কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা ভূমি অফিসে সরকারি কোনো পদে নিয়োজিত না থেকেও দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে জুবাইর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি নিজেকে “নাজিরের সহকারী” পরিচয় দিয়ে অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং বিভিন্ন ফাইল তদারকিতে যুক্ত থাকেন।
অভিযোগে যা বলা হচ্ছে
ভুক্তভোগী ও সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, নামজারি, খতিয়ান সংশোধন ও জমা-খারিজসহ বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জুবাইর সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তিনি অফিসে অবাধ প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র নড়াচড়া করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিনই তাকে ভূমি অফিসের বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করতে দেখা যায়। অনেকেই তাকে সরকারি কর্মচারী ভেবে ভুল করলেও পরে জানা যায়, তিনি অফিসের কোনো অনুমোদিত পদে নেই।
একজন সেবা প্রত্যাশী বলেন, “ভূমি অফিসে গেলে আগে জুবাইরের সঙ্গে কথা বলতে হয়। তিনি কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন।”
সরেজমিন পর্যবেক্ষণ
স্থানীয় সাংবাদিকদের সরেজমিন উপস্থিতিতে ভূমি অফিসে জুবাইরকে ফাইলপত্র নড়াচড়া ও দাপ্তরিক কাজে যুক্ত থাকতে দেখা যায়। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে “নাজিরের সহকারী” বলে দাবি করেন।
অতীত অভিযোগ
ভুক্তভোগী শফিউল আলম জানান, সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) একসময় তাকে অফিস থেকে বের করে দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি আবারও অফিসে সক্রিয় হয়ে উঠেন বলে দাবি করেন তিনি।
কর্মকর্তাদের বক্তব্য
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বহিরাগতদের প্রবেশ সীমিত রাখার নির্দেশনা থাকলেও বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার তামজিদুল ইসলাম তামজীদ বলেন, “অফিসে জনবল সংকট থাকায় টুকিটাকি কাজে সহযোগিতার জন্য তাকে খণ্ডকালীনভাবে যুক্ত রাখা হয়েছে। তিনি আমার ব্যক্তিগত সহকারী নন।”
জনমনে প্রশ্ন
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে একজন বহিরাগত ব্যক্তি সরকারি ফাইলপত্রে নিয়মিত প্রবেশ ও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, এবং প্রশাসনিক নজরদারি সত্ত্বেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকে?

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা ভূমি অফিসে সরকারি কোনো পদে নিয়োজিত না থেকেও দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে জুবাইর নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি নিজেকে “নাজিরের সহকারী” পরিচয় দিয়ে অফিসে নিয়মিত যাতায়াত করেন এবং বিভিন্ন ফাইল তদারকিতে যুক্ত থাকেন।
অভিযোগে যা বলা হচ্ছে
ভুক্তভোগী ও সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, নামজারি, খতিয়ান সংশোধন ও জমা-খারিজসহ বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে জুবাইর সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তিনি অফিসে অবাধ প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলপত্র নড়াচড়া করেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় প্রতিদিনই তাকে ভূমি অফিসের বিভিন্ন কক্ষে প্রবেশ করতে দেখা যায়। অনেকেই তাকে সরকারি কর্মচারী ভেবে ভুল করলেও পরে জানা যায়, তিনি অফিসের কোনো অনুমোদিত পদে নেই।
একজন সেবা প্রত্যাশী বলেন, “ভূমি অফিসে গেলে আগে জুবাইরের সঙ্গে কথা বলতে হয়। তিনি কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন।”
সরেজমিন পর্যবেক্ষণ
স্থানীয় সাংবাদিকদের সরেজমিন উপস্থিতিতে ভূমি অফিসে জুবাইরকে ফাইলপত্র নড়াচড়া ও দাপ্তরিক কাজে যুক্ত থাকতে দেখা যায়। পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে “নাজিরের সহকারী” বলে দাবি করেন।
অতীত অভিযোগ
ভুক্তভোগী শফিউল আলম জানান, সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) একসময় তাকে অফিস থেকে বের করে দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে তিনি আবারও অফিসে সক্রিয় হয়ে উঠেন বলে দাবি করেন তিনি।
কর্মকর্তাদের বক্তব্য
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বহিরাগতদের প্রবেশ সীমিত রাখার নির্দেশনা থাকলেও বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির কাম ক্যাশিয়ার তামজিদুল ইসলাম তামজীদ বলেন, “অফিসে জনবল সংকট থাকায় টুকিটাকি কাজে সহযোগিতার জন্য তাকে খণ্ডকালীনভাবে যুক্ত রাখা হয়েছে। তিনি আমার ব্যক্তিগত সহকারী নন।”
জনমনে প্রশ্ন
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—কীভাবে একজন বহিরাগত ব্যক্তি সরকারি ফাইলপত্রে নিয়মিত প্রবেশ ও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, এবং প্রশাসনিক নজরদারি সত্ত্বেও বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকে?

আপনার মতামত লিখুন