মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কোলা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডস্থ ছাতিয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ৩০ বছরের পুরোনো একটি কাঠের সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। বরাদ্দ অনুমোদনের পরও সেতুটির সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে দুই থেকে তিন বছর পরপর সেতুটির জন্য মেরামতের কিছু বরাদ্দ পাওয়া যেত এবং সেই অনুযায়ী সংস্কার কাজ করা হতো। তবে গত চার বছর ধরে এ সেতুর জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না, ফলে সেতুটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ভুক্তভোগীরা জানান, তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে চলতি বছরের প্রায় আট মাস আগে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হয়। সে সময়ের ইউএনও শাহিনা ম্যাডামের উদ্যোগে সেতুটির জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দের দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো কাজ শুরু হয়নি। এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তিনি বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু কাজ বাস্তবায়ন না হওয়া তার একার পক্ষে সম্ভব নয়।
এদিকে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চরম উদ্বেগে রয়েছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, বর্তমানে বাঁশ দিয়ে কোনোভাবে সেতুটি চলাচলের উপযোগী রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় প্রবল বৃষ্টিতে সেতুটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রচার-প্রচারণা চালালেও এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটির বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আশপাশের ৭ থেকে ৮টি ওয়ার্ডের মানুষ এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল হলেও তাদের দুর্ভোগের কোনো সমাধান হচ্ছে না।
দ্রুত সেতুটির সংস্কার কাজ শুরু করে স্থায়ী সমাধানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কোলা ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডস্থ ছাতিয়ানতলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব দক্ষিণ পাশে অবস্থিত ৩০ বছরের পুরোনো একটি কাঠের সেতু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। বরাদ্দ অনুমোদনের পরও সেতুটির সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অতীতে দুই থেকে তিন বছর পরপর সেতুটির জন্য মেরামতের কিছু বরাদ্দ পাওয়া যেত এবং সেই অনুযায়ী সংস্কার কাজ করা হতো। তবে গত চার বছর ধরে এ সেতুর জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না, ফলে সেতুটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ভুক্তভোগীরা জানান, তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে চলতি বছরের প্রায় আট মাস আগে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করা হয়। সে সময়ের ইউএনও শাহিনা ম্যাডামের উদ্যোগে সেতুটির জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দের দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো কাজ শুরু হয়নি। এ বিষয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তিনি বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন, কিন্তু কাজ বাস্তবায়ন না হওয়া তার একার পক্ষে সম্ভব নয়।
এদিকে বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চরম উদ্বেগে রয়েছেন এলাকাবাসী। তারা জানান, বর্তমানে বাঁশ দিয়ে কোনোভাবে সেতুটি চলাচলের উপযোগী রাখা হয়েছে। যে কোনো সময় প্রবল বৃষ্টিতে সেতুটি ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রচার-প্রচারণা চালালেও এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটির বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আশপাশের ৭ থেকে ৮টি ওয়ার্ডের মানুষ এই সেতুর ওপর নির্ভরশীল হলেও তাদের দুর্ভোগের কোনো সমাধান হচ্ছে না।
দ্রুত সেতুটির সংস্কার কাজ শুরু করে স্থায়ী সমাধানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন