লালমনিরহাট জেলায় ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ কার্যক্রম সুচারুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম। তিনি তাঁর বক্তব্যে হাম ও রুবেলা রোগের ভয়াবহতা এবং এর প্রতিরোধে টিকাদানের গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। সিভিল সার্জন জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং আগামী প্রজন্মকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে এই ক্যাম্পেইন একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। জেলার প্রতিটি শিশু যেন এই টিকার আওতায় আসে, সে বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সক্রিয় ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুল হাসান প্রিন্স-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রকিবুল হাসান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শাহাদত হোসেন সুমা। এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এসআইএমও ডা. সিফাত জাহান, জেলা তথ্য অফিসার সৌমিক রায়সহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, হাম-রুবেলা নির্মূলের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে নির্দিষ্ট বয়সী সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দক্ষ জনবল দ্বারা মানসম্মত টিকা প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সম্প্রতি জেলায় ১৭১ জনের মধ্যে ৩১ জন হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার কোনো শিশু যেন জীবনরক্ষাকারী এই টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস (৫ বছর) বয়সী সকল শিশু। প্রতিদিন সকাল ৮:টা থেকে বিকাল ৪:টা পর্যন্ত। সকল কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারি হাসপাতাল এবং অনুমোদিত নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্র। উল্লেখ্য যে, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় এই জাতীয় কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা মে মাস নাগাদ সারাদেশে পর্যায়ক্রমে বিস্তৃত হবে। আপনার শিশুর সুস্থতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে সময়মতো নিয়ে আসুন। সচেতন নাগরিক হিসেবে এই কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতা করুন।
সভায় উপস্থিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক সাংবাদিকদের প্রতি এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের বার্তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
বিশেষ করে জেলার দুর্গম চরাঞ্চল ও অবহেলিত জনপদগুলোতে টিকাদান কর্মসূচির সুফল ছড়িয়ে দিয়ে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রচারমাধ্যমগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
লালমনিরহাট জেলায় ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ কার্যক্রম সুচারুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল হাকিম। তিনি তাঁর বক্তব্যে হাম ও রুবেলা রোগের ভয়াবহতা এবং এর প্রতিরোধে টিকাদানের গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। সিভিল সার্জন জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং আগামী প্রজন্মকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে এই ক্যাম্পেইন একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। জেলার প্রতিটি শিশু যেন এই টিকার আওতায় আসে, সে বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সক্রিয় ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুল হাসান প্রিন্স-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রকিবুল হাসান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শাহাদত হোসেন সুমা। এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এসআইএমও ডা. সিফাত জাহান, জেলা তথ্য অফিসার সৌমিক রায়সহ স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, হাম-রুবেলা নির্মূলের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে নির্দিষ্ট বয়সী সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দক্ষ জনবল দ্বারা মানসম্মত টিকা প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সম্প্রতি জেলায় ১৭১ জনের মধ্যে ৩১ জন হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার কোনো শিশু যেন জীবনরক্ষাকারী এই টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে জন্য জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস (৫ বছর) বয়সী সকল শিশু। প্রতিদিন সকাল ৮:টা থেকে বিকাল ৪:টা পর্যন্ত। সকল কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারি হাসপাতাল এবং অনুমোদিত নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্র। উল্লেখ্য যে, গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় এই জাতীয় কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা মে মাস নাগাদ সারাদেশে পর্যায়ক্রমে বিস্তৃত হবে। আপনার শিশুর সুস্থতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে সময়মতো নিয়ে আসুন। সচেতন নাগরিক হিসেবে এই কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতা করুন।
সভায় উপস্থিত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক সাংবাদিকদের প্রতি এই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের বার্তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
বিশেষ করে জেলার দুর্গম চরাঞ্চল ও অবহেলিত জনপদগুলোতে টিকাদান কর্মসূচির সুফল ছড়িয়ে দিয়ে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রচারমাধ্যমগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন