কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং নিন্দনীয়। একজন সংবাদকর্মী যখন সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম তুলে ধরেন, তখন তাকে আইনি বা শারীরিক হুমকির মুখে ফেলা মূলত সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ারই নামান্তর।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ ও সাংবাদিককে হুমকির প্রতিবাদ
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যম হলো সমাজের দর্পণ এবং চতুর্থ স্তম্ভ।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাইটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলাচেষ্টা এবং মিথ্যা মামলার হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একজন মহান পেশার মানুষ (শিক্ষক) হয়েও রাতের অন্ধকারে মাদকাসক্ত সহযোগীদের নিয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া চরম ধৃষ্টতা।
স্থানীয় জনগণের অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন—যা স্পষ্টত দাপ্তরিক জালিয়াতি এবং দুর্নীতির শামিল।
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিপরীতে আইনি লড়াইয়ের পরিবর্তে মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো পেশাদারিত্বের অভাব এবং নিজের দোষ আড়াল করার একটি অপকৌশল মাত্র।
আমাদের দাবি ও সংহতি:
আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। প্রশাসনের নিকট বিনীত অনুরোধ—
সাংবাদিকের নিরাপত্তা: সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাকে যারা হুমকি দিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা: রাইটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার: হয়রানিমূলক এবং ভিত্তিহীন মামলার ভয় দেখিয়ে গণমাধ্যমকে থামিয়ে রাখার যে কোনো প্রচেষ্টা রুখে দিতে হবে।
সত্য কখনো চাপা থাকে না। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার অনিয়ম চললে সাংবাদিকরা তা লিখবেন—এটাই স্বাভাবিক। ভয় দেখিয়ে বা মামলা দিয়ে কলম থামানো সম্ভব নয়। আমরা উক্ত সাংবাদিকের এই লড়াইয়ের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং নিন্দনীয়। একজন সংবাদকর্মী যখন সমাজ ও প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম তুলে ধরেন, তখন তাকে আইনি বা শারীরিক হুমকির মুখে ফেলা মূলত সত্যকে ধামাচাপা দেওয়ারই নামান্তর।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ ও সাংবাদিককে হুমকির প্রতিবাদ
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যম হলো সমাজের দর্পণ এবং চতুর্থ স্তম্ভ।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাইটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলাচেষ্টা এবং মিথ্যা মামলার হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একজন মহান পেশার মানুষ (শিক্ষক) হয়েও রাতের অন্ধকারে মাদকাসক্ত সহযোগীদের নিয়ে সাংবাদিকের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া চরম ধৃষ্টতা।
স্থানীয় জনগণের অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন—যা স্পষ্টত দাপ্তরিক জালিয়াতি এবং দুর্নীতির শামিল।
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিপরীতে আইনি লড়াইয়ের পরিবর্তে মিথ্যা মামলার ভয় দেখানো পেশাদারিত্বের অভাব এবং নিজের দোষ আড়াল করার একটি অপকৌশল মাত্র।
আমাদের দাবি ও সংহতি:
আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। প্রশাসনের নিকট বিনীত অনুরোধ—
সাংবাদিকের নিরাপত্তা: সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাকে যারা হুমকি দিয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা: রাইটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার: হয়রানিমূলক এবং ভিত্তিহীন মামলার ভয় দেখিয়ে গণমাধ্যমকে থামিয়ে রাখার যে কোনো প্রচেষ্টা রুখে দিতে হবে।
সত্য কখনো চাপা থাকে না। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার অনিয়ম চললে সাংবাদিকরা তা লিখবেন—এটাই স্বাভাবিক। ভয় দেখিয়ে বা মামলা দিয়ে কলম থামানো সম্ভব নয়। আমরা উক্ত সাংবাদিকের এই লড়াইয়ের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি।

আপনার মতামত লিখুন