জানা গেছে গত ৯ এপ্রিল রাতে বদলগাছী থানার আধাইপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া নামক স্থানে অজ্ঞাত রক্তাক্ত একটি লাশ পুলিশ উদ্ধার করেন এবং স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় লাসের পরিচয় শনাক্তকরেন,। ভিকটিমের নাম মিঠু হোসেন (৪৩)৷ গ্রাম বৈকন্ঠপুর ।
ভিকটিমের ডানকানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে ধারালো অস্ত্র দ্বারা পরিকল্পিতভাবে উপর্যুপরি আঘাতের চিহ্ন ছিল।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে বদলগাছি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার নওগাঁ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম হত্যাকারীকে গ্রেফতার করার জন্য বদলগাছি থানা সহ জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং আইসিটি এক্সপার্টদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করেন । জনসাধারণের সহায়তায়, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, আশুলিয়া থানার সহায়তায় ঢাকা থেকে নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ, টিম হত্যাকারী আসামী মোঃ রিফাত হোসেনকে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন কুড়গা এলাকা থেকে গত ১৪ এপ্রিল ভোর রাতে গ্রেপ্তার করেছে । আসামি কে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং পুলিশ সুপার নিজেও আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রিফাত পুলিশের নিকট জানান , গত ৯ এপ্রিল রাত ৯-১০ ঘটিকার সময় আসামি রিফাত এবং ভিকটিম মিঠু একই ভ্যানে যাচ্ছিল। ভিকটিম ভ্যান চালাচ্ছিল এবং আসামি রিফাত ভ্যানের পিছনে বসা ছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে ভিকটিম মিঠুর সাথে আসামী রিফাতের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসামি রিফাত ভিকটিম মিঠুকে ভ্যান থেকে ফেলে ভিকটিমের পিছনে ও ডান কানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে উপর্যপুরি ছুরিকাহত করে । পরবর্তীতে আসামি বদলগাছি থেকে নওগাঁ হয়ে রাজশাহী যায়, এবং ঢাকায় আত্মগোপন করে। ভিকটিমকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে থানা সুএে জানা যায় ।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলা পুলিশ নওগাঁ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মিঠু হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ যেকোনো অপরাধ দমন এবং অপরাধের রহস্য উদঘাটনে তৎপর রয়েছে।
অপরদিকে বদলগাছী এলাকাবাসী সুএে জানা যায় ছোট যমুনা নদীর জাবারীপুর ঘাট এলাকায় আশরাফুল হত্যার আসামি ভান্ডার পুর বালুপাড়া চড়ুই হাসা গ্রামে ঘুরা ফিরা করছেন। উক্ত আশরাফুল হত্যার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করেন তার মা আছমা বেগম, মামলা নং ৩৬/২৬। কিন্তু আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে মামলার আইও এস আই ইউছুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি দুই দিন গেছি ভাই পাইনি। আশরাফুলের মামা আমানুর বেদনাদায়ক কন্ঠে আক্ষেপে বলে আসামি বলে আমার কি তুলবে। আমি নওগাঁ পুলিশ সুপারের কাছে যাবো। তিনি আশাবাদী উক্ত পুলিশ সুপারের মাধ্যমে আমি সঠিক বিচারের আশাকরি।
বদলগাছী উপজেলার স্বচেতন মহলের জানান বদলগাছী থানা পুলিশের কঠোর ভুমিকা না থাকায় বেশ কয়েকটি হত্যা মামলার সঠিক উদঘাটন হচ্ছে না। তিনারা আশাবাদী ভ্যানচালক মিঠু হত্যা কারী খুনি রিফাতের মতো আশরাফুল হত্যার আসামি গ্রেপ্তার হবে।
এনামুল কবীর এনাম বদলগাছী নওগাঁ সংবাদাতা

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
জানা গেছে গত ৯ এপ্রিল রাতে বদলগাছী থানার আধাইপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া নামক স্থানে অজ্ঞাত রক্তাক্ত একটি লাশ পুলিশ উদ্ধার করেন এবং স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় লাসের পরিচয় শনাক্তকরেন,। ভিকটিমের নাম মিঠু হোসেন (৪৩)৷ গ্রাম বৈকন্ঠপুর ।
ভিকটিমের ডানকানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে ধারালো অস্ত্র দ্বারা পরিকল্পিতভাবে উপর্যুপরি আঘাতের চিহ্ন ছিল।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে বদলগাছি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার নওগাঁ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম হত্যাকারীকে গ্রেফতার করার জন্য বদলগাছি থানা সহ জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং আইসিটি এক্সপার্টদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করেন । জনসাধারণের সহায়তায়, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, আশুলিয়া থানার সহায়তায় ঢাকা থেকে নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ, টিম হত্যাকারী আসামী মোঃ রিফাত হোসেনকে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন কুড়গা এলাকা থেকে গত ১৪ এপ্রিল ভোর রাতে গ্রেপ্তার করেছে । আসামি কে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং পুলিশ সুপার নিজেও আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রিফাত পুলিশের নিকট জানান , গত ৯ এপ্রিল রাত ৯-১০ ঘটিকার সময় আসামি রিফাত এবং ভিকটিম মিঠু একই ভ্যানে যাচ্ছিল। ভিকটিম ভ্যান চালাচ্ছিল এবং আসামি রিফাত ভ্যানের পিছনে বসা ছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে ভিকটিম মিঠুর সাথে আসামী রিফাতের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসামি রিফাত ভিকটিম মিঠুকে ভ্যান থেকে ফেলে ভিকটিমের পিছনে ও ডান কানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে উপর্যপুরি ছুরিকাহত করে । পরবর্তীতে আসামি বদলগাছি থেকে নওগাঁ হয়ে রাজশাহী যায়, এবং ঢাকায় আত্মগোপন করে। ভিকটিমকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে থানা সুএে জানা যায় ।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলা পুলিশ নওগাঁ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মিঠু হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ যেকোনো অপরাধ দমন এবং অপরাধের রহস্য উদঘাটনে তৎপর রয়েছে।
অপরদিকে বদলগাছী এলাকাবাসী সুএে জানা যায় ছোট যমুনা নদীর জাবারীপুর ঘাট এলাকায় আশরাফুল হত্যার আসামি ভান্ডার পুর বালুপাড়া চড়ুই হাসা গ্রামে ঘুরা ফিরা করছেন। উক্ত আশরাফুল হত্যার বিচার চেয়ে আদালতে মামলা করেন তার মা আছমা বেগম, মামলা নং ৩৬/২৬। কিন্তু আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে মামলার আইও এস আই ইউছুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি দুই দিন গেছি ভাই পাইনি। আশরাফুলের মামা আমানুর বেদনাদায়ক কন্ঠে আক্ষেপে বলে আসামি বলে আমার কি তুলবে। আমি নওগাঁ পুলিশ সুপারের কাছে যাবো। তিনি আশাবাদী উক্ত পুলিশ সুপারের মাধ্যমে আমি সঠিক বিচারের আশাকরি।
বদলগাছী উপজেলার স্বচেতন মহলের জানান বদলগাছী থানা পুলিশের কঠোর ভুমিকা না থাকায় বেশ কয়েকটি হত্যা মামলার সঠিক উদঘাটন হচ্ছে না। তিনারা আশাবাদী ভ্যানচালক মিঠু হত্যা কারী খুনি রিফাতের মতো আশরাফুল হত্যার আসামি গ্রেপ্তার হবে।
এনামুল কবীর এনাম বদলগাছী নওগাঁ সংবাদাতা

আপনার মতামত লিখুন