সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার গভীর রাতে ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ টানাখালী বাজারের স্কুল মার্কেটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে বাজারের স্কুল মার্কেটে আগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আতাউল রহমান, সারজুল মিয়া, আল আমিন, আব্দুস সালাম, অজয় দাস ও শাহজাহান মিয়ার মুদি দোকানসহ মোট ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ও বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রথমে নিজস্ব উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। পরে দিরাই ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে তার আগেই দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
দিরাই ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ শিশির কুমার দাশ জানান:
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুনে ৬টি দোকানের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর তারা পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং জেলা প্রশাসনের কাছে সহায়তার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার গভীর রাতে ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ টানাখালী বাজারের স্কুল মার্কেটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ব্যবসায়ীদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার গভীর রাতে বাজারের স্কুল মার্কেটে আগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আতাউল রহমান, সারজুল মিয়া, আল আমিন, আব্দুস সালাম, অজয় দাস ও শাহজাহান মিয়ার মুদি দোকানসহ মোট ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় জনতা ও বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রথমে নিজস্ব উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। পরে দিরাই ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে তার আগেই দোকানের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
দিরাই ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ শিশির কুমার দাশ জানান:
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। আগুনে ৬টি দোকানের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর তারা পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এবং জেলা প্রশাসনের কাছে সহায়তার দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন