লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বান্দেরকুড়া গ্রামে রাতের আঁধারে বাড়িতে ঢুকে হামলা মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী সুমন্ত রায় (৪০) অভিযোগ করেন, গত ১৮ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে তাদের বাড়ির উঠানে এসে গালাগালি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। এ সময় অভিযুক্ত সাগর কুমার (২২), সজিব কুমার (১৯) ও ময়না রানি (৪০) সহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় বাদীর বাবা ধীরেন্দ্র নাথ রায়কে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে সুমন্ত রায়ের ওপরও নির্মম হামলা চালানো হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মাথা ফেটে যায় এবং গুরুতর জখম হন। পরে তার মাথায় ৬টি সেলাই দিতে হয়।
এদিকে হামলার সময় বাদীর মা এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় এবং তার শ্লীলতাহানির অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সুমন্ত রায়কে পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য Rangpur মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বাদীর অভিযোগ, ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে চিকিৎসা শেষে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। আদালতের কাছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার বান্দেরকুড়া গ্রামে রাতের আঁধারে বাড়িতে ঢুকে হামলা মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার বাদী সুমন্ত রায় (৪০) অভিযোগ করেন, গত ১৮ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পূর্ব বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে তাদের বাড়ির উঠানে এসে গালাগালি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। এ সময় অভিযুক্ত সাগর কুমার (২২), সজিব কুমার (১৯) ও ময়না রানি (৪০) সহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, হামলার সময় বাদীর বাবা ধীরেন্দ্র নাথ রায়কে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে সুমন্ত রায়ের ওপরও নির্মম হামলা চালানো হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মাথা ফেটে যায় এবং গুরুতর জখম হন। পরে তার মাথায় ৬টি সেলাই দিতে হয়।
এদিকে হামলার সময় বাদীর মা এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় এবং তার শ্লীলতাহানির অভিযোগও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সুমন্ত রায়কে পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য Rangpur মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বাদীর অভিযোগ, ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে চিকিৎসা শেষে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি দণ্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩৫৪/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। আদালতের কাছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন