দিনাজপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. আশিক কুমার রায়ের পদোন্নতি ও সনদ জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে ধোঁয়াশা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একদিকে জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, অন্যদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক পাল্টা দাবি করেছেন যে, প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করতে একটি কুচক্রী মহল অফিস থেকে তার বৈধ কাগজপত্র চুরি করে তাকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডা. আশিক কুমার রায়ের 'ডিএইচএমএস' সার্টিফিকেটটি ইস্যু হওয়ার প্রায় ছয় মাস আগেই দিনাজপুর সরকারি কলেজের জনৈক প্রভাষককে দিয়ে সত্যায়িত করা হয়, যার কোনো অস্তিত্বই মেলেনি। এছাড়া ঠাকুরগাঁও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই তিনি এখানে যোগদান করেন এবং চাকরির বয়স ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সহকারী অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতির আবেদন করেন মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ডা. আশিক কুমার রায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুরো ঘটনাটিকে সুগভীর ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ১০ নং ওয়ার্ড শহর আওয়ামী লীগের মহল্লা কমিটির সভাপতি ডাক্তার কুদরত-ই-খুদা, ডাক্তার এ বি এম বেলালুর জামান এবং ডাক্তার আব্দুস সালামসহ একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে কলেজ ও হাসপাতালটিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারাই মূলত ডা. আব্দুস সালামকে বাদী বানিয়ে দুদকে এই ভিত্তিহীন অভিযোগটি করিয়েছে।
ডা. আশিক আরও জানান, তিনি নিয়ম মেনেই যোগদান করেছেন। কিন্তু ওই মহলটি কলেজের অফিস কক্ষ থেকে তার যোগদানের যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে। এরপর তারা শুধুমাত্র নিজেদের সাজানো মনগড়া অভিযোগটি তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। আংশিক তথ্য দিয়ে তারা প্রতিষ্ঠানটিকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
দিনাজপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. আশিক কুমার রায়ের পদোন্নতি ও সনদ জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে ধোঁয়াশা ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একদিকে জেলা প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, অন্যদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক পাল্টা দাবি করেছেন যে, প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করতে একটি কুচক্রী মহল অফিস থেকে তার বৈধ কাগজপত্র চুরি করে তাকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডা. আশিক কুমার রায়ের 'ডিএইচএমএস' সার্টিফিকেটটি ইস্যু হওয়ার প্রায় ছয় মাস আগেই দিনাজপুর সরকারি কলেজের জনৈক প্রভাষককে দিয়ে সত্যায়িত করা হয়, যার কোনো অস্তিত্বই মেলেনি। এছাড়া ঠাকুরগাঁও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ থেকে কোনো ছাড়পত্র ছাড়াই তিনি এখানে যোগদান করেন এবং চাকরির বয়স ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই সহকারী অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতির আবেদন করেন মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ডা. আশিক কুমার রায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পুরো ঘটনাটিকে সুগভীর ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ১০ নং ওয়ার্ড শহর আওয়ামী লীগের মহল্লা কমিটির সভাপতি ডাক্তার কুদরত-ই-খুদা, ডাক্তার এ বি এম বেলালুর জামান এবং ডাক্তার আব্দুস সালামসহ একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে কলেজ ও হাসপাতালটিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারাই মূলত ডা. আব্দুস সালামকে বাদী বানিয়ে দুদকে এই ভিত্তিহীন অভিযোগটি করিয়েছে।
ডা. আশিক আরও জানান, তিনি নিয়ম মেনেই যোগদান করেছেন। কিন্তু ওই মহলটি কলেজের অফিস কক্ষ থেকে তার যোগদানের যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে। এরপর তারা শুধুমাত্র নিজেদের সাজানো মনগড়া অভিযোগটি তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। আংশিক তথ্য দিয়ে তারা প্রতিষ্ঠানটিকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন