দিনাজপুর সরকারি কলেজের মূল ফটকের ভেতরে এক ছাত্রের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১৮ মে (সোমবার) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত শিক্ষার্থীর নাম মো. রাসেদ ইসলাম। তিনি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র এবং বোচাগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামের মো. খলিলুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাসেদ ইসলাম জানান, গত দুদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। ঘটনার রাতে চারুবাবুর মোড় থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এবং ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। মূল ফটক বন্ধ থাকায় তারা সেটি খুলে ভেতরে প্রবেশ করা মাত্রই ৪-৫ জন যুবক কোনো কথা ছাড়াই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত শিক্ষার্থীর অভিযোগ- হামলাকারীরা তাকে কিল-ঘুষি মেরে গাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে দেয়। পরবর্তীতে লোহার রড, ক্রিকেট স্ট্যাম্প ও ইট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করায় তার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
রাসেদ ইসলাম সুনির্দিষ্টভাবে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী আহমাদুল্লাহ আল আমান সুজন এবং সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, হামলাকারীদের মধ্যে তারা দুজনসহ আরও ৪-৫ জন উপস্থিত ছিল। পূর্বশত্রুতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি কলেজ প্রশাসন ও আইনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযুক্ত আহমাদুল্লাহ আল আমান সুজন বা সাইফুল ইসলামের পক্ষ থেকে হামলার কারণ বা রাসেদের অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কলেজ প্রশাসন এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছে। আমরা কলেজের নিয়ম অনুযায়ী দ্রুতই উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
দিনাজপুর সরকারি কলেজের মূল ফটকের ভেতরে এক ছাত্রের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ১৮ মে (সোমবার) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহত শিক্ষার্থীর নাম মো. রাসেদ ইসলাম। তিনি কলেজের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র এবং বোচাগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামের মো. খলিলুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাসেদ ইসলাম জানান, গত দুদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। ঘটনার রাতে চারুবাবুর মোড় থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এবং ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে তিনি ক্যাম্পাসে ফিরছিলেন। মূল ফটক বন্ধ থাকায় তারা সেটি খুলে ভেতরে প্রবেশ করা মাত্রই ৪-৫ জন যুবক কোনো কথা ছাড়াই তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
আহত শিক্ষার্থীর অভিযোগ- হামলাকারীরা তাকে কিল-ঘুষি মেরে গাড়ি থেকে রাস্তায় ফেলে দেয়। পরবর্তীতে লোহার রড, ক্রিকেট স্ট্যাম্প ও ইট দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। আত্মরক্ষার চেষ্টা করায় তার হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
রাসেদ ইসলাম সুনির্দিষ্টভাবে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী আহমাদুল্লাহ আল আমান সুজন এবং সাইফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, হামলাকারীদের মধ্যে তারা দুজনসহ আরও ৪-৫ জন উপস্থিত ছিল। পূর্বশত্রুতা ছাড়াই এই হামলা চালানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি কলেজ প্রশাসন ও আইনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও শাস্তির দাবি জানান। একই সাথে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অভিযুক্ত আহমাদুল্লাহ আল আমান সুজন বা সাইফুল ইসলামের পক্ষ থেকে হামলার কারণ বা রাসেদের অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান বলেন, ক্যাম্পাসে এ ধরনের বিশৃঙ্খলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কলেজ প্রশাসন এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছে। আমরা কলেজের নিয়ম অনুযায়ী দ্রুতই উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলব এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আপনার মতামত লিখুন