সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কৈতক ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সংবাদকর্মী শারীরিক লাঞ্ছনা ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন। গত সোমবার (৪ মে) সুনামগঞ্জ বার্তা’র রিপোর্টার শিমন চৌধুরী হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সোমবার কৈতক হাসপাতালে সংবাদিক শিমন চৌধুরী হাসপাতালের সেবার মান ও অব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কিছু ভিডিও চিত্র ধারণ করছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মী তার ওপর চড়াও হন। তারা সাংবাদিকের সাথে চরম অশোভন আচরণ করেন এবং তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনটি জোরপূর্বক কেড়ে নেন। পরবর্তীতে ফোন থেকে ধারণকৃত সব ভিডিও ডিলিট করে দিয়ে মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত আরেফিনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে একটি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, গণমাধ্যমকর্মীর সাথে এ ধরণের আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তদন্তে হাসপাতালের কোনো স্টাফ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কৈতক ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এক সংবাদকর্মী শারীরিক লাঞ্ছনা ও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন। গত সোমবার (৪ মে) সুনামগঞ্জ বার্তা’র রিপোর্টার শিমন চৌধুরী হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সোমবার কৈতক হাসপাতালে সংবাদিক শিমন চৌধুরী হাসপাতালের সেবার মান ও অব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কিছু ভিডিও চিত্র ধারণ করছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মী তার ওপর চড়াও হন। তারা সাংবাদিকের সাথে চরম অশোভন আচরণ করেন এবং তার ব্যবহৃত স্মার্টফোনটি জোরপূর্বক কেড়ে নেন। পরবর্তীতে ফোন থেকে ধারণকৃত সব ভিডিও ডিলিট করে দিয়ে মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত আরেফিনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়। তিনি ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে একটি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, গণমাধ্যমকর্মীর সাথে এ ধরণের আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। তদন্তে হাসপাতালের কোনো স্টাফ দোষী সাব্যস্ত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন