ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা-এর বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের পাশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি “৫ টাকার মালাই” অবাধে বিক্রি হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন, লাইসেন্স বা খাদ্য নিরাপত্তা সনদ ছাড়াই দুধজাত এই পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, অপরিষ্কার পাত্রে তৈরি এসব মালাই খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ ও বিক্রি করা হচ্ছে। নেই মেয়াদ, নেই লেবেলিং বা মান নিয়ন্ত্রণ। অল্প দামের কারণে স্কুলপড়ুয়া শিশুরাই এসব পণ্যের প্রধান ক্রেতা, যা জনস্বাস্থ্যে বিশেষ করে শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনিরাপদ পরিবেশে তৈরি দুধজাত খাদ্যে ক্ষতিকর জীবাণু জন্মাতে পারে, যা ডায়রিয়া, ফুড পয়জনিংসহ নানা রোগের কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব আরও গুরুতর হতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছে, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও দৃশ্যমান কোনো তদারকি বা অভিযান চোখে পড়েনি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, লাইসেন্স যাচাই ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত অভিযান ও নিয়মিত নজরদারি জোরদার না হলে যেকোনো সময় জনস্বাস্থ্যে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা-এর বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের পাশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি “৫ টাকার মালাই” অবাধে বিক্রি হচ্ছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। কোনো ধরনের সরকারি অনুমোদন, লাইসেন্স বা খাদ্য নিরাপত্তা সনদ ছাড়াই দুধজাত এই পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, অপরিষ্কার পাত্রে তৈরি এসব মালাই খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ ও বিক্রি করা হচ্ছে। নেই মেয়াদ, নেই লেবেলিং বা মান নিয়ন্ত্রণ। অল্প দামের কারণে স্কুলপড়ুয়া শিশুরাই এসব পণ্যের প্রধান ক্রেতা, যা জনস্বাস্থ্যে বিশেষ করে শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনিরাপদ পরিবেশে তৈরি দুধজাত খাদ্যে ক্ষতিকর জীবাণু জন্মাতে পারে, যা ডায়রিয়া, ফুড পয়জনিংসহ নানা রোগের কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব আরও গুরুতর হতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছে, বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চললেও দৃশ্যমান কোনো তদারকি বা অভিযান চোখে পড়েনি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। দ্রুত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, লাইসেন্স যাচাই ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য উৎপাদন বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত অভিযান ও নিয়মিত নজরদারি জোরদার না হলে যেকোনো সময় জনস্বাস্থ্যে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন