খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির বিক্রয়/বিতরণ কেন্দ্রের প্রায় ১০ গজ দূর থেকে জব্দ করা হয় সরকারি ২৯ বস্তা চাল। জব্দের পর থেকেই নিয়মিত মামলার কথা জানালেও অদৃশ্য কারণে ৭ দিনেও কোন মামলা হয়নি। এ নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।
নেত্রকোনার মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বরাটি বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও চাল কালোবাজারিদের সমন্বয়ে বিষয়টি ধামাচাপার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় লোকজন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ' উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বরাটি বাজারে নিয়ম অনুযায়ী খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রি করেন হাবিবুর রহমান খান নামের এক ডিলার। একজন কার্ডধারী ১৫ টাকা কেজি ধরে ৩০ কেজি পায়। ওই ডিলার সংশ্লিষ্ট এলাকার ৫৩৫ জন কার্ডধারীর মাঝে চাল বিক্রি করে থাকে।
গত বুধবার (১ এপ্রিল) ডিলার কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিক্রি করছিল। ওই দিন রাতেই ডিলার পয়েন্টের প্রায় ১০ গজ দূরে একটি ঘরে ২৯ বস্তা সরকারি চাল মজুদ রাখা হওয়ার খবর পায় প্রশাসন। খবর পেয়ে ২৯ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ভূমিকর্মকতা ও পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জিম্মায় গ্রাম পুলিশের পাহারায় জব্দ চালগুলো বরাটি বাজারে রাখা হয়। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়মিত মামলা করার কথা জানান। কিন্তু অদৃশ্য কারণে ৭ দিনেও কোন মামলা করা হয়নি।
এ ব্যাপারে চাল মজুদকারী মোয়াটি গ্রামের ওয়াহাব জানান,' আমি চালের ব্যবসা করি। ডিলালের কাছ থেকে কার্ডধারীরা চাল এনে আমার কাছে বিক্রি করছে। তাই আমি চাল কিনে মজুদ করেছি।'
নায়েকপুর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার জানান, 'আগে বলছিলাম নিয়মিত মামলা করবো। কিন্তু এখন সিদ্ধান্ত আসছে জব্দ চালগুলো এলাকার অসহায় লোকজনের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।'
জানতে চাইলে নায়েকপুর ইউনিয়নের সহকারি ভূমি কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, ' আমি চাল জব্দের বিষয়ে কিছু জানি না। এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারি না। '
এ ব্যাপারে নায়েকপুর ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মিজান জানান,' ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ভূমিকর্তা দুইজনে পুলিশের সহযোগিতায় চালগুলো জব্দ করেছে। ইউএনও স্যারের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শুনেছি।'
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী জানান,' বরাটি বাজার থেকে ২৯ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ চালগুলো এলাকার অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হবে।'
ছবি আছেঃ জব্দ ২৯ বস্তা চাল গ্রাম পুলিশের পাহারায় রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির বিক্রয়/বিতরণ কেন্দ্রের প্রায় ১০ গজ দূর থেকে জব্দ করা হয় সরকারি ২৯ বস্তা চাল। জব্দের পর থেকেই নিয়মিত মামলার কথা জানালেও অদৃশ্য কারণে ৭ দিনেও কোন মামলা হয়নি। এ নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে।
নেত্রকোনার মদন উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বরাটি বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও চাল কালোবাজারিদের সমন্বয়ে বিষয়টি ধামাচাপার চেষ্টা চলছে।
স্থানীয় লোকজন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ' উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের বরাটি বাজারে নিয়ম অনুযায়ী খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রি করেন হাবিবুর রহমান খান নামের এক ডিলার। একজন কার্ডধারী ১৫ টাকা কেজি ধরে ৩০ কেজি পায়। ওই ডিলার সংশ্লিষ্ট এলাকার ৫৩৫ জন কার্ডধারীর মাঝে চাল বিক্রি করে থাকে।
গত বুধবার (১ এপ্রিল) ডিলার কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিক্রি করছিল। ওই দিন রাতেই ডিলার পয়েন্টের প্রায় ১০ গজ দূরে একটি ঘরে ২৯ বস্তা সরকারি চাল মজুদ রাখা হওয়ার খবর পায় প্রশাসন। খবর পেয়ে ২৯ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের ভূমিকর্মকতা ও পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জিম্মায় গ্রাম পুলিশের পাহারায় জব্দ চালগুলো বরাটি বাজারে রাখা হয়। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নিয়মিত মামলা করার কথা জানান। কিন্তু অদৃশ্য কারণে ৭ দিনেও কোন মামলা করা হয়নি।
এ ব্যাপারে চাল মজুদকারী মোয়াটি গ্রামের ওয়াহাব জানান,' আমি চালের ব্যবসা করি। ডিলালের কাছ থেকে কার্ডধারীরা চাল এনে আমার কাছে বিক্রি করছে। তাই আমি চাল কিনে মজুদ করেছি।'
নায়েকপুর ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার জানান, 'আগে বলছিলাম নিয়মিত মামলা করবো। কিন্তু এখন সিদ্ধান্ত আসছে জব্দ চালগুলো এলাকার অসহায় লোকজনের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।'
জানতে চাইলে নায়েকপুর ইউনিয়নের সহকারি ভূমি কর্মকর্তা নূরুল ইসলাম বলেন, ' আমি চাল জব্দের বিষয়ে কিছু জানি না। এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারি না। '
এ ব্যাপারে নায়েকপুর ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান মিজান জানান,' ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ভূমিকর্তা দুইজনে পুলিশের সহযোগিতায় চালগুলো জব্দ করেছে। ইউএনও স্যারের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে শুনেছি।'
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী জানান,' বরাটি বাজার থেকে ২৯ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ চালগুলো এলাকার অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হবে।'
ছবি আছেঃ জব্দ ২৯ বস্তা চাল গ্রাম পুলিশের পাহারায় রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন