দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আক্কেলপুরের মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলা জনপ্রিয় ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলী নান্নুকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ

আক্কেলপুরের মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলা জনপ্রিয় ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলী নান্নুকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানায় দায়ের হওয়া আলোচিত মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলায় ৫ নম্বর আসামি হিসেবে নাম থাকা নওগাঁ সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পরপর তিনবারের নির্বাচিত সদস্য মোঃ ইয়াছিন আলী নান্নুকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নান্নু মেম্বার ও তাঁর সমর্থকদের দাবি, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

জানা গেছে, গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে তিলকপুর এলাকায় সংঘটিত মাসুম বিল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরদিন ২৭ মে আক্কেলপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (কেস নং-১৯/৭৩)। মামলায় মোঃ ইয়াছিন আলী নান্নুকে ৫ নম্বর আসামি করা হয়।

স্থানীয় সূত্র ও নান্নু মেম্বারের সমর্থকদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাদীপক্ষকে প্রভাবিত করে মামলায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মোঃ ইয়াছিন আলী নান্নু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। আমি রেলস্টেশন এলাকায় একটি চা-স্টলে বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থান করছিলাম। আমার অবস্থান সম্পর্কে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই। একই সঙ্গে আমি চাই, তদন্তে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হন। যদি তদন্তে আমার বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি আইনগত যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেব।”

এদিকে, ঘটনার সময় নিহত মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে থাকা তাঁর বন্ধু ও মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী রাজের বক্তব্যও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফোনে যোগাযোগ করা হলে রাজ জানান, হামলার সময় ১০ থেকে ১২ জন যুবক তাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। তিনি হামলাকারীদের মধ্যে কেবল একজনকে চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন, যার নাম শিবলু।

রাজের ভাষ্যমতে, “শিবলুই প্রথম দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। বাকি হামলাকারীদের আমি চিনতে পারিনি।”

মামলার ৫ নম্বর আসামি ইয়াছিন আলী নান্নু ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রাজ দাবি করেন, “নান্নু মেম্বার ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।”

তবে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

এ ঘটনায় তিলকপুর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নান্নু মেম্বার ও তাঁর সমর্থকেরা মামলাটির নিরপেক্ষ, তথ্যপ্রমাণভিত্তিক ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


আক্কেলপুরের মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলা জনপ্রিয় ইউপি সদস্য ইয়াছিন আলী নান্নুকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image



জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানায় দায়ের হওয়া আলোচিত মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলায় ৫ নম্বর আসামি হিসেবে নাম থাকা নওগাঁ সদর উপজেলার তিলকপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পরপর তিনবারের নির্বাচিত সদস্য মোঃ ইয়াছিন আলী নান্নুকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নান্নু মেম্বার ও তাঁর সমর্থকদের দাবি, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।


জানা গেছে, গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে তিলকপুর এলাকায় সংঘটিত মাসুম বিল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরদিন ২৭ মে আক্কেলপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয় (কেস নং-১৯/৭৩)। মামলায় মোঃ ইয়াছিন আলী নান্নুকে ৫ নম্বর আসামি করা হয়।


স্থানীয় সূত্র ও নান্নু মেম্বারের সমর্থকদের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাদীপক্ষকে প্রভাবিত করে মামলায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।


মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মোঃ ইয়াছিন আলী নান্নু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। আমি রেলস্টেশন এলাকায় একটি চা-স্টলে বন্ধুদের সঙ্গে অবস্থান করছিলাম। আমার অবস্থান সম্পর্কে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে।”


তিনি আরও বলেন, “এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই। একই সঙ্গে আমি চাই, তদন্তে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হন। যদি তদন্তে আমার বিরুদ্ধে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়, তবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি আইনগত যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেব।”


এদিকে, ঘটনার সময় নিহত মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে থাকা তাঁর বন্ধু ও মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী রাজের বক্তব্যও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফোনে যোগাযোগ করা হলে রাজ জানান, হামলার সময় ১০ থেকে ১২ জন যুবক তাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। তিনি হামলাকারীদের মধ্যে কেবল একজনকে চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন, যার নাম শিবলু।


রাজের ভাষ্যমতে, “শিবলুই প্রথম দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। বাকি হামলাকারীদের আমি চিনতে পারিনি।”


মামলার ৫ নম্বর আসামি ইয়াছিন আলী নান্নু ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রাজ দাবি করেন, “নান্নু মেম্বার ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।”


তবে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নির্ধারণে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব সম্পর্কে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।


এ ঘটনায় তিলকপুর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নান্নু মেম্বার ও তাঁর সমর্থকেরা মামলাটির নিরপেক্ষ, তথ্যপ্রমাণভিত্তিক ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ