নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
আয়োজকরা জানান, ‘কৃষক কার্ড’ বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির একটি অংশ। এর আগে দলটির পক্ষ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খালখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় প্রায় ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক অন্তর্ভুক্ত হবেন।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচিত কৃষকরা বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ সহায়তা পাবেন। প্রাথমিকভাবে এ সহায়তার পরিমাণ দুই হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কর্মসূচির বিস্তারিত কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনো পূর্ণাঙ্গ আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
আয়োজকরা জানান, ‘কৃষক কার্ড’ বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির একটি অংশ। এর আগে দলটির পক্ষ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খালখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় প্রায় ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক অন্তর্ভুক্ত হবেন।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচিত কৃষকরা বছরে নির্দিষ্ট পরিমাণ নগদ সহায়তা পাবেন। প্রাথমিকভাবে এ সহায়তার পরিমাণ দুই হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কর্মসূচির বিস্তারিত কার্যক্রম ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনো পূর্ণাঙ্গ আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন