মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বুক চিঁড়ে বয়ে চলা ইছামতী নদী খনন করে পুনরায় এর ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একসময় নৌ চলাচল, মাছ ধরা এবং দৈনন্দিন জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই নদী বর্তমানে ভরাট ও সংকুচিত হয়ে অনেকাংশে তার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি দখল ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে নদীর অনেক অংশ সরু খাল কিংবা প্রায় মৃত জলাধারে পরিণত হয়েছে। ফলে কৃষিকাজ, মৎস্য আহরণ এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে নদীটি খনন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হলে আবারও ফিরে আসবে নদীর প্রাণচাঞ্চল্য। এতে যেমন জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ উদ্যোগ এবং পরিকল্পিত খননের মাধ্যমে ইছামতী নদীকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব। এজন্য তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইছামতী নদী খণনের দাবীতে সরব স্থানীয়রা, ঐতিহ্য ফেরানোর আহ্বান!
মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা এলাকায় অবস্থিত ইছামতী নদী খনন করে পুনরায় এর ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একসময় নৌ চলাচল, মাছ ধরা এবং দৈনন্দিন জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই নদী বর্তমানে ভরাট ও সংকুচিত হয়ে অনেকাংশে তার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে।
নদীর পাশে রয়েছে লতব্দীর চর। এ চরের বিশাল একটি জায়গাজুড়ে ধান আবাদ করা হয়। শুকনো মৌসুমে ধান আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় পানির পুরোটাই এ নদী থেকে সরবরাহ করা হতো। তবে বর্তমানে নদীতে কাদা ও পলিমাটি জমাট বাঁধার কারণে কৃষকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পাচ্ছেন না। ফলে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে এবং উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি দখল ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে নদীর অনেক অংশ সরু খাল কিংবা প্রায় মৃত জলাধারে পরিণত হয়েছে। এতে কৃষি, মৎস্য এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে নদীটি খনন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হলে আবারও ফিরে আসবে নদীর প্রাণচাঞ্চল্য। এতে যেমন কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন, তেমনি জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় অর্থনীতিও পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ইছামতী নদী তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পায়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বুক চিঁড়ে বয়ে চলা ইছামতী নদী খনন করে পুনরায় এর ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একসময় নৌ চলাচল, মাছ ধরা এবং দৈনন্দিন জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই নদী বর্তমানে ভরাট ও সংকুচিত হয়ে অনেকাংশে তার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি দখল ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে নদীর অনেক অংশ সরু খাল কিংবা প্রায় মৃত জলাধারে পরিণত হয়েছে। ফলে কৃষিকাজ, মৎস্য আহরণ এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে নদীটি খনন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হলে আবারও ফিরে আসবে নদীর প্রাণচাঞ্চল্য। এতে যেমন জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ উদ্যোগ এবং পরিকল্পিত খননের মাধ্যমে ইছামতী নদীকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব। এজন্য তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইছামতী নদী খণনের দাবীতে সরব স্থানীয়রা, ঐতিহ্য ফেরানোর আহ্বান!
মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা এলাকায় অবস্থিত ইছামতী নদী খনন করে পুনরায় এর ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একসময় নৌ চলাচল, মাছ ধরা এবং দৈনন্দিন জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত এই নদী বর্তমানে ভরাট ও সংকুচিত হয়ে অনেকাংশে তার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে।
নদীর পাশে রয়েছে লতব্দীর চর। এ চরের বিশাল একটি জায়গাজুড়ে ধান আবাদ করা হয়। শুকনো মৌসুমে ধান আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় পানির পুরোটাই এ নদী থেকে সরবরাহ করা হতো। তবে বর্তমানে নদীতে কাদা ও পলিমাটি জমাট বাঁধার কারণে কৃষকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পাচ্ছেন না। ফলে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে এবং উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি দখল ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে নদীর অনেক অংশ সরু খাল কিংবা প্রায় মৃত জলাধারে পরিণত হয়েছে। এতে কৃষি, মৎস্য এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে নদীটি খনন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা হলে আবারও ফিরে আসবে নদীর প্রাণচাঞ্চল্য। এতে যেমন কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন, তেমনি জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় অর্থনীতিও পুনরুদ্ধার হবে বলে আশা করছেন তারা।
স্থানীয় সচেতন মহল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে ইছামতী নদী তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পায়।

আপনার মতামত লিখুন