সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে সাংবাদিক ফয়জুল ইসলাম সোহেল তালুকদার ও রায়হান আহমদসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১০ মে (রবিবার) সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটি করেন ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’ শান্তিগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আবু সঈদ।
মামলার অভিযুক্ত ও বাদীর পরিচয়
মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে সাংবাদিক সোহেল ও রায়হান ছাড়াও আরও ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন:
আব্দুর রহমান জামী (হরিনগর)
রনজিৎ সূত্রধর (শত্রুমর্দন)
লিটন আহমদ (বাগেরকোনা)
আবুল হোসেন (মির্জাপুর)
অমিতাভ দাস (নগর এলাকা)
বাদী আবু সঈদ শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব, সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) এবং হিউম্যান রাইটসসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথে যুক্ত বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন।
এজাহারে আবু সঈদ দাবি করেন যে, হাওর রক্ষা আন্দোলনের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার থাকায় বিবাদীরা ক্ষুব্ধ হন। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে সামাজিকভাবে অপদস্থ করার জন্য নানামুখী অপপ্রচার চালানো হয়।
১. অনলাইন ও ফেসবুকে অপপ্রচার: গত ৭ ও ৮ এপ্রিল ফয়জুল ইসলাম সোহেল তালুকদারের পরিচালিত অনলাইন পোর্টাল ‘সুনামগঞ্জ নিউজ’ এবং ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে আবু সঈদসহ এম আর সজিব ও প্রীতম দাসের নামে মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
২. মিথ্যা বহিষ্কার সংবাদ,
শান্তিগঞ্জ হাওর বাঁচাও আন্দোলন থেকে আবু সঈদকে বহিষ্কার শিরোনামে ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলে বাদী অভিযোগ করেন।
৩. পরিকল্পিত হেনস্তা: মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৭ এপ্রিল খাই হাওরের মাটি কাটা সংক্রান্ত সংবাদের জেরে রায়হান আহমদ সাংবাদিকদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে শান্তিগঞ্জ বাজারের একটি ওয়ালটন শোরুমে ডাকেন। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আবু সঈদসহ সাংবাদিকদের হেনস্তা করা হয় এবং সেই দৃশ্য ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
মামলার বাদী আবু সাঈদ বলেন,
আমাদের পরিকল্পিতভাবে চায়ের আমন্ত্রণে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে সাংবাদিক ফয়জুল ইসলাম সোহেল তালুকদার ও রায়হান আহমদসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১০ মে (রবিবার) সিলেটের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটি করেন ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’ শান্তিগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. আবু সঈদ।
মামলার অভিযুক্ত ও বাদীর পরিচয়
মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে সাংবাদিক সোহেল ও রায়হান ছাড়াও আরও ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন:
আব্দুর রহমান জামী (হরিনগর)
রনজিৎ সূত্রধর (শত্রুমর্দন)
লিটন আহমদ (বাগেরকোনা)
আবুল হোসেন (মির্জাপুর)
অমিতাভ দাস (নগর এলাকা)
বাদী আবু সঈদ শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব, সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক) এবং হিউম্যান রাইটসসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথে যুক্ত বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন।
এজাহারে আবু সঈদ দাবি করেন যে, হাওর রক্ষা আন্দোলনের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার থাকায় বিবাদীরা ক্ষুব্ধ হন। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে সামাজিকভাবে অপদস্থ করার জন্য নানামুখী অপপ্রচার চালানো হয়।
১. অনলাইন ও ফেসবুকে অপপ্রচার: গত ৭ ও ৮ এপ্রিল ফয়জুল ইসলাম সোহেল তালুকদারের পরিচালিত অনলাইন পোর্টাল ‘সুনামগঞ্জ নিউজ’ এবং ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে আবু সঈদসহ এম আর সজিব ও প্রীতম দাসের নামে মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
২. মিথ্যা বহিষ্কার সংবাদ,
শান্তিগঞ্জ হাওর বাঁচাও আন্দোলন থেকে আবু সঈদকে বহিষ্কার শিরোনামে ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে বলে বাদী অভিযোগ করেন।
৩. পরিকল্পিত হেনস্তা: মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৭ এপ্রিল খাই হাওরের মাটি কাটা সংক্রান্ত সংবাদের জেরে রায়হান আহমদ সাংবাদিকদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে শান্তিগঞ্জ বাজারের একটি ওয়ালটন শোরুমে ডাকেন। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আবু সঈদসহ সাংবাদিকদের হেনস্তা করা হয় এবং সেই দৃশ্য ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
মামলার বাদী আবু সাঈদ বলেন,
আমাদের পরিকল্পিতভাবে চায়ের আমন্ত্রণে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এরপর সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন