দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

দিনাজপুরের বিরামপুরে নাবালিকা অপহরণ: দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ সন্তান ফিরে চায় পরিবার

দিনাজপুরের  বিরামপুরে নাবালিকা অপহরণ: দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ সন্তান ফিরে চায় পরিবার

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্তের পর পরিকল্পিত ভাবে বাড়ির সামনে থেকে স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আদালতে দায়ের করা দরখাস্ত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শৈলান গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রব্বানী তার নাবালিকা কন্যা মোছাঃ কনিকা আক্তার মৌকে অপহরণের অভিযোগ এনে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে,ভিকটিম স্থানীয় কাটলা হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার বয়স প্রায় ১৪ বছর।

বাদীপক্ষ জানায়,জীবিকার তাগিদে ভিকটিমের বাবা মা ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। সে কারণে মেয়েটি গ্রামের বাড়িতে নানীর সঙ্গে বসবাস করত। এ সুযোগে স্থানীয় যুবক নয়ন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি পরিবার জানতে পেরে তাকে সতর্ক করলেও সে বিরত হয়নি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়,গত ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ভিকটিমের নানী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আসামিরা বাড়ির সামনে আসে। এ সময় তারা ভিকটিমকে নাম ধরে ডাকলে সে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে প্রধান আসামি নয়ন ইসলাম অন্য আসামিদের সহযোগিতায় জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ভিকটিমের এক আত্মীয় বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকে। তবে এর আগেই অভিযুক্তরা দ্রুত মাইক্রোবাসযোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে।পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ওই ছাত্রীর সন্ধান পাননি। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যায় এবং তারা পলাতক রয়েছেন। বাদীপক্ষ আশঙ্কা করছে,অপহরণের পর ভিকটিমকে জোরপূর্বক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করা হয়ে থাকতে পারে।

মামলার বাদী দাবি করেন,ঘটনার দুই দিন পর তারা বিরামপুর থানা গিয়ে মামলা করতে চাইলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে দাখিল করা নথিতে বাদীপক্ষ ভিকটিমের জন্মনিবন্ধনের কপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও সংযুক্ত করেছেন বলে জানা গেছে। মামলায় আরও কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষী উপস্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

এদিকে আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই দ্রুত ভিকটিমকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহলের মতে,নাবালিকা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার পর থেকে তাদের কয়েকজনকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এবিষয়ে বিরামপুর থানার মামলা তদন্তকারী অফিসার এসআই এনামুল হক মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি তদন্ত চলছে তবে তাদের মোবাইলে কোন প্রকার খোঁজ খবর না পাওয়ায় তাদের কে সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান। এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানান 

আমার মেয়ে অনেক দিন যাবত অপহরণ হয়েছে আজ অবদি পর্ষন্ত  আসামীদের গ্রেফতার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। এবিষয়ে এলাকার জনসাধারণ জানান এতদিন হয়ে গেল ভুক্তভোগী তার মেয়েকে পেলনা। তারা আরও জানান পুলিশ পারে না এমন কাজ নাই তারা কেন এই মেয়েটিকে খুজে পাচ্ছেন না এর কারন কি। স্হানীয় থানা প্রশাসন জোরালো ভাবে কাজ করেন নাই,উক্ত বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। বর্তমানে আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


দিনাজপুরের বিরামপুরে নাবালিকা অপহরণ: দীর্ঘদিনেও উদ্ধার না হওয়ায় ক্ষোভ সন্তান ফিরে চায় পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image


দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদালতে মামলা দায়েরের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ,দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্তের পর পরিকল্পিত ভাবে বাড়ির সামনে থেকে স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আদালতে দায়ের করা দরখাস্ত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শৈলান গ্রামের বাসিন্দা মোঃ রব্বানী তার নাবালিকা কন্যা মোছাঃ কনিকা আক্তার মৌকে অপহরণের অভিযোগ এনে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে,ভিকটিম স্থানীয় কাটলা হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার বয়স প্রায় ১৪ বছর।

বাদীপক্ষ জানায়,জীবিকার তাগিদে ভিকটিমের বাবা মা ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। সে কারণে মেয়েটি গ্রামের বাড়িতে নানীর সঙ্গে বসবাস করত। এ সুযোগে স্থানীয় যুবক নয়ন ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি পরিবার জানতে পেরে তাকে সতর্ক করলেও সে বিরত হয়নি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়,গত ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ভিকটিমের নানী বাড়িতে না থাকার সুযোগে আসামিরা বাড়ির সামনে আসে। এ সময় তারা ভিকটিমকে নাম ধরে ডাকলে সে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে প্রধান আসামি নয়ন ইসলাম অন্য আসামিদের সহযোগিতায় জোরপূর্বক তার মুখ চেপে ধরে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ভিকটিমের এক আত্মীয় বিষয়টি দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকে। তবে এর আগেই অভিযুক্তরা দ্রুত মাইক্রোবাসযোগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে।পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও ওই ছাত্রীর সন্ধান পাননি। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যায় এবং তারা পলাতক রয়েছেন। বাদীপক্ষ আশঙ্কা করছে,অপহরণের পর ভিকটিমকে জোরপূর্বক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত করা হয়ে থাকতে পারে।

মামলার বাদী দাবি করেন,ঘটনার দুই দিন পর তারা বিরামপুর থানা গিয়ে মামলা করতে চাইলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭/৩০ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে দাখিল করা নথিতে বাদীপক্ষ ভিকটিমের জন্মনিবন্ধনের কপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও সংযুক্ত করেছেন বলে জানা গেছে। মামলায় আরও কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষী উপস্থাপনের কথাও বলা হয়েছে।

এদিকে আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই দ্রুত ভিকটিমকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহলের মতে,নাবালিকা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার পর থেকে তাদের কয়েকজনকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এবিষয়ে বিরামপুর থানার মামলা তদন্তকারী অফিসার এসআই এনামুল হক মুঠোফোনে জানান, বিষয়টি তদন্ত চলছে তবে তাদের মোবাইলে কোন প্রকার খোঁজ খবর না পাওয়ায় তাদের কে সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান। এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার জানান 

আমার মেয়ে অনেক দিন যাবত অপহরণ হয়েছে আজ অবদি পর্ষন্ত  আসামীদের গ্রেফতার না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন। এবিষয়ে এলাকার জনসাধারণ জানান এতদিন হয়ে গেল ভুক্তভোগী তার মেয়েকে পেলনা। তারা আরও জানান পুলিশ পারে না এমন কাজ নাই তারা কেন এই মেয়েটিকে খুজে পাচ্ছেন না এর কারন কি। স্হানীয় থানা প্রশাসন জোরালো ভাবে কাজ করেন নাই,উক্ত বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। বর্তমানে আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ