ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়নে মুধপুর গ্ৰামে ঠিওবলের পানির সাথে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে সোমবার রাতে একটি পরিবারের ৫ জনকে অজ্ঞান করে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়েছে চোর ।
সোমবার রাতে উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়নে মুধপুর গ্ৰামে আজিজুল হকের পরিবারে এ ঘটনা ঘটে। ওই পরিবারে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা শিউলি বেগম(৩৭) ও আজিজুল হক (৪০) ও আজিজুল হক এর মেয়ে আফিয়া আক্তার (১৫) ও আজিজুল হক এর ছেলে আবু তাহের (১০) ।
পরে জ্ঞান ফিরলে অসুস্থ অবস্থায় আজিজুল হক এর স্ত্রী জানান, রাতে ভাত খাওয়া করে আমরা শুয়ে পড়ি আর কিছুই বলতে পাড়ি নাই। ফজরের আজান এর সময় আমার একটু ঘুম ভাঙ্গে উঠে দেখি আমার পরিবারের সবাই অসচেতন অবস্থায় পড়ে আছে এবং ঘরে গিয়ে দেখি জিনিসপত্র সব এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে। ঘরের দরজা তালা ভাঙ্গা দেখে আমি আমার স্বামীকে ডাকতে গেলে সেও ঘুম থেকে উঠে না পরে দেখি আলমারি খুলা ড্রয়ারের তালা ভাঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ সব কিছুই চুরি করে নিয়ে চলে গেছে চোরের দল।
তিনি আরও জানান, পরে ঘরে গিয়ে দেখি জিনিস পত্র এলোমেলো এবং ঘরে থাকা গত( শুক্রবার) আমার স্বামীর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হালখাতা ছিলো সেই হালখাতার সাত লক্ষ্য টাকা ও ১০ ভরির মতো সনলংকার সহ নিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা । তাদের পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায় , তাদের পরিবারে টিউবলে কিছু মিশিয়ে দিলে সেই টিউবলের পানি আমরা সবাই রাতে খাওয়ার ফলে তারা অজ্ঞান হয়ে যায়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল আহমেদ বলেন আমরা এখনো এমন চুরির ঘটনা ঘটেছে কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পাইলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। চক্রটি শনাক্তকরণে চেষ্টা করবো।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়নে মুধপুর গ্ৰামে ঠিওবলের পানির সাথে চেতনানাশক ঔষধ মিশিয়ে সোমবার রাতে একটি পরিবারের ৫ জনকে অজ্ঞান করে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়েছে চোর ।
সোমবার রাতে উপজেলার ২ নং চাড়োল ইউনিয়নে মুধপুর গ্ৰামে আজিজুল হকের পরিবারে এ ঘটনা ঘটে। ওই পরিবারে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকা শিউলি বেগম(৩৭) ও আজিজুল হক (৪০) ও আজিজুল হক এর মেয়ে আফিয়া আক্তার (১৫) ও আজিজুল হক এর ছেলে আবু তাহের (১০) ।
পরে জ্ঞান ফিরলে অসুস্থ অবস্থায় আজিজুল হক এর স্ত্রী জানান, রাতে ভাত খাওয়া করে আমরা শুয়ে পড়ি আর কিছুই বলতে পাড়ি নাই। ফজরের আজান এর সময় আমার একটু ঘুম ভাঙ্গে উঠে দেখি আমার পরিবারের সবাই অসচেতন অবস্থায় পড়ে আছে এবং ঘরে গিয়ে দেখি জিনিসপত্র সব এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে। ঘরের দরজা তালা ভাঙ্গা দেখে আমি আমার স্বামীকে ডাকতে গেলে সেও ঘুম থেকে উঠে না পরে দেখি আলমারি খুলা ড্রয়ারের তালা ভাঙ্গে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার সহ সব কিছুই চুরি করে নিয়ে চলে গেছে চোরের দল।
তিনি আরও জানান, পরে ঘরে গিয়ে দেখি জিনিস পত্র এলোমেলো এবং ঘরে থাকা গত( শুক্রবার) আমার স্বামীর নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হালখাতা ছিলো সেই হালখাতার সাত লক্ষ্য টাকা ও ১০ ভরির মতো সনলংকার সহ নিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা । তাদের পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায় , তাদের পরিবারে টিউবলে কিছু মিশিয়ে দিলে সেই টিউবলের পানি আমরা সবাই রাতে খাওয়ার ফলে তারা অজ্ঞান হয়ে যায়।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল আহমেদ বলেন আমরা এখনো এমন চুরির ঘটনা ঘটেছে কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পাইলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। চক্রটি শনাক্তকরণে চেষ্টা করবো।

আপনার মতামত লিখুন