জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণামুখী সাফল্য এবং পেশাগত অগ্রযাত্রার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিভাগের চার কৃতী শিক্ষার্থী। ২০১৬–২০১৭ থেকে ২০১৯–২০২০ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বিভাগটির চারজন শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জনকারী চার শিক্ষার্থী হলেন— এম. এম. শাহ পরান রানা (২০১৬–২০১৭), সিয়াম-উর-রহমান খান (২০১৭–২০১৮), ঐন্দ্রিলা রাণী সরকার (২০১৮–২০১৯) এবং হুমায়রা তাবাসসুম রাইয়ান (২০১৯–২০২০)।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিনস অ্যাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদভিত্তিক অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ একাডেমিক সম্মাননা। প্রতি শিক্ষাবর্ষে কলা ও আইন, সামাজিক বিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীন প্রতিটি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে কেবল সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনই যথেষ্ট নয় একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি সম্পন্ন করতে হয়, ন্যূনতম ৩.৭৫ সিজিপিএ অর্জন করতে হয় এবং কোনো কোর্সে পুনঃপরীক্ষা, মানোন্নয়ন, পুনঃভর্তি কিংবা সম্পূরক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে না। পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা ও সামগ্রিক একাডেমিক আচরণও মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে অসাধারণ একাডেমিক ধারাবাহিকতা, মেধা ও নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
২০১৬–২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ৩.৮৮ সিজিপিএ অর্জন করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন এম. এম. শাহ পরান রানা। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে স্নাতক ও প্রথম স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং উভয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন। স্নাতকোত্তরে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৯৯। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা–লিংকন ইউনিভার্সিটির কলেজ অব আর্কিটেকচার এ গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এ জিআইএস অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং অ্যানালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং জিওস্পেশাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে পরিবেশগত গবেষণায় তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দেশি–বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য সাময়িকীতে, বিশেষত স্প্রিংগার ও এলসেভিয়ার এ তার গবেষণা প্রবন্ধ ও গ্রন্থ অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। তার সাম্প্রতিক গবেষণার শিরোনাম, “এনহ্যান্সিং গ্রাউন্ডওয়াটার কোয়ালিটি অ্যাসেসমেন্ট ইন কোস্টাল এরিয়াস: এ হাইব্রিড মডেলিং অ্যাপ্রোচ”। ডিনস অ্যাওয়ার্ডের পাশাপাশি তিনি শিক্ষাজীবন ও গবেষণায় অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে একাধিক সম্মাননা ও ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্নাতকোত্তর গবেষণার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনএসটি) ফেলোশিপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা সক্ষমতা ও একাডেমিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রাপ্ত ওথমার ফেলোশিপ।
স্নাতক পর্যায়ে ৩.৮৬ এবং স্নাতকোত্তরে ৩.৯৬ সিজিপিএ অর্জন করে ২০১৭–২০১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম-উর-রহমান খান ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী । বর্তমানে তিনি ডিজাইন, প্ল্যানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড (ডিপিএম) এ জিআইএস অ্যান্ড আরএস কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। স্নাতক পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকারী এই গবেষকের আগ্রহের ক্ষেত্র জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন। জিআইএস, স্পেশাল অ্যানালাইসিস এবং জিওস্পেশাল টেকনিক নির্ভর গবেষণার পাশাপাশি স্যাটেলাইট ইমেজ অ্যানালাইসিস, ল্যান্ড ইউজ অ্যান্ড ল্যান্ড কভার চেঞ্জ অ্যাসেসমেন্ট এবং পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত স্পেশাল মডেলিংয়ে তার অভিজ্ঞতা উল্লেখযোগ্য।
২০১৮–২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ঐন্দ্রিলা রাণী সরকার ৩.৯৩ সিজিপিএ অর্জন করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তিনি স্নাতক পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বাংলাদেশের ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড মাইগ্রেশন বিষয়ে তার গবেষণামূলক অবদান রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছেন এবং ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনএসটি) ফেলোশিপ, মাস্টার্স থিসিস রিসার্চ স্কলারশিপ এবং শি ফর ক্লাইমেট ফেলোশিপ সহ একাধিক মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
সর্বশেষ, হুমায়রা তাবাসসুম রাইয়ান ২০১৯–২০২০ শিক্ষাবর্ষে ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। স্নাতক পর্যায়ে তিনি ৩.৯০ সিজিপিএ অর্জন করেন এবং বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্স পর্যায়ের থিসিস গবেষণা নিয়ে কাজ করছেন এবং গবেষণাভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত আছেন। জিওস্পেশাল গবেষণা, জিআইএস, আর্কজিআইএস, কিউজিআইএস, ইআরডিএএস ইমাজিন এবং তথ্যভিত্তিক পরিবেশ গবেষণায় তার দক্ষতা রয়েছে। গবেষণার পাশাপাশি তিনি মেশিন লার্নিং, জিওস্পেশাল সায়েন্স এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন।
ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জনের অনুভূতি জানাতে এম. এম. শাহ পরান রানা বলেন, “ডিনস অ্যাওয়ার্ডের এ উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে উৎসাহিত করবে এবং ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কিংবা পেশাগত অঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই ধারাবাহিকতা ও নিয়মিত পরিশ্রম সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। ভালো ফলাফলের জন্য শুধু পরীক্ষার আগে নয়, পুরো সেমিস্টারজুড়ে নিয়মিত অধ্যয়ন, শিক্ষকদের পাঠ মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ এবং বিষয়ভিত্তিক গভীর অনুধাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণামুখী সাফল্য এবং পেশাগত অগ্রযাত্রার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিভাগের চার কৃতী শিক্ষার্থী। ২০১৬–২০১৭ থেকে ২০১৯–২০২০ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বিভাগটির চারজন শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জনকারী চার শিক্ষার্থী হলেন— এম. এম. শাহ পরান রানা (২০১৬–২০১৭), সিয়াম-উর-রহমান খান (২০১৭–২০১৮), ঐন্দ্রিলা রাণী সরকার (২০১৮–২০১৯) এবং হুমায়রা তাবাসসুম রাইয়ান (২০১৯–২০২০)।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, ডিনস অ্যাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদভিত্তিক অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ একাডেমিক সম্মাননা। প্রতি শিক্ষাবর্ষে কলা ও আইন, সামাজিক বিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অধীন প্রতিটি বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে কেবল সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনই যথেষ্ট নয় একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি সম্পন্ন করতে হয়, ন্যূনতম ৩.৭৫ সিজিপিএ অর্জন করতে হয় এবং কোনো কোর্সে পুনঃপরীক্ষা, মানোন্নয়ন, পুনঃভর্তি কিংবা সম্পূরক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে না। পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা ও সামগ্রিক একাডেমিক আচরণও মূল্যায়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে অসাধারণ একাডেমিক ধারাবাহিকতা, মেধা ও নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
২০১৬–২০১৭ শিক্ষাবর্ষে ৩.৮৮ সিজিপিএ অর্জন করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন এম. এম. শাহ পরান রানা। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে স্নাতক ও প্রথম স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং উভয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন। স্নাতকোত্তরে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৯৯। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা–লিংকন ইউনিভার্সিটির কলেজ অব আর্কিটেকচার এ গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এ জিআইএস অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং অ্যানালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রিমোট সেন্সিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এবং জিওস্পেশাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে পরিবেশগত গবেষণায় তার উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দেশি–বিদেশি বিভিন্ন স্বনামধন্য সাময়িকীতে, বিশেষত স্প্রিংগার ও এলসেভিয়ার এ তার গবেষণা প্রবন্ধ ও গ্রন্থ অধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। তার সাম্প্রতিক গবেষণার শিরোনাম, “এনহ্যান্সিং গ্রাউন্ডওয়াটার কোয়ালিটি অ্যাসেসমেন্ট ইন কোস্টাল এরিয়াস: এ হাইব্রিড মডেলিং অ্যাপ্রোচ”। ডিনস অ্যাওয়ার্ডের পাশাপাশি তিনি শিক্ষাজীবন ও গবেষণায় অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে একাধিক সম্মাননা ও ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্নাতকোত্তর গবেষণার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনএসটি) ফেলোশিপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণা সক্ষমতা ও একাডেমিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ প্রাপ্ত ওথমার ফেলোশিপ।
স্নাতক পর্যায়ে ৩.৮৬ এবং স্নাতকোত্তরে ৩.৯৬ সিজিপিএ অর্জন করে ২০১৭–২০১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম-উর-রহমান খান ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জনকারী । বর্তমানে তিনি ডিজাইন, প্ল্যানিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড (ডিপিএম) এ জিআইএস অ্যান্ড আরএস কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। স্নাতক পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকারী এই গবেষকের আগ্রহের ক্ষেত্র জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন। জিআইএস, স্পেশাল অ্যানালাইসিস এবং জিওস্পেশাল টেকনিক নির্ভর গবেষণার পাশাপাশি স্যাটেলাইট ইমেজ অ্যানালাইসিস, ল্যান্ড ইউজ অ্যান্ড ল্যান্ড কভার চেঞ্জ অ্যাসেসমেন্ট এবং পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পর্কিত স্পেশাল মডেলিংয়ে তার অভিজ্ঞতা উল্লেখযোগ্য।
২০১৮–২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ঐন্দ্রিলা রাণী সরকার ৩.৯৩ সিজিপিএ অর্জন করে ডিনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তিনি স্নাতক পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। বাংলাদেশের ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড মাইগ্রেশন বিষয়ে তার গবেষণামূলক অবদান রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেছেন এবং ন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এনএসটি) ফেলোশিপ, মাস্টার্স থিসিস রিসার্চ স্কলারশিপ এবং শি ফর ক্লাইমেট ফেলোশিপ সহ একাধিক মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।
সর্বশেষ, হুমায়রা তাবাসসুম রাইয়ান ২০১৯–২০২০ শিক্ষাবর্ষে ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। স্নাতক পর্যায়ে তিনি ৩.৯০ সিজিপিএ অর্জন করেন এবং বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্স পর্যায়ের থিসিস গবেষণা নিয়ে কাজ করছেন এবং গবেষণাভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত আছেন। জিওস্পেশাল গবেষণা, জিআইএস, আর্কজিআইএস, কিউজিআইএস, ইআরডিএএস ইমাজিন এবং তথ্যভিত্তিক পরিবেশ গবেষণায় তার দক্ষতা রয়েছে। গবেষণার পাশাপাশি তিনি মেশিন লার্নিং, জিওস্পেশাল সায়েন্স এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন।
ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জনের অনুভূতি জানাতে এম. এম. শাহ পরান রানা বলেন, “ডিনস অ্যাওয়ার্ডের এ উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনে উৎসাহিত করবে এবং ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কিংবা পেশাগত অঙ্গন উভয় ক্ষেত্রেই ধারাবাহিকতা ও নিয়মিত পরিশ্রম সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। ভালো ফলাফলের জন্য শুধু পরীক্ষার আগে নয়, পুরো সেমিস্টারজুড়ে নিয়মিত অধ্যয়ন, শিক্ষকদের পাঠ মনোযোগ দিয়ে অনুসরণ এবং বিষয়ভিত্তিক গভীর অনুধাবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

আপনার মতামত লিখুন