কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে মোস্তাক মিয়া (৩৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ২৯ হাজার টাকা, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
রোববার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের বীর বারুইটারি গ্রামের কাস্টমস মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার সকালে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মোস্তাক মিয়া ওই গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি একটি বিকাশ ও নগদ এজেন্ট দোকান পরিচালনা করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকাশ ও নগদ এজেন্ট ব্যবসার আড়ালে মোস্তাক মিয়া ১০ থেকে ১১টি অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত সদস্যদের আর্থিক লেনদেন তাঁর মাধ্যমে সম্পন্ন হতো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ভূরুঙ্গামারীর বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটেছে। এতে প্রলোভনে পড়ে অনেক তরুণ ও যুবক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
পুলিশ জানায়, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই সাইফুল ইসলাম ও এএসআই আবু সাইদ সুজন।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদক, জুয়া ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
###
এফ কে আশিক
০৮/০৬/২০২৬
০১৮৬৫৬৫৭৭১৩

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে মোস্তাক মিয়া (৩৪) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ২৯ হাজার টাকা, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
রোববার দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের বীর বারুইটারি গ্রামের কাস্টমস মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার সকালে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার মোস্তাক মিয়া ওই গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি একটি বিকাশ ও নগদ এজেন্ট দোকান পরিচালনা করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিকাশ ও নগদ এজেন্ট ব্যবসার আড়ালে মোস্তাক মিয়া ১০ থেকে ১১টি অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত সদস্যদের আর্থিক লেনদেন তাঁর মাধ্যমে সম্পন্ন হতো।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ভূরুঙ্গামারীর বিভিন্ন এলাকায় অনলাইন জুয়ার বিস্তার ঘটেছে। এতে প্রলোভনে পড়ে অনেক তরুণ ও যুবক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
পুলিশ জানায়, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই সাইফুল ইসলাম ও এএসআই আবু সাইদ সুজন।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদক, জুয়া ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
###
এফ কে আশিক
০৮/০৬/২০২৬
০১৮৬৫৬৫৭৭১৩

আপনার মতামত লিখুন