পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে লালমনিরহাট শহরজুড়ে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। ঈদ উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এখন উত্তরের এই সীমান্তবর্তী জেলার বাসিন্দারা। আজ ২৭ রমজান সকাল থেকেই ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে শহরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা উত্তরণ সুপার মার্কেট ও গোশালা রোডের বিপণিবিতানগুলো।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, শহরের প্রতিটি গলি ও শপিং মলে এখন জনসমুদ্র। বিশেষ করে পাঞ্জাবি, শাড়ি, লেহেঙ্গা এবং শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে পা ফেলার জায়গা নেই। নারী ও তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি বাজারকে করে তুলেছে উৎসবমুখর। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রোজার শুরুর দিকে বিক্রি কিছুটা ধীরগতিতে থাকলেও শেষ মুহূর্তে এসে তা কয়েকগুণ বেড়েছে। এমনকি ইফতারের পর ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের।
কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও যানজট নিরসনে কাজ করছে লালমনিরহাট ট্রাফিক বিভাগ। এ প্রসঙ্গে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মনিরুজ্জামান বলেন:
"এবারের ঈদে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্রেতারা যেন নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা সেরে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ট্রাফিক বিভাগ সবসময় তৎপর রয়েছে।"
ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে নিত্যনতুন ও এক্সক্লুসিভ কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গোশালা রোডস্থ উত্তরণ সুপার মার্কেটের জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান 'শিশুমেলার' স্বত্বাধিকারী নুরুজ্জামান সামাদ জানান:
"আমরা সবসময় চেষ্টা করি ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে সেরা এবং এক্সক্লুসিভ পণ্য সংগ্রহ করতে। প্রতিটি পরিবারের সদস্যরা যেন তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সন্তোষজনক কেনাকাটা করতে পারেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।"
বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে লালমনিরহাট গোশালা রোড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোকলেছুর রহমান মোকছেদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "এবারের ঈদে ক্রেতাদের এই উপচে পড়া ভিড়ই প্রমাণ করে যে আমাদের ব্যবসায়ীরা সঠিক সময়ে সঠিক পণ্য জোগান দিতে সক্ষম হয়েছেন।"
উৎসবের আমেজ: ২৭ রমজানে কেনাকাটা তুঙ্গে, বাকি আর মাত্র কয়েক দিন।
জনসমাগম: সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সব বয়সের মানুষের ভিড়।
নতুন কালেকশন: আধুনিক ও বাহারি পোশাকে সেজেছে দোকানগুলো।
রাত্রিকালীন কেনাকাটা: ইফতারের পর ভিড় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপ সামলাচ্ছে পুলিশ।
ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার ঘরে—এমনই প্রত্যাশা লালমনিরহাটের ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতর ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে লালমনিরহাট শহরজুড়ে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। ঈদ উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত এখন উত্তরের এই সীমান্তবর্তী জেলার বাসিন্দারা। আজ ২৭ রমজান সকাল থেকেই ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে শহরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা উত্তরণ সুপার মার্কেট ও গোশালা রোডের বিপণিবিতানগুলো।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, শহরের প্রতিটি গলি ও শপিং মলে এখন জনসমুদ্র। বিশেষ করে পাঞ্জাবি, শাড়ি, লেহেঙ্গা এবং শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে পা ফেলার জায়গা নেই। নারী ও তরুণ-তরুণীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি বাজারকে করে তুলেছে উৎসবমুখর। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রোজার শুরুর দিকে বিক্রি কিছুটা ধীরগতিতে থাকলেও শেষ মুহূর্তে এসে তা কয়েকগুণ বেড়েছে। এমনকি ইফতারের পর ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের।
কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও যানজট নিরসনে কাজ করছে লালমনিরহাট ট্রাফিক বিভাগ। এ প্রসঙ্গে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) মনিরুজ্জামান বলেন:
"এবারের ঈদে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্রেতারা যেন নির্বিঘ্নে এবং স্বাচ্ছন্দে কেনাকাটা সেরে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ট্রাফিক বিভাগ সবসময় তৎপর রয়েছে।"
ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে নিত্যনতুন ও এক্সক্লুসিভ কালেকশন নিয়ে হাজির হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। গোশালা রোডস্থ উত্তরণ সুপার মার্কেটের জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান 'শিশুমেলার' স্বত্বাধিকারী নুরুজ্জামান সামাদ জানান:
"আমরা সবসময় চেষ্টা করি ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে সেরা এবং এক্সক্লুসিভ পণ্য সংগ্রহ করতে। প্রতিটি পরিবারের সদস্যরা যেন তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সন্তোষজনক কেনাকাটা করতে পারেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।"
বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে লালমনিরহাট গোশালা রোড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোকলেছুর রহমান মোকছেদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "এবারের ঈদে ক্রেতাদের এই উপচে পড়া ভিড়ই প্রমাণ করে যে আমাদের ব্যবসায়ীরা সঠিক সময়ে সঠিক পণ্য জোগান দিতে সক্ষম হয়েছেন।"
উৎসবের আমেজ: ২৭ রমজানে কেনাকাটা তুঙ্গে, বাকি আর মাত্র কয়েক দিন।
জনসমাগম: সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সব বয়সের মানুষের ভিড়।
নতুন কালেকশন: আধুনিক ও বাহারি পোশাকে সেজেছে দোকানগুলো।
রাত্রিকালীন কেনাকাটা: ইফতারের পর ভিড় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপ সামলাচ্ছে পুলিশ।
ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার ঘরে—এমনই প্রত্যাশা লালমনিরহাটের ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের।

আপনার মতামত লিখুন