দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং  বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

তারিখ=০৯/০৮/২০২৬ ইং বন্দরের রাস্তার ফোরলেন কাজের উদ্ভোধন করলেন ডা. জাহিদ

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

ছাত্রদল থেকে ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃত্বে ৩৫ বছরের সংগ্রাম—১৬ মামলার ঝড় পেরিয়ে এবার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই শিক্ষক নেতা

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

মদনে ইজারার নামে চাঁদা আদায়, সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ  কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ইউএনওকে জানানোর পরও ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্যবিবাহ কাজীর ‘খসড়া বিয়ে’ বক্তব্যে বিতর্ক, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ক্রয় কৃত জমি জবরদখলের চেষ্টা ও রোপণ কিত গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

১১দফা দাবীতে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপিপ্রদান

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

তিস্তার আকস্মিক বন্যায় ভেঙে গেল সড়ক, ভোগান্তিতে ২ হাজার পরিবার

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ছাতকে পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ: হত্যাচেষ্টা, গুরুতর জখম ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

টাকা ছাড়া জন্মনিবন্ধনে স্বাক্ষর করেন না চরনিলক্ষিয়া ইউপি সচিব আনিস। রয়েছে বহু অভিযোগ

টাকা ছাড়া জন্মনিবন্ধনে স্বাক্ষর করেন না চরনিলক্ষিয়া ইউপি সচিব আনিস। রয়েছে বহু অভিযোগ

টাকা দিলেই জন্ম-মৃত্য নিবন্ধনের কাজ করেন, না দিলে দুর্ব্যবহার ও সেবাগ্রহীতাকে সেবার নামে হয়রানি  করেন ময়মনসিংহের সদর উপজেলার চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের  সচিব আনিসুর রহমান।  এমনই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আনিসুর রহমান প্রায় ২বছর যাবৎ চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এক স্থানে থাকায় তিনি নানান অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে- নতুন জন্ম নিবন্ধন, সংশোধন, পুণঃ সংশোধন  ও মৃত্যু নিবন্ধনে সরকার নির্ধারিত ৫০টাকা ফি এর স্থলে ইউনিয়নের কোন বাসিন্দা এসব নিবন্ধন কাজের নিবন্ধন করতে আসলে সচিব প্রথমেই তাদের নিকট প্রথমেই ৩থেকে ৪ শত টাকা দাবী করে। তার দাবীকৃত অতিরিক্ত ফি না দিলে সেবাগ্রহীতাকে মাসের পর মাস ইন্টারনেট সার্ভারের নাম করে সময় ক্ষেপন করে হয়রানি করেন। যদিও সরকার নির্ধারিত ৫০টাকার বাইরে অনলাইনে আবেদন করতে আবেদনকারী উদ্যোক্তা বা দোকানদার তার ফি হিসাবে ৫০ টাকা নিতে পারেন, এতে একটি নিবন্ধনে  সেবাগ্রহীতার  সর্বমোট ১০০ টাকা খরচ নিতে পারে।তবে এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সচিব নিজেই ৩ থেকে ৪ শত টাকা নিয়ে থাকেন,আর তার দাবীকৃত এই টাকা না দিলে গ্রাহককে নিবন্ধন নিতে হয়রানির শিকার হতে হয়।  অপরদিকে নিবন্ধন সনদে চেয়ারম্যান ও সচিবের সাক্ষর করতে হয়, সেই স্বাক্ষরেও ৫০টাকা নেন সচিব আনিসুর রহমান। 

মহজমপুর গ্রামের এক সেবা গ্রহীতা বলেন, যেকোনো সার্টিফিকেট আনতে গেলে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা চাচ্ছেন সচিব। আমরা দেব কোথা থেকে, আমরা গরিব মানুষ। মাঠে দিনমজুরি করে খাই। জমি-জায়গা নেই। সরকারের কাছে আমাদের দাবি আগে যেভাবে ৫০ টাকা করে নিতো সেইভাবে নিক।

একই গ্রামের আরেক সেবা গ্রহীতা বলেন, চর নিলক্ষিয়াবাসীর অনেকের উপর জুলুম করেন এই সচিব। তাকে কিছু বললে হুমকি দিয় বলেন আপনাদের কে আছে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে বোঝাপড়া করবো। জন্মনিবন্ধন করতে গেলে দুর্ব্যবহার করেন। অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সচিব আনিসুর রহমানকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের করা সতর্কতাকেও বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অনিয়ম আর সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করেই যাচ্ছে সচিব আনিসুর রহমান।

ইতিহাস পরিষদে গিয়ে দেখা যায়- ইউনিয়ন পরিষদ সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার সুবিধার্থে সেবাগ্রহীতারা যেনো সহজে ইউপি চেয়ারম্যান/প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য তাদের মোবাইল নাম্বার সম্বলিত এজটি বিলবোর্ডে সবার নাম্বার থাকলেও সচিব আনিসুর রহমান বিল বোর্ডে থাকা তার নাম্বাটি আলাদা কালির প্রলেপ দিয়ে ঢেকে রেখেছে যেনো তাকে কেহ ফোন করে যোগাযোগ করতে না পারে। 

তবে চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আনিসুর রহমান বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ কাজের সঙ্গে আমি কোনোভাবে সম্পৃক্ত না। এই কাজটা উদ্যোক্তারা করেন। আমার কাজটা হচ্ছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে সেটাকে অনুমোদন দেওয়া।

 চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হাবিবউল্লাহ  বলেন, আমি এই ইউনিয়নে প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ইউপি সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে  কী করেছে বা হয়েছে জানি না। আমি নতুন প্রশাসক । এখন থেকে আশা করি কোনো ধরনের অনিয়ম হবে না। সেই সুযোগ আমি কাউকে দেব না।

 তিনি আরও  বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাদের জন্ম- মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়ে থাকে। চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয় থেকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে মানুষকে হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের  বিষয়ে আমি শুনেছি, এর আগেও সচিবকে ইউএনও স্যার সতর্ক করেছে। তবুও  সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত কোনো টাকা যদি কেউ নিয়ে থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


টাকা ছাড়া জন্মনিবন্ধনে স্বাক্ষর করেন না চরনিলক্ষিয়া ইউপি সচিব আনিস। রয়েছে বহু অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬

featured Image


টাকা দিলেই জন্ম-মৃত্য নিবন্ধনের কাজ করেন, না দিলে দুর্ব্যবহার ও সেবাগ্রহীতাকে সেবার নামে হয়রানি  করেন ময়মনসিংহের সদর উপজেলার চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের  সচিব আনিসুর রহমান।  এমনই অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আনিসুর রহমান প্রায় ২বছর যাবৎ চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এক স্থানে থাকায় তিনি নানান অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন।


অভিযোগ উঠেছে- নতুন জন্ম নিবন্ধন, সংশোধন, পুণঃ সংশোধন  ও মৃত্যু নিবন্ধনে সরকার নির্ধারিত ৫০টাকা ফি এর স্থলে ইউনিয়নের কোন বাসিন্দা এসব নিবন্ধন কাজের নিবন্ধন করতে আসলে সচিব প্রথমেই তাদের নিকট প্রথমেই ৩থেকে ৪ শত টাকা দাবী করে। তার দাবীকৃত অতিরিক্ত ফি না দিলে সেবাগ্রহীতাকে মাসের পর মাস ইন্টারনেট সার্ভারের নাম করে সময় ক্ষেপন করে হয়রানি করেন। যদিও সরকার নির্ধারিত ৫০টাকার বাইরে অনলাইনে আবেদন করতে আবেদনকারী উদ্যোক্তা বা দোকানদার তার ফি হিসাবে ৫০ টাকা নিতে পারেন, এতে একটি নিবন্ধনে  সেবাগ্রহীতার  সর্বমোট ১০০ টাকা খরচ নিতে পারে।তবে এসব নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সচিব নিজেই ৩ থেকে ৪ শত টাকা নিয়ে থাকেন,আর তার দাবীকৃত এই টাকা না দিলে গ্রাহককে নিবন্ধন নিতে হয়রানির শিকার হতে হয়।  অপরদিকে নিবন্ধন সনদে চেয়ারম্যান ও সচিবের সাক্ষর করতে হয়, সেই স্বাক্ষরেও ৫০টাকা নেন সচিব আনিসুর রহমান। 


মহজমপুর গ্রামের এক সেবা গ্রহীতা বলেন, যেকোনো সার্টিফিকেট আনতে গেলে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা চাচ্ছেন সচিব। আমরা দেব কোথা থেকে, আমরা গরিব মানুষ। মাঠে দিনমজুরি করে খাই। জমি-জায়গা নেই। সরকারের কাছে আমাদের দাবি আগে যেভাবে ৫০ টাকা করে নিতো সেইভাবে নিক।


একই গ্রামের আরেক সেবা গ্রহীতা বলেন, চর নিলক্ষিয়াবাসীর অনেকের উপর জুলুম করেন এই সচিব। তাকে কিছু বললে হুমকি দিয় বলেন আপনাদের কে আছে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে বোঝাপড়া করবো। জন্মনিবন্ধন করতে গেলে দুর্ব্যবহার করেন। অফিস থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন।


এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সচিব আনিসুর রহমানকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের করা সতর্কতাকেও বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অনিয়ম আর সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি করেই যাচ্ছে সচিব আনিসুর রহমান।


ইতিহাস পরিষদে গিয়ে দেখা যায়- ইউনিয়ন পরিষদ সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার সুবিধার্থে সেবাগ্রহীতারা যেনো সহজে ইউপি চেয়ারম্যান/প্রশাসক ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে সেজন্য তাদের মোবাইল নাম্বার সম্বলিত এজটি বিলবোর্ডে সবার নাম্বার থাকলেও সচিব আনিসুর রহমান বিল বোর্ডে থাকা তার নাম্বাটি আলাদা কালির প্রলেপ দিয়ে ঢেকে রেখেছে যেনো তাকে কেহ ফোন করে যোগাযোগ করতে না পারে। 


তবে চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আনিসুর রহমান বলেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন। এ কাজের সঙ্গে আমি কোনোভাবে সম্পৃক্ত না। এই কাজটা উদ্যোক্তারা করেন। আমার কাজটা হচ্ছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে সেটাকে অনুমোদন দেওয়া।


 চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক হাবিবউল্লাহ  বলেন, আমি এই ইউনিয়নে প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ইউপি সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে  কী করেছে বা হয়েছে জানি না। আমি নতুন প্রশাসক । এখন থেকে আশা করি কোনো ধরনের অনিয়ম হবে না। সেই সুযোগ আমি কাউকে দেব না।


 তিনি আরও  বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাদের জন্ম- মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়ে থাকে। চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয় থেকে জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে মানুষকে হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের  বিষয়ে আমি শুনেছি, এর আগেও সচিবকে ইউএনও স্যার সতর্ক করেছে। তবুও  সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত কোনো টাকা যদি কেউ নিয়ে থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ