ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া মহাসম্মেলন ২০২৬। শুক্রবার (৩ মার্চ, ২০২৬) আয়োজিত এ সম্মেলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা ছিল প্রাণবন্ত।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী বাবু নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য এবং সংস্কৃতির বিকাশে মতুয়া সম্প্রদায়ের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করাই আমাদের শক্তি।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সহ-সভাপতি আলহাজ্জ খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “মতুয়া মহাসম্মেলন শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।”
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুধীজন ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা সকলেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশের উন্নয়নে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে ধর্মীয় আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে মতুয়া মহাসম্মেলন ২০২৬। শুক্রবার (৩ মার্চ, ২০২৬) আয়োজিত এ সম্মেলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো এলাকা ছিল প্রাণবন্ত।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী বাবু নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি তার বক্তব্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক ঐক্য এবং সংস্কৃতির বিকাশে মতুয়া সম্প্রদায়ের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করাই আমাদের শক্তি।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সহ-সভাপতি আলহাজ্জ খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “মতুয়া মহাসম্মেলন শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।”
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সুধীজন ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা সকলেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশের উন্নয়নে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে ধর্মীয় আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন