বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মালামাল বোঝাই একটি কার্গোট্রাক আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় ট্রাকসহ ৩ জনকে আটক করে বেনাপোল বিওপিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
আটককৃত ট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট ২৪-৫৬২১। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—
১. শ্রী ইন্দ্রজিৎ মুখার্জী (৩৮), গুদাম কর্মকর্তা ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (Assistant Revenue Officer), বেনাপোল। পিতা: মৃত বিশ্বজিৎ মুখার্জী। গ্রাম: বেজপাড়া, যশোর।
২. মোঃ মহসিন আলী (৩৪)। পিতা: মৃত আব্দুল লতিফ। গ্রাম: বকচর, যশোর।
৩. মোঃ জাহিদ হাসান (২১)। পিতা: মোঃ আজিজুর রহমান। গ্রাম: গুনিবাগডাঙ্গা, ডাকঘর: গুনি, থানা: বাঘারপাড়া, জেলা: যশোর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মালামালের হিসাব নিরূপণ ও মূল্য নির্ধারণের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মালামালগুলো কাস্টমস নিয়ন্ত্রিত এলাকার ভেতরে লোড করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কাস্টমস এলাকার ভেতর থেকে যদি এসব মালামাল ট্রাকে তোলা হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদারকি কোথায় ছিল। বিশেষ করে গেট ডিভিশন ও বাসকল তদারকির দায়িত্বে থাকা শরফুদ্দিন মিয়া ভূমিকা নিয়েও নানা আলোচনা আছে এই মালের সাথে শরবুদ্দিন নিজেই জড়িত। তাছাড়া বেনাপোল কাস্টমার নিলাম শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন ও জড়িত আছে ।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব ও ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনা হলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্রের সম্পৃক্ততাও বেরিয়ে আসতে পারে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মালামাল বোঝাই একটি কার্গোট্রাক আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় ট্রাকসহ ৩ জনকে আটক করে বেনাপোল বিওপিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
আটককৃত ট্রাকটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট ২৪-৫৬২১। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—
১. শ্রী ইন্দ্রজিৎ মুখার্জী (৩৮), গুদাম কর্মকর্তা ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (Assistant Revenue Officer), বেনাপোল। পিতা: মৃত বিশ্বজিৎ মুখার্জী। গ্রাম: বেজপাড়া, যশোর।
২. মোঃ মহসিন আলী (৩৪)। পিতা: মৃত আব্দুল লতিফ। গ্রাম: বকচর, যশোর।
৩. মোঃ জাহিদ হাসান (২১)। পিতা: মোঃ আজিজুর রহমান। গ্রাম: গুনিবাগডাঙ্গা, ডাকঘর: গুনি, থানা: বাঘারপাড়া, জেলা: যশোর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মালামালের হিসাব নিরূপণ ও মূল্য নির্ধারণের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মালামালগুলো কাস্টমস নিয়ন্ত্রিত এলাকার ভেতরে লোড করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কাস্টমস এলাকার ভেতর থেকে যদি এসব মালামাল ট্রাকে তোলা হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদারকি কোথায় ছিল। বিশেষ করে গেট ডিভিশন ও বাসকল তদারকির দায়িত্বে থাকা শরফুদ্দিন মিয়া ভূমিকা নিয়েও নানা আলোচনা আছে এই মালের সাথে শরবুদ্দিন নিজেই জড়িত। তাছাড়া বেনাপোল কাস্টমার নিলাম শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারি কমিশনার রাহাত হোসেন ও জড়িত আছে ।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব ও ভূমিকা তদন্তের আওতায় আনা হলে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কোনো ব্যক্তি বা চক্রের সম্পৃক্ততাও বেরিয়ে আসতে পারে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন