিকেলে তিনি একক লেখক ।স্প্রিঞ্জার ন্যাচার (Springer Nature) গত মাসে বিশ্ববিখ্যাত ও অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এই প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তার একক নামে একটি মর্যাদাপূর্ণ 'বুক চ্যাপ্টার' প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া স্প্রিঞ্জার ন্যাচারের একটি খ্যাতনামা Q2 জার্নালে তার আরও ১টি আর্টিকেল প্রকাশিত ।এলসিভিয়ার ও Q1 জার্নাল: বিশ্ববিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা এলসিভিয়ার থেকে তার ২টি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ১টি প্রকাশিত হয়েছে দুর্যোগ বিজ্ঞান বিষয়ক বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় Q1 জার্নাল ‘প্রগ্রেস ইন ডিসাসটার সায়েন্স’ (Progress in Disaster Science)-এ।উইলি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রকাশনী উইলি-এর Q2 জার্নালে তার আরও ১টি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে লোক প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান বিধিমালা ও ৬৫তম সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি নির্ধারিত সময়ের আগেই সহযোগী অধ্যাপক পদের যোগ্যতা অর্জন করেছি। শিক্ষকতার পাশাপাশি ছাত্র পরামর্শ দপ্তরে ৭৮৪ দিন সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করায় নিয়মানুযায়ী আমি ২৬১ দিনের বিশেষ রেয়াত পেয়েছি। এই রেয়াত সমন্বয়ের পর আমার পদোন্নতি যোগ্যতার চূড়ান্ত তারিখ দাঁড়িয়েছে গত ১৫ মে ২০২৬ খ্রি.। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে প্রদত্ত অভিজ্ঞতা সনদেও আমার এই শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক দায়িত্বের সময়কালকে দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান সাংবাদিককে বলেন, তিনি আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনও কোনো বোর্ড বসেনি। ২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সময় দাঁড়ালে তিনি পূর্বের দায়িত্বের কারনে ৮মাসের রেয়াত পাবে কি জিজ্ঞেস করলে তিনি কোনো জবাব দেন নি।###

আপনার মতামত লিখুন