নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল এলাকায়, ১৫/০৪/২০২৬ ইং , বুধবার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের একটি টিম এবং প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে
যৌথ অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,নাঈম হাসান শুভ।
সোর্সের প্রাপ্ত,
তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ঘোড়াশাল এলাকার মিয়াপাড়া নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে দুপুরের পর একই ধারাবাহিকতায় টেকপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সকল অপরাধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ এর ধারা ১০ ও ১১ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এতে সর্বমোট ২,২৬,৫০০/- (দুই লক্ষ ছাব্বিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এছাড়াও, অভিযানের অংশ হিসেবে অবৈধ গ্যাস সংযোগসমূহ তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়, যা ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সাথে প্রায় ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা বকেয়া বিল আদায় করা হয়, যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
অভিযান চলাকালে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণের মাঝে গ্যাসের সঠিক ব্যবহার, অবৈধ সংযোগের ক্ষতিকর দিক এবং আইনি পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল এলাকায়, ১৫/০৪/২০২৬ ইং , বুধবার তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের একটি টিম এবং প্রায় ২০ জন পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে
যৌথ অভিযানে নেতৃত্ব প্রদান করেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,নাঈম হাসান শুভ।
সোর্সের প্রাপ্ত,
তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে ঘোড়াশাল এলাকার মিয়াপাড়া নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে দুপুরের পর একই ধারাবাহিকতায় টেকপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ সকল অপরাধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ গ্যাস আইন, ২০১০ এর ধারা ১০ ও ১১ অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এতে সর্বমোট ২,২৬,৫০০/- (দুই লক্ষ ছাব্বিশ হাজার পাঁচশত) টাকা জরিমানা আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
এছাড়াও, অভিযানের অংশ হিসেবে অবৈধ গ্যাস সংযোগসমূহ তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হয়, যা ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সাথে প্রায় ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা বকেয়া বিল আদায় করা হয়, যা সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
অভিযান চলাকালে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণের মাঝে গ্যাসের সঠিক ব্যবহার, অবৈধ সংযোগের ক্ষতিকর দিক এবং আইনি পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন