দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কয়েকজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৬ জুন) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর অধীন ঘাসুরিয়া বিওপির সদস্যরা তথ্য পান যে, সীমান্ত পিলার ২৮৮-এর কাছাকাছি ভারতের অভ্যন্তরে জোড়া গাছ নামক স্থানে নর্থ আগ্রা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) চেষ্টা করছে।
এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজিবি টহল দলের জোরালো প্রতিরোধ ও সক্রিয় অবস্থানের কারণে ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, পিবিজিএমএস, পদাতিক, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ঘাসুরিয়া বিওপি ও মংলা বিশেষ ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় টহল, নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের পুশইন বা সীমান্ত লঙ্ঘনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
তাছির উদ্দিন বাপ্পি
হিলি প্রতিনিধি দিনাজপুর।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক কয়েকজন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে পুশইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৬ জুন) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি)-এর অধীন ঘাসুরিয়া বিওপির সদস্যরা তথ্য পান যে, সীমান্ত পিলার ২৮৮-এর কাছাকাছি ভারতের অভ্যন্তরে জোড়া গাছ নামক স্থানে নর্থ আগ্রা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার (পুশইন) চেষ্টা করছে।
এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজিবি টহল দলের জোরালো প্রতিরোধ ও সক্রিয় অবস্থানের কারণে ওই ব্যক্তিদের বাংলাদেশে প্রবেশের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে তারা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী, পিবিজিএমএস, পদাতিক, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ঘাসুরিয়া বিওপি ও মংলা বিশেষ ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় টহল, নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের পুশইন বা সীমান্ত লঙ্ঘনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
তাছির উদ্দিন বাপ্পি
হিলি প্রতিনিধি দিনাজপুর।

আপনার মতামত লিখুন