সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন।
সভায় তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং গুজব প্রতিরোধে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় সভায়।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তথ্য আদান-প্রদানের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহারের ফলে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও বিঘ্নিত হতে পারে। তাই কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।
সভায় আরও বলা হয়, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয় রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সচেতন নাগরিকদেরও সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন।
সভায় তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং গুজব প্রতিরোধে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় সভায়।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তথ্য আদান-প্রদানের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহারের ফলে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর তথ্য, গুজব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও বিঘ্নিত হতে পারে। তাই কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।
সভায় আরও বলা হয়, গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয় রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা এবং সচেতন নাগরিকদেরও সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

আপনার মতামত লিখুন