চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন অবস্থিত, ডুমুরিয়া গ্রামের তরুণ সমাজ সেবক,ও কাতার প্রবাসী একজন আন্তরিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে, গড়ে উঠার নাম শাহ জালাল গাজী। এইটি কোনো সিনেমার গল্প নয়, বাস্তবে দেখা যায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন ডুমুরিয়া গ্রামে এমন একটি দৃশ্য।
প্রবাসে থেকে ও সর্বক্ষণ চিন্তা থাকেন, কখন বিভিন্ন মসজিদ, স্কুল প্রতিষ্ঠানের অন্যয়নের কাজে সহযোগিতা করবে, এবং অসহায় পরিবারের মুখে হাসি পুঠাবে, এমন একজন শাহ জালাল গাজী পেয়ে ধন্য, এমন একটি মন্তব্য করে থাকে, শ্রীপুর ইউনিয়নের অসংখ্য স্থানীয় জনগণ।
বেশ কিছুদিন ধরে প্রবাসী শাহা জালাল গাজীর পক্ষ থেকে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, শ্রীপুর ইউনিয়নের দশটি মসজিদ, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক বিদ্যালয় উপহার হিসেবে "হট-কুল ডিসপ্নেসার ফিল্টার দিয়ে থাকে তিনি, কিন্তু তা শুধু শেষ নয়, সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়,
উল্লেখ যুগ্য ভাবে শ্রীপুর ইউনিয়নের ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৬০০ শত শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড (হার্ড বোর্ড) ও কলম বিতরণ করে থাকেন, ও ৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য, এক সেট জার্সি ও ২টি করে ফুটবল উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন তিনি, এবং কি ইউনিয়নে অবস্থিত কয়েকটি মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় দাখিল মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারী, এবং পরিষদের সকল মেম্বারবৃন্দু ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে ও ৪০০ শত মগ উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন তিনি।
সড়ে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের প্রতিটি চায় দোকান থেকে শুরু করে , বিভিন্ন বাজার ঘাটে শোনা যায় সর্বমুহুর্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অসহায় পরিবারকে নগদ অর্থ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি , এবং ইতিমধ্যে অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নের কাজের জন্য , বিশিষ্ট সমাজ সেবক নুরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে ও বন্ধন গ্রুপের সদস্যদের মাধ্যমে, নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে থাকে এই মানবিক ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত শ্রীপুর ইউনিয়ন ডুমুরিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান প্রবাসী শাহ জালাল গাজী ।
বিভিন্ন স্কুল প্রতিষ্ঠান ও অসহায় পরিবারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইতিমধ্যে সর্ব সাধারণ মানুষের মনে ঠাই করে নিয়েছে শাহ জালাল গাজী নামটি, প্রবাসে থেকেও সর্ব মুহুর্ত মনে হয় বসে থাকে, অসহায় পরিবারকে সহ সহযোগিতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটাই যেনো বেচে নিয়েছে তার এই মানবিক সেবা দেওয়ার কাজ, এমন একটি মানুষ প্রতিটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করলে মনে হয়, অসংখ্য অসহায় পরিবার হাসি মুখে দিন খাটাতে পারবে বলে, এমন একটি মন্তব্য করে থাকে, অসংখ্য স্থানীয় জনগণ।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়ন অবস্থিত, ডুমুরিয়া গ্রামের তরুণ সমাজ সেবক,ও কাতার প্রবাসী একজন আন্তরিক ও মানবিক মানুষ হিসেবে, গড়ে উঠার নাম শাহ জালাল গাজী। এইটি কোনো সিনেমার গল্প নয়, বাস্তবে দেখা যায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন ডুমুরিয়া গ্রামে এমন একটি দৃশ্য।
প্রবাসে থেকে ও সর্বক্ষণ চিন্তা থাকেন, কখন বিভিন্ন মসজিদ, স্কুল প্রতিষ্ঠানের অন্যয়নের কাজে সহযোগিতা করবে, এবং অসহায় পরিবারের মুখে হাসি পুঠাবে, এমন একজন শাহ জালাল গাজী পেয়ে ধন্য, এমন একটি মন্তব্য করে থাকে, শ্রীপুর ইউনিয়নের অসংখ্য স্থানীয় জনগণ।
বেশ কিছুদিন ধরে প্রবাসী শাহা জালাল গাজীর পক্ষ থেকে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা, শ্রীপুর ইউনিয়নের দশটি মসজিদ, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক বিদ্যালয় উপহার হিসেবে "হট-কুল ডিসপ্নেসার ফিল্টার দিয়ে থাকে তিনি, কিন্তু তা শুধু শেষ নয়, সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়,
উল্লেখ যুগ্য ভাবে শ্রীপুর ইউনিয়নের ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৬০০ শত শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড (হার্ড বোর্ড) ও কলম বিতরণ করে থাকেন, ও ৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য, এক সেট জার্সি ও ২টি করে ফুটবল উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন তিনি, এবং কি ইউনিয়নে অবস্থিত কয়েকটি মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয় দাখিল মাদ্রাসা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারী, এবং পরিষদের সকল মেম্বারবৃন্দু ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে ও ৪০০ শত মগ উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন তিনি।
সড়ে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের প্রতিটি চায় দোকান থেকে শুরু করে , বিভিন্ন বাজার ঘাটে শোনা যায় সর্বমুহুর্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অসহায় পরিবারকে নগদ অর্থ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তিনি , এবং ইতিমধ্যে অসংখ্য মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নের কাজের জন্য , বিশিষ্ট সমাজ সেবক নুরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে ও বন্ধন গ্রুপের সদস্যদের মাধ্যমে, নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে থাকে এই মানবিক ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত শ্রীপুর ইউনিয়ন ডুমুরিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান প্রবাসী শাহ জালাল গাজী ।
বিভিন্ন স্কুল প্রতিষ্ঠান ও অসহায় পরিবারকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে ইতিমধ্যে সর্ব সাধারণ মানুষের মনে ঠাই করে নিয়েছে শাহ জালাল গাজী নামটি, প্রবাসে থেকেও সর্ব মুহুর্ত মনে হয় বসে থাকে, অসহায় পরিবারকে সহ সহযোগিতা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটাই যেনো বেচে নিয়েছে তার এই মানবিক সেবা দেওয়ার কাজ, এমন একটি মানুষ প্রতিটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করলে মনে হয়, অসংখ্য অসহায় পরিবার হাসি মুখে দিন খাটাতে পারবে বলে, এমন একটি মন্তব্য করে থাকে, অসংখ্য স্থানীয় জনগণ।

আপনার মতামত লিখুন