নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য নবায়ন ফি একলাফে প্রায় চার গুণ বৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ। দীর্ঘদিনের প্রচলিত ১ হাজার ২০০ টাকার পরিবর্তে চলতি বছরে ৫ হাজার টাকা ফি নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে 'অযৌক্তিক' ও 'ব্যবসা-বিরোধী' বলে অভিহিত করেছেন তারা। এই বর্ধিত ফি প্রত্যাহার এবং দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে বুধবার (১৫ মে) নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও চেম্বার প্রশাসক অনামিকা নজরুলের কাছে একটি লিখিত আবেদন ও স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
স্মারকলিপিতে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এই বিশাল অংকের ফি পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশের জেলাগুলো যেমন— বগুড়া, জয়পুরহাট, নাটোর বা চাঁপাইনবাবগঞ্জের তুলনায় নওগাঁয় ফি অনেক বেশি ধরা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের চার দফা দাবিগুলো হলো,
১. অবিলম্বে জরুরি সাধারণ সভা (EGM) আহ্বান করা।
২. সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
৩. দ্রুততম সময়ের মধ্যে চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আয়োজন করা।
৪. সাধারণ ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে চেম্বারকে কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "গত ৭ তারিখের মতবিনিময় সভায় প্রায় ২০০ ব্যবসায়ী সর্বসম্মতিক্রমে এই বর্ধিত ফি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। আমরা চাই পাশের জেলাগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে ফি নির্ধারণ করা হোক এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হোক।"
প্রশাসকের বক্তব্য,
ব্যবসায়ীদের আবেদন গ্রহণ করে চেম্বার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনামিকা নজরুল জানান, "নির্বাচন আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলছে। ফি বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত গেজেটভুক্ত এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আমরা ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে ফি কমানোর অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পেলেই ফি পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অতি দ্রুত নওগাঁ চেম্বারের নির্বাচন আয়োজনের জন্য কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুল ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিধি মোতাবেক দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দ্রুত নির্বাচন এবং সহনশীল ফি নির্ধারণ না করা হলে জেলা চেম্বারের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্য নবায়ন ফি একলাফে প্রায় চার গুণ বৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজ। দীর্ঘদিনের প্রচলিত ১ হাজার ২০০ টাকার পরিবর্তে চলতি বছরে ৫ হাজার টাকা ফি নির্ধারণের সিদ্ধান্তকে 'অযৌক্তিক' ও 'ব্যবসা-বিরোধী' বলে অভিহিত করেছেন তারা। এই বর্ধিত ফি প্রত্যাহার এবং দ্রুত নির্বাচনের দাবিতে বুধবার (১৫ মে) নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও চেম্বার প্রশাসক অনামিকা নজরুলের কাছে একটি লিখিত আবেদন ও স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা।
স্মারকলিপিতে ব্যবসায়ীরা উল্লেখ করেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এই বিশাল অংকের ফি পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশের জেলাগুলো যেমন— বগুড়া, জয়পুরহাট, নাটোর বা চাঁপাইনবাবগঞ্জের তুলনায় নওগাঁয় ফি অনেক বেশি ধরা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের চার দফা দাবিগুলো হলো,
১. অবিলম্বে জরুরি সাধারণ সভা (EGM) আহ্বান করা।
২. সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নবায়ন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
৩. দ্রুততম সময়ের মধ্যে চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন আয়োজন করা।
৪. সাধারণ ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে চেম্বারকে কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "গত ৭ তারিখের মতবিনিময় সভায় প্রায় ২০০ ব্যবসায়ী সর্বসম্মতিক্রমে এই বর্ধিত ফি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। আমরা চাই পাশের জেলাগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে ফি নির্ধারণ করা হোক এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হোক।"
প্রশাসকের বক্তব্য,
ব্যবসায়ীদের আবেদন গ্রহণ করে চেম্বার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনামিকা নজরুল জানান, "নির্বাচন আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া ও ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলছে। ফি বৃদ্ধির বিষয়টি মূলত গেজেটভুক্ত এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। আমরা ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে ফি কমানোর অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। সেখান থেকে ইতিবাচক সাড়া পেলেই ফি পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে অতি দ্রুত নওগাঁ চেম্বারের নির্বাচন আয়োজনের জন্য কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিনিয়র সহকারী সচিব আশরাফুল ছিদ্দিক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিধি মোতাবেক দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দ্রুত নির্বাচন এবং সহনশীল ফি নির্ধারণ না করা হলে জেলা চেম্বারের কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন