লালমনিরহাটে ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন সপ্তাহব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ উপলক্ষে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে
সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় বর্তমানে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এবং ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
শুরুর তারিখ: ২০ এপ্রিল ২০২৬।
সময়কাল: প্রতিদিন সকাল ৮:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা পর্যন্ত।
টার্গেট গ্রুপ: ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস (৫ বছর) বয়সী সকল শিশু।
টিকাদান কেন্দ্র: সকল কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারি হাসপাতাল এবং অনুমোদিত টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিস্থিতি:
লালমনিরহাট জেলায় সম্প্রতি প্রায় ১৭১ জনের মধ্যে ৩১ জন হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলার কোনো শিশু যেন এই জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
কর্মসূচিটি সফল করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন জেলা সিভিল সার্জন আব্দুল হাকিম।
জাতীয়ভাবে এই কর্মসূচিটি গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় শুরু হলেও, মে মাস নাগাদ এটি সারাদেশে পর্যায়ক্রমে বিস্তৃত হবে।
আপনার শিশুর সুস্থ রাখতে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে হাম- রুবেলার টিকা প্রদান করুন।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
লালমনিরহাটে ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন সপ্তাহব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬ উপলক্ষে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে
সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় বর্তমানে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এবং ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
শুরুর তারিখ: ২০ এপ্রিল ২০২৬।
সময়কাল: প্রতিদিন সকাল ৮:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টা পর্যন্ত।
টার্গেট গ্রুপ: ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস (৫ বছর) বয়সী সকল শিশু।
টিকাদান কেন্দ্র: সকল কমিউনিটি ক্লিনিক, সরকারি হাসপাতাল এবং অনুমোদিত টিকাদান কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিস্থিতি:
লালমনিরহাট জেলায় সম্প্রতি প্রায় ১৭১ জনের মধ্যে ৩১ জন হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, জেলার কোনো শিশু যেন এই জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
কর্মসূচিটি সফল করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন জেলা সিভিল সার্জন আব্দুল হাকিম।
জাতীয়ভাবে এই কর্মসূচিটি গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলায় শুরু হলেও, মে মাস নাগাদ এটি সারাদেশে পর্যায়ক্রমে বিস্তৃত হবে।
আপনার শিশুর সুস্থ রাখতে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে হাম- রুবেলার টিকা প্রদান করুন।

আপনার মতামত লিখুন